মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৫৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বিলাইছড়িতে বিনামূল্যে ৮ হাজার ৪০০ চারা বিতরণ কাপ্তাইয়ে গ্রাম পুলিশের মাঝে বাইসাইকেল ও পোশাক সামগ্রী বিতরণ ঘর নেই, স্বজন নেই—জরাজীর্ণ যাত্রী ছাউনিতে ৭৫ বছরের অসুস্থ জহুরা পেরাছড়ায় কমিউনিটি এডুকেশন ওয়াচ গ্রুপের ত্রৈমাসিক সভা পর্যটন সম্ভাবনার নতুন দুয়ার খুলছে রাজস্থলীর ‘বড় ঝর্ণা’ খাগড়াছড়ির দুর্গম পাহাড়ে বেকারদের জন্য বিনামূল্যে কারিগরি প্রশিক্ষণ নতুন দায়িত্ব পেয়েই দীঘিনালায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ সদস্যবৃন্দরা ঈদগাঁওতে মাদকের সরঞ্জামসহ ১২ মাদকসেবী আটক ঈদগাঁওতে অবৈধ টমটম, অটোরিক্সা ও মোটর সাইকেলের বিরুদ্ধে একশন শুরু রাঙ্গুনিয়ায় পুলিশের উদ্যোগে মাদকবিরোধী র্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত বিলাইছড়ি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত বান্দরবান জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের দায়িত্ব গ্রহণ পানছড়িতে বিজিবির উদ্যোগে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সামগ্রী বিতরণ, অসহায়কে চিকিৎসা সহায়তা লামায় ৫০ শয্যার হাসপাতালে ভর্তি ৯২ রোগী, বন্ধ অ্যাম্বুলেন্স সেবা আকস্মিক বন্যায় দীঘিনালায় ২৫ ঘর বিধ্বস্ত, ঝুঁকিতে অর্ধশতাধিক। বিলাইছড়িতে লেপ্রসি মিশনের উদ্যোগে কুষ্ঠ রোগবিষয়ক কর্মশালা

বিলাইছড়িতে শিমুল গাছ বিলুপ্তির আশঙ্কা

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা, বিলাইছড়ি প্রতিনিধি।।

বিলাইছড়ি উপজেলা, গোডাউন, হাসপাতাল ও ক্লোনি এলাকায় এখনও কিছু বড় শিমুল গাছ চোখে পড়ে। এসব গাছ প্রায় ১২ু১৮ ফুট উঁচু এবং বসন্তের সময় ফুলে ভরে যায়। গাছে বসে থাকা শালিক, ফিঙে, ঘুঘু, কাক ও চড়ুইসহ বিভিন্ন প্রজাতির পাখির কিচির-মিচিরে পুরো এলাকা মুখরিত থাকে। স্থানীয়রা বলছেন, শিমুল ফুল বসন্তের আগমনের বার্তাবাহক হিসেবে পরিচিত।

তবে কয়েক দশক ধরে অসাধু ব্যবসায়ীদের কারণে গ্রামাঞ্চলের শিমুল গাছ ধ্বংস হয়েছে। স্থানীয় বয়স্করা জানাচ্ছেন, আগে গ্রাম ও সরকারি রাস্তায় প্রচুর শিমুল গাছ ছিল, যা বসন্তের রঙিন ছবি ফুটিয়ে তুলত। বর্তমানে উপজেলা ও বাজার এলাকায় ৫ু৭টি বড় শিমুল গাছ থাকলেও গ্রামে তা পাওয়া কম। কৃষি আধুনিকায়নের ছোঁয়ায় ফুলের সংখ্যা থাকলেও চোখ ধাঁধানো গাঢ় লাল রঙের শিমুল কমে গেছে।

শিমুল গাছ বসন্তের শুরুতে ফুল ফোটায় এবং চৈত্র মাসের শেষে ফল পুষ্ট হয়। বৈশাখ মাসে ফল পেকে বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে। শিমুল তুলা প্রাকৃতিকভাবে আহরণ করা হয় এবং এটি পাখি ও মানুষের খাদ্যসহ বিভিন্ন কাজে ব্যবহার হয়। স্থানীয়রা বলছেন, ছোটবেলায় বাড়ির লেপ, বালিশ ও তোশক তৈরিতে শিমুল তুলা ব্যবহার হতো।

গাছের উজাড়ের কারণে পাখিরা বাসা হারাচ্ছে এবং ধীরে ধীরে কিছু প্রজাতি কমে যাচ্ছে। স্থানীয় সচেতন মহল সরকার ও কৃষি বিভাগের উদাসীনতাকে বিলুপ্তির কারণ হিসেবে দেখছেন। তারা শিমুল চারা রোপণ, সরকারি খাস জমি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও রাস্তার ধারে শিমুল গাছ রোপণের উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এক বড় শিমুল গাছ থেকে তুলা বিক্রি করে স্থানীয়দের কয়েক হাজার টাকা আয় সম্ভব এবং ঔষধি গাছ হিসেবে এর গুরুত্ব রয়েছে। স্থানীয়দের মতে, সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগের মাধ্যমে শিমুল গাছ সংরক্ষণ ও সম্প্রসারণ নিশ্চিত করা গেলে পরিবেশ ও অর্থনৈতিক উভয়ভাবেই উপকার হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *