
মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, মাটিরাঙ্গা
পলাশপুর যুব উন্নয়ন ক্লাব কর্তৃক আয়োজিত জুনিয়র ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬, সিজন-১-এর ফাইনাল খেলা উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ফাইনালে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পলাশপুর ইয়ং স্টার ও উরন্ত ঈগল। নির্ধারিত সময়ের খেলা শেষে উরন্ত ঈগলকে ২–১ গোলে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে পলাশপুর ইয়ং স্টার।
ফাইনাল খেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোঃ অলি উল্লা, সভাপতি, ৪ নম্বর ওয়ার্ড জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোঃ রহমত উল্ল্যাহ, সভাপতি, পলাশপুর কেন্দ্রীয় সমাজ পরিচালনা কমিটি; মোঃ ইয়াসিন হোসেন, সদস্য, পলাশপুর যুব উন্নয়ন ক্লাব এবং মোঃ বিল্লাল হোসেন, সভাপতি, পলাশপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ। এ ছাড়াও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও ক্লাবের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
টানটান উত্তেজনাপূর্ণ ফাইনালে পলাশপুর ইয়ং স্টারের পক্ষে মোহাম্মদ আরিফ ও নির্জন একটি করে গোল করেন। অন্যদিকে উরন্ত ঈগলের পক্ষে একমাত্র গোলটি করেন রাব্বি। শেষ পর্যন্ত ২–১ গোলের ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে পলাশপুর ইয়ং স্টার।
খেলা শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে খেলোয়াড় ও দলকে পুরস্কৃত করা হয়।
– ম্যান অব দ্য ম্যাচ: শহিদুল, ক্যাপ্টেন, পলাশপুর ইয়ং স্টার।
– সেরা গোলদাতা: মোহাম্মদ আরিফ, পলাশপুর ইয়ং স্টার। পুরো টুর্নামেন্টে তিনি ৪টি গোল করেন।
– সেরা গোলকিপার: সারোয়ান, পলাশপুর ইয়ং স্টার।
– চ্যাম্পিয়ন: পলাশপুর ইয়ং স্টার, রানার্সআপ: উরন্ত ঈগল, তৃতীয় স্থান: রয়েল ঈগল।
অনুষ্ঠানে সম্মাননা স্মারক গ্রহণ করেন মোঃ অলি উল্লা, মোঃ রহমত উল্ল্যাহ, মোঃ বিল্লাল হোসেন, মোঃ ইয়াসিন হোসেন এবং মোঃ আব্দুল হান্নান, পলাশপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক।
ফাইনাল খেলার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব ও সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করেন মোঃ বিল্লাল হোসেন, সভাপতি, পলাশপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ।
টুর্নামেন্ট পরিচালনা কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন মোঃ ছগির ইসলাম। সাধারণ সম্পাদক ছিলেন মোঃ মমিনুল ইসলাম, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মোঃ রেজাউল হক এবং কোষাধ্যক্ষ মোঃ ইব্রাহিম জমাদ্দার।
এ ছাড়া মাঠ পরিচালনা ও রেফারির দায়িত্ব পালন করেন মোঃ মিরাজুল ইসলাম, পুরস্কার ও অতিথি পরিচালনা সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলেন মোঃ ইয়াসিন হোসেন এবং শৃঙ্খলা সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন মোঃ ইউনুস সৌরভ।
তরুণদের খেলাধুলায় উৎসাহিত করা, ভ্রাতৃত্ববোধ জোরদার করা এবং স্থানীয় পর্যায়ে ফুটবলের প্রসারে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। জমজমাট ফাইনাল ও পুরস্কার বিতরণীর মধ্য দিয়ে টুর্নামেন্টের প্রথম আসরের সমাপ্তি ঘটে।