মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
গুইমারায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও তরুণদের পাশে সেনাবাহিনী, গৃহ নির্মাণে ঢেউটিন ও ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ গুইমারায় সেনাসম্প্রীতি: সিন্দুকছড়ি জোনের উদ্যোগে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ বিতরণ বাঘাইছড়িতে রিপোর্টার্স ইউনিটির নতুন কার্যালয় উদ্বোধন বিলাইছড়িতে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা লংগদুতে সংবাদ সম্মেলনে মিথ্যা তথ্য দেওয়ার অভিযোগ, শাহ আলমের প্রতিবাদ দুই দিন ধরে অচল সেতু, ঝুঁকি নিয়ে চলছে মোটরসাইকেল-মাহিন্দ্রা দীঘিনালায় ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ যুবক গ্রেপ্তার বান্দরবানের থানচি দুর্গম এলাকায় অসুস্থ পর্যটককে উদ্ধার করল বিজিবি যামিনী পাড়ায় দারুল হেদায়াহ মাদ্রাসার যাত্রা শুরু লংগদুতে সেনাবাহিনীর কারিগরি প্রশিক্ষণের দ্বিতীয় ধাপ শুরু বান্দরবানে জনস্বাস্থ্য প্রকল্পের কাজ পরিদর্শন, সন্তোষ প্রকাশ দুদকের রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের সঙ্গে বিলাইছড়ি জাসাস নেতাদের সাক্ষাৎ অনিয়মের অভিযোগে বান্দরবানে দুদকের অভিযান খাগড়াছড়িতে জিপিএ-৫ পাওয়া ১০৭ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা মাটিরাঙ্গায় তরুণদের মাসব্যাপী ফুটবল প্রশিক্ষণ সম্পন্ন বান্দরবানের রুমায় পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের গণসংবর্ধনা

দেড় লাখ ইয়াবা উদ্ধারের মামলায় রামুতে আসামি ফারুক গ্রেপ্তার

Reporter Name

রামু প্রতিনিধি।।
কক্সবাজারের রামুতে ১ লাখ ৫০ হাজার ইয়াবা উদ্ধারের মামলার আসামি মো. ফারুককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর গতকাল শনিবার (২৯ আগস্ট) তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে ফজলুল হক গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার ফারুক খুনিয়াপালং ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের দারিয়ারদিঘী (মন্ডলপাড়া) এলাকার হোসাইন আহমেদের ছেলে। চলতি বছরের ১৭ ফেব্রুয়ারি সকালে রামু-মরিচ্যা আরাকান সড়কে একটি নম্বরবিহীন ডাম্পার থেকে ইয়াবা পাচারের সময় তার ভাই মো. হারুনকে (২৯) আটক করে পুলিশ। এ সময় ইয়াবা পাচারের সঙ্গে জড়িত কয়েকজন পালিয়ে যায়।

পরে হারুনের কাছে থাকা একটি সাদা প্লাস্টিকের বস্তা তল্লাশি করে ১৫টি প্যাকেট পাওয়া যায়। পুলিশ বলছে, প্রতিটি প্যাকেটে ১০ হাজার করে মোট ১ লাখ ৫০ হাজার ইয়াবা ট্যাবলেট ছিল। এ ঘটনায় রামু থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়।

মামলার তদন্তে ফারুকের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়ার পর থেকে তিনি পলাতক ছিলেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। পরে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

স্থানীয় কয়েকজনের দাবি, ফারুক স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত এবং খুনিয়াপালং ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও ১ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি ছিলেন। তবে এসব রাজনৈতিক পদে তার বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট সংগঠনের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

স্থানীয়দের কেউ কেউ ফারুকের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগও করেছেন। কয়েক বছরে বিপুল সম্পদের মালিক হওয়া এবং দারিয়ারদিঘীসহ বিভিন্ন এলাকায় জমি কেনার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

দেড় লাখ ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনাটি রামুতে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। ওই মামলার আসামি ফারুক গ্রেপ্তার হওয়ায় ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় আবারও আলোচনা শুরু হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *