মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
গুইমারায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও তরুণদের পাশে সেনাবাহিনী, গৃহ নির্মাণে ঢেউটিন ও ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ গুইমারায় সেনাসম্প্রীতি: সিন্দুকছড়ি জোনের উদ্যোগে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ বিতরণ বাঘাইছড়িতে রিপোর্টার্স ইউনিটির নতুন কার্যালয় উদ্বোধন বিলাইছড়িতে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা লংগদুতে সংবাদ সম্মেলনে মিথ্যা তথ্য দেওয়ার অভিযোগ, শাহ আলমের প্রতিবাদ দুই দিন ধরে অচল সেতু, ঝুঁকি নিয়ে চলছে মোটরসাইকেল-মাহিন্দ্রা দীঘিনালায় ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ যুবক গ্রেপ্তার বান্দরবানের থানচি দুর্গম এলাকায় অসুস্থ পর্যটককে উদ্ধার করল বিজিবি যামিনী পাড়ায় দারুল হেদায়াহ মাদ্রাসার যাত্রা শুরু লংগদুতে সেনাবাহিনীর কারিগরি প্রশিক্ষণের দ্বিতীয় ধাপ শুরু বান্দরবানে জনস্বাস্থ্য প্রকল্পের কাজ পরিদর্শন, সন্তোষ প্রকাশ দুদকের রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের সঙ্গে বিলাইছড়ি জাসাস নেতাদের সাক্ষাৎ অনিয়মের অভিযোগে বান্দরবানে দুদকের অভিযান খাগড়াছড়িতে জিপিএ-৫ পাওয়া ১০৭ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা মাটিরাঙ্গায় তরুণদের মাসব্যাপী ফুটবল প্রশিক্ষণ সম্পন্ন বান্দরবানের রুমায় পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের গণসংবর্ধনা

আলীকদমে পুত্রবধূর হাতে শাশুড়ি হত্যার অভিযোগ, দুই স্ত্রীসহ চারজন আটক

মো: জয়নাল আবেদীন, আলীকদম প্রতিনিধি।।

বান্দরবানের আলীকদম উপজেলায় পুত্রবধূর হাতে শাশুড়ি হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার রাতে উপজেলার চৈক্ষ্যং ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের পুরাতন কানামাঝি ঘাট এলাকা থেকে ৭০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধার গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ পুলিশ।

নিহত রহিমা বেগম ওই এলাকার আবু তালেবের স্ত্রী ও আবদুর রহমানের মা। তিনি দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ও পক্ষাঘাতগ্রস্ত ছিলেন বলে পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

পুলিশ জানায়, শনিবার রাত আনুমানিক ১০টার দিকে জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। প্রাথমিক তদন্তে পারিবারিক বিরোধ ও দাম্পত্য দ্বন্দ্বকে হত্যার সম্ভাব্য কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অসুস্থ মায়ের দেখভাল নিয়ে আবদুর রহমানের পরিবারে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ অবস্থার মধ্যে আবদুর রহমান দ্বিতীয় বিয়ে করলে সংসারিক দ্বন্দ্ব আরও তীব্র হয়।

আলীকদম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন শাহ্ জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আবদুর রহমানের প্রথম স্ত্রী ইয়াসমিন আক্তার শাশুড়িকে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন বলে দাবি করেছে পুলিশ। তিনি বঁটি দা ব্যবহার করে হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করেন এবং পরে ঘটনার দায় অন্যের ওপর চাপানোর চেষ্টা করেন বলেও জানানো হয়। পুলিশের ধারণা, এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড হতে পারে।

তিনি আরও জানান, ঘটনার পর আবদুর রহমানের দুই স্ত্রীসহ মোট চারজনকে থানার হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ঘটনার সময় বাড়িতে কারা উপস্থিত ছিলেন, নিহতের মোবাইল ফোনে শেষ যোগাযোগসহ বিভিন্ন দিক তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিহতের ছেলে আবদুর রহমান এ ঘটনায় দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

এদিকে, নিহত রহিমা বেগম এলাকায় একজন সম্মানিত নারী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *