মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৩০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
লামায় ৫ ইটভাটা মালিককে আসামী করে থানায় মামলা সেনাবাহিনীর উদ্যোগে ছানি অপারেশনের জন্য চট্টগ্রামে গেলেন ৮৪ রোগী মাদকদ্রব্য সেবন ও এলাকার শৃঙ্খলা নষ্টের দায়ে নারীসহ দুজনকে জেল জরিমানা কাপ্তাই জাতীয় উদ্যানে অজগর অবমুক্ত বাঘাইছড়িতে জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান ও সদস্যকে বিএনপির বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা লামায় দোকানে গাঁজা বিক্রির দায়ে ৬ মাসের কারাদণ্ড মাটিরাঙ্গায় ক্ষতিকর পোকা শনাক্তে আলোক ফাঁদ স্থাপন পার্বত্য অঞ্চলের কৃষ্টি, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য বিকাশে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের পূর্ণাঙ্গ সহযোগিতা কামনা পার্বত্য মন্ত্রীর বাঘাইছড়িতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে কাচালং বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক বিভিন্ন কমিটি গঠন করায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে বাংলাদেশ মারমা ঐক্য পরিষদের সংবাদ সম্মেলন লক্ষীছড়িতে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে প্রসবকালীন মায়েদের প্রাথমিক চিকিৎসাসেবা প্রদানে প্রশিক্ষণ শুরু মহালছড়ি থানা পুলিশের অভিযানে গাঁজা সহ আটক ১ পাহাড়ি-বাঙ্গালি তরুণদের দক্ষতা উন্নয়নে নানিয়ারচর জোনের মোবাইল সার্ভিসিং প্রশিক্ষণ মহালছড়ি জোনের উদ্যোগে ১৫ দিনব্যাপী মোবাইল রিপেয়ারিং প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠিত শ্রেষ্ঠ সাজা ওয়ারেন্ট তামিলকারী অফিসার কাপ্তাই থানার এএসআই নাসিরউদ্দীন লক্ষ্মীছড়িতে গর্ভবতী মায়েদের স্বাস্থ্যবিধি ও নিরাপদ প্রসববিষয়ক প্রশিক্ষণ

দেড় লাখ ইয়াবা উদ্ধারের মামলায় রামুতে আসামি ফারুক গ্রেপ্তার

Reporter Name

রামু প্রতিনিধি।।
কক্সবাজারের রামুতে ১ লাখ ৫০ হাজার ইয়াবা উদ্ধারের মামলার আসামি মো. ফারুককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর গতকাল শনিবার (২৯ আগস্ট) তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে ফজলুল হক গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার ফারুক খুনিয়াপালং ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের দারিয়ারদিঘী (মন্ডলপাড়া) এলাকার হোসাইন আহমেদের ছেলে। চলতি বছরের ১৭ ফেব্রুয়ারি সকালে রামু-মরিচ্যা আরাকান সড়কে একটি নম্বরবিহীন ডাম্পার থেকে ইয়াবা পাচারের সময় তার ভাই মো. হারুনকে (২৯) আটক করে পুলিশ। এ সময় ইয়াবা পাচারের সঙ্গে জড়িত কয়েকজন পালিয়ে যায়।

পরে হারুনের কাছে থাকা একটি সাদা প্লাস্টিকের বস্তা তল্লাশি করে ১৫টি প্যাকেট পাওয়া যায়। পুলিশ বলছে, প্রতিটি প্যাকেটে ১০ হাজার করে মোট ১ লাখ ৫০ হাজার ইয়াবা ট্যাবলেট ছিল। এ ঘটনায় রামু থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়।

মামলার তদন্তে ফারুকের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়ার পর থেকে তিনি পলাতক ছিলেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। পরে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

স্থানীয় কয়েকজনের দাবি, ফারুক স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত এবং খুনিয়াপালং ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও ১ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি ছিলেন। তবে এসব রাজনৈতিক পদে তার বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট সংগঠনের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

স্থানীয়দের কেউ কেউ ফারুকের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগও করেছেন। কয়েক বছরে বিপুল সম্পদের মালিক হওয়া এবং দারিয়ারদিঘীসহ বিভিন্ন এলাকায় জমি কেনার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

দেড় লাখ ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনাটি রামুতে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। ওই মামলার আসামি ফারুক গ্রেপ্তার হওয়ায় ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় আবারও আলোচনা শুরু হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *