বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
গুণগত শিক্ষা নিশ্চিতকরণ ও সমৃদ্ধ পার্বত্য অঞ্চল গঠনে বর্তমান সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ. . .বান্দরবানে পার্বত্য মন্ত্রী সাচিং প্রু গুইমারা আবাসিক ছাত্রাবাস ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ম্রাসা থোয়াই মারমা সড়ক নির্মাণসহ জেলার বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে পার্বত্য মন্ত্রণালয় কাজ করে যাবে… পার্বত্য মন্ত্রী রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরী কাপ্তাই পাল্পউড বাগান বিভাগ কর্তৃক বিনামূল্যে ১৮ হাজার ৬০০ চারা বিতরণ রাজস্থলীতে আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন মাটিরাঙ্গায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচিতে কয়েক হাজার নেতাকর্মীর অংশগ্রহণ ৫৩তম গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত কোতয়ালী থানার বিশেষ অভিযানে মোট ৬ জন আসামী গ্রেফতার দীঘিনালায় মাদ্রাসায় কোরআনের সবক প্রদান ও দোয়া মাহফিল বাঘাইছড়িতে ৭২.৫৬ ঘনফুট অবৈধ সেগুন-গামারী কাঠ জব্দ গুইমারায় খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের সংবর্ধনা লংগদুতে ১৫ প্রতিবন্ধী পরিবার পেল খাদ্য সহায়তা রাঙ্গুনিয়ায় ১৭ অবৈধ ইটভাটা বন্ধের নোটিশ বরকলে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন বরকলে জেলা পরিষদের সদস্য সুবিমল  চাকমাকে গণ সংবর্ধনা বিলাইছড়িতে সাপ্তাহিক চৌকিদার প্যারেড, আইনশৃঙ্খলা নজরদারিতে গুরুত্ব

দীঘিনালায় আবুল খায়ের টোব্যাকো কোম্পানির বিরুদ্ধে তামাক চাষীদের বিক্ষোভ

Reporter Name

মোঃ হাচান আল মামুন, দীঘিমালা প্রতিনিধি

খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় আবুল খায়ের টোব্যাকো কোম্পানির বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত তামাক চাষীরা।

শুক্রবার (০৮মে) সকাল ১১ টায় বোয়ালখালী বাজার থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে দীঘিনালা কলেজ গেট এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া চাষীদের অভিযোগ, বিভিন্ন প্রলোভন ও ঋণের মাধ্যমে তাদের তামাক চাষে উদ্বুদ্ধ করা হলেও পাতা বিক্রির মৌসুমে কোম্পানি ন্যায্য মূল্য দিচ্ছে না। পাশাপাশি উৎপাদিত সব পাতা না কিনে শুধুমাত্র ঋণের টাকার সমপরিমাণ পাতা কিনে নিচ্ছে। এতে করে বিপাকে পড়েছেন শতাধিক চাষী।

চাষীরা জানান, প্রতি কানি জমিতে যেখানে ১২ থেকে ১৪ বেল তামাক উৎপাদন হচ্ছে, সেখানে কোম্পানি মাত্র ৪ থেকে ৫ বেল পাতা গ্রহণ করছে। ফলে অতিরিক্ত পাতা বিক্রি করতে না পেরে তারা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

সমাবেশে স্থানীয় চাষী কালাম বলেন- “কোম্পানির কথায় আমরা লোন নিয়ে তামাক চাষ করেছি। কিন্তু এখন পাতা বিক্রির সময় তারা আমাদের কাছ থেকে পর্যাপ্ত পাতা কিনছে না। এতে আমরা চরম বিপাকে পড়েছি।”

আরেক চাষী মিজানুর রহমান বলেন- “আমার প্রতি কানিতে ১০ থেকে ১২ বেল তামাক হয়েছে। কিন্তু কোম্পানি মাত্র ৪ থেকে ৫ বেল কিনছে। বাকি পাতা কোথায় বিক্রি করবো? লোন নিয়ে চাষ করেছি, এখন ঋণ পরিশোধ নিয়েও দুশ্চিন্তায় আছি।”

চাষী শুভেন্দু চাকমা বলেন- “আগে আমি মরিচ ও বেগুন চাষ করতাম। কোম্পানির পরামর্শে তামাক চাষ শুরু করি। কিন্তু এখন তারা আমার উৎপাদিত পাতা কিনছে না। এতে পরিবার নিয়ে আর্থিক কষ্টে দিন কাটছে।”

সমাবেশে চাষীরা কয়েকটি দাবি তুলে ধরেন। এর মধ্যে রয়েছে— কাঁচামালের বাহন কোড চালু করা, প্রতি একর জমির প্রথম ধাপে ১২-১৪ বেল পাতা গ্রহণ, ন্যায্য মূল্যে তামাক পাতা ক্রয়, দুই ধাপে ঋণ পরিশোধের সুযোগ প্রদান এবং ৬০ শতাংশ কালো পাতা ক্রয়ের দাবি।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া চাষীরা দ্রুত তাদের দাবি মেনে নেওয়ার আহ্বান জানান। অন্যথায় বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন তারা।

এ বিষয়ে আবুল খায়ের টোব্যাকো কোম্পানির ম্যানেজার সানাউল্লাহর বক্তব্য নেওয়ার জন্য যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *