সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রাঙ্গুনিয়ায় এসএসসি ও সমমানের পাসের হার ৫৩.৫৫%, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮৯ জন সেনাবাহিনীর উদ্যোগে গুইমারায় ১০ দিনব্যাপী চিকিৎসা ও নার্সিং প্রশিক্ষণ শুরু মাটিরাঙ্গার পাহাড়ি জনপদে সেনাবাহিনীর সেতুবন্ধন, নির্মিত হলো ২ বাঁশের সাঁকো ভারত ও মায়ানমারের মাদকে ধ্বংস হচ্ছে দেশের যুবসমাজ- মাদক বিরোধী কর্মসূচিতে বক্তারা গুইমারায় এসএসসি ও সমমানে বিপর্যয়কর ফলাফল, ৫ প্রতিষ্ঠানে পাসের হার ৩৪.৬২ শতাংশ ঈদগাঁওতে জিপিএ- ৫ পেয়েছে ৪০ জন খাগড়াছড়িতে এসএসসির ফল বিপর্যয়, পাসের হার ৩৫.৫৬%, দাখিলে পাসের হার ৫২.৮ শতাংশ ৩৭ বিজিবি জোনের আয়োজনে লংগদুতে ‘জোন কমান্ডার্স কাপ ফুটবল’ টুর্নামেন্টের উদ্বোধন বান্দরবানের লালব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় বালিবাহী ডাম্পার ট্রাক উল্টে চালক নিহত রাজস্থলীতে এসএসসি ফলাফল বিপর্যয়; জিপিএ-৫ পায়নি একজনও বিলাইছড়িতে জিপিএ ৫ পেয়েছে তানজিলা আহাম্মদ বৃষ্টি; পাসের হার ৩২.৭৬ % ওয়াদুদ ভূঁইয়া এমপির উদ্যোগে মাটিরাঙ্গায় জরাজীর্ণ স্কুল ভবনের নতুন রূপ কাপ্তাইয়ের মিতিঙ্গাছড়িকে ‘এসডিজি ভিলেজ’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাঘাইছড়িতে ২১ লাখ টাকার অবৈধ কাঠ জব্দ বান্দরবান রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটে নতুন অ্যাডহক কমিটি গঠন খাগড়াছড়িতে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে ১০ দিনের চিকিৎসা ও নার্সিং প্রশিক্ষণ

আলীকদমে বন্যাদুর্গতদের ত্রাণ সহায়তা দিল খুইল্লা মিয়া চেয়ারম্যান ফাউন্ডেশন

Reporter Name

​মো. জয়নাল আবেদীন, আলীকদম প্রতিনিধি।।
টানা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যার পানি নেমে গেলেও বান্দরবানের আলীকদম উপজেলায় রয়ে গেছে ক্ষয়ক্ষতির চিহ্ন। ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট ও কৃষিজমির ব্যাপক ক্ষতিতে বিপাকে পড়েছেন অনেক পরিবার। এ পরিস্থিতিতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ও অসহায় মানুষের মাঝে ত্রাণ ও পুনর্বাসন সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করছে মরহুম আলহাজ্ব খুইল্লা মিয়া চেয়ারম্যান ফাউন্ডেশন।

ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও সমাজসেবক ইউনুছ মিয়ার উদ্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মধ্যে খাদ্যসামগ্রী, বিশুদ্ধ পানি, প্রয়োজনীয় ওষুধসহ বিভিন্ন সহায়তা বিতরণ করা হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পর খাদ্যসংকট, বিশুদ্ধ পানির অভাব এবং পানিবাহিত রোগের ঝুঁকির কারণে অনেক পরিবার দুর্ভোগে রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বিভিন্ন ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ত্রাণ সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।

এলাকাবাসী জানান, ইউনুছ মিয়ার উদ্যোগে এটি প্রথমবারের মতো ত্রাণ কার্যক্রম নয়। ২০২৩ সালের বন্যার সময়ও তিনি ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মধ্যে সহায়তা বিতরণ করেছিলেন। এছাড়া বিভিন্ন সময় অসচ্ছল মানুষের চিকিৎসাসহ সামাজিক ও মানবিক বিভিন্ন কার্যক্রমেও তিনি সহযোগিতা করে আসছেন বলে স্থানীয়রা জানান।

ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ইউনুছ মিয়া বলেন, “বন্যার পানি নেমে গেলেও মানুষের দুর্ভোগ শেষ হয়নি। এই সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানো প্রয়োজন। আমাদের ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে সাধ্যমতো সহায়তা অব্যাহত থাকবে।”

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, বন্যা-পরবর্তী সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসনে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি ব্যক্তি ও সামাজিক সংগঠনের এ ধরনের সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *