রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ০৩:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সেনাবাহিনীর উদ্যোগে দুর্গম এলাকায় বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা এবং ঔষধ বিতরণ বান্দরবান এলজিইডির বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন বাঘাইছড়িতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন লামায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন “সবুজে গড়বো আগামীর বাংলাদেশ” খাগড়াছড়িতে শুরু হলো বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি থানচিতে উদ্যোক্তা মেলা ও পিঠা উৎসব প্রধানমন্ত্রীর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি; পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন খাগড়াছড়ি সদর এলজিইডি’র আয়োজনে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি পালন সীমান্তে অপরাধ ও সন্ত্রাস দমনে পানছড়ি কেষ্টমনি পাড়ায় বিজিবি’র নতুন ক্যাম্প স্থাপন প্রধানমন্ত্রীকে দেখার জন্য ঈদগাঁওবাসী ছিলেন অধির অপেক্ষায় বান্দরবানের ক্রীড়াঙ্গনে নারী ক্রীড়াবিদদের মর্যাদা, নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিতকরণে এক কর্মশালা রাজস্থলীতে ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন নওমুসলিমদের নির্যাতনের অভিযোগে রাজস্থলীতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ পানছড়িতে ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির’ উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে বাঘাইছড়িতে ২৫ হাজার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন এডুকেশনাল এক্সিলেন্স সাপোর্ট স্কীম (EESS) এর আওতায় , সৌকেসিং প্রোগ্রাম

পাহাড়ে সোনালি সম্ভাবনা: রাঙামাটির হানিকুইন আনারস

দেবদত্ত মুৎসুদ্দী, রাঙ্গামাটি ॥

রাঙামাটির সবুজ পাহাড়ে ঝলমল করছে রসালো ‘হানিকুইন’ আনারস। স্থানীয়রা এই সোনালি ফলকে ‘পাহাড়ের হলুদ সোনা’ নামে ডাকছেন। বাণিজ্যিকভাবে লাভজনক হওয়ায় এটি শুধু আয়ের উৎস নয়, পাহাড়ি কৃষকদের জীবনমান বদলাচ্ছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ২০২৬ সালে রাঙামাটিতে আনারস চাষের লক্ষ্য ২,৫৫০ হেক্টর। নানিয়ারচর উপজেলা তাই ‘আনারসের রাজধানী’ হিসেবে পরিচিত। সাধারণত এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত আনারসের মৌসুম হলেও আধুনিক প্রযুক্তি ও হরমোন ব্যবহারের ফলে এখন নভেম্বর-ডিসেম্বর থেকেই বাজারে আগাম আনারস আসে।

সরেজমিনে দেখা যায়, রাঙামাটি শহরের বনরূপা সমতাঘাট, পুরাতন বাসস্টেশন ঘাট ও নানিয়ারচর হাটে কৃষক ও ব্যবসায়ীরা নৌকায় আনারস নিয়ে হাটে ভিড় করছেন। আকারভেদে প্রতি আনারস ২০-৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পাইকারি ব্যবসায়ীরা সরাসরি বাগান থেকে আনারস সংগ্রহ করে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও নোয়াখালীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাঠাচ্ছেন।

নানিয়ারচর উপজেলা কৃষক পুতুল চাকমা বলেন, “ধান বা অন্যান্য ফসলের তুলনায় হানিকুইন আনারস চাষ বেশি লাভজনক। হেক্টরপ্রতি ১,০০০ু১,৫০০ আনারস উৎপাদিত হয়। খরচ বাদ দিয়ে এক একর জমি থেকে শীতকালেও প্রায় ১ লাখ টাকা আয় সম্ভব।”

তবে সংরক্ষণাগারের অভাবে কম দামে বিক্রি করতে হয়, যা কৃষকদের লোকসান দেয়। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. মনিরুজ্জামান বলেন, “পাহাড়ের পতিত জমিগুলো আনারস চাষের জন্য উপযোগী। কোল্ড স্টোরেজ ও প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প গড়ে উঠলে কৃষকরা আরও বেশি লাভবান হবেন।”

হানিকুইন আনারস আকারে বড়, স্বাদে মিষ্টি ও বাজারে চাহিদাসম্পন্ন। আধুনিক প্রযুক্তির কারণে আগাম উৎপাদন সম্ভাবনা কৃষকদের জন্য নতুন লাভের সুযোগ সৃষ্টি করছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *