মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত আগ্রহী: প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল পাহাড়ে কৃষি বিপ্লব ঘটানোর তাগিদ- পার্বত্য মন্ত্রী সাচিং প্রু আশিকা ডেভেলপমেন্ট এ্যাসোসিয়েটস এর উদ্যোগে প্রকল্পের অভিজ্ঞতা বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত মহালছড়ি উপজেলায় জাবারং কল্যান সমিতির আয়োজনে প্রকল্প অবহিতকরণ ও মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত খাগড়াছড়িতে জেলা পুলিশের উদ্যোগে মাদকবিরোধী সুধী সমাবেশ ও র‌্যালী ১১টি মাদক মামলার এজাহারনামীয় আসামি নয়ন চৌধুরী ৩৪৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেপ্তার গুইমারায় সিন্দুকছড়ি জোনের মাসিক নিরাপত্তা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত মাতামুহুরীর অব্যাহত ভাঙ্গনে বিলীনের পথে শতবর্ষী মেরাখোলা কবরস্থান বিলাইছড়িতে বিনামূল্যে ৮ হাজার ৪০০ চারা বিতরণ কাপ্তাইয়ে গ্রাম পুলিশের মাঝে বাইসাইকেল ও পোশাক সামগ্রী বিতরণ ঘর নেই, স্বজন নেই—জরাজীর্ণ যাত্রী ছাউনিতে ৭৫ বছরের অসুস্থ জহুরা পেরাছড়ায় কমিউনিটি এডুকেশন ওয়াচ গ্রুপের ত্রৈমাসিক সভা পর্যটন সম্ভাবনার নতুন দুয়ার খুলছে রাজস্থলীর ‘বড় ঝর্ণা’ খাগড়াছড়ির দুর্গম পাহাড়ে বেকারদের জন্য বিনামূল্যে কারিগরি প্রশিক্ষণ নতুন দায়িত্ব পেয়েই দীঘিনালায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ সদস্যবৃন্দরা ঈদগাঁওতে মাদকের সরঞ্জামসহ ১২ মাদকসেবী আটক

পাহাড়ে সোনালি সম্ভাবনা: রাঙামাটির হানিকুইন আনারস

দেবদত্ত মুৎসুদ্দী, রাঙ্গামাটি ॥

রাঙামাটির সবুজ পাহাড়ে ঝলমল করছে রসালো ‘হানিকুইন’ আনারস। স্থানীয়রা এই সোনালি ফলকে ‘পাহাড়ের হলুদ সোনা’ নামে ডাকছেন। বাণিজ্যিকভাবে লাভজনক হওয়ায় এটি শুধু আয়ের উৎস নয়, পাহাড়ি কৃষকদের জীবনমান বদলাচ্ছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ২০২৬ সালে রাঙামাটিতে আনারস চাষের লক্ষ্য ২,৫৫০ হেক্টর। নানিয়ারচর উপজেলা তাই ‘আনারসের রাজধানী’ হিসেবে পরিচিত। সাধারণত এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত আনারসের মৌসুম হলেও আধুনিক প্রযুক্তি ও হরমোন ব্যবহারের ফলে এখন নভেম্বর-ডিসেম্বর থেকেই বাজারে আগাম আনারস আসে।

সরেজমিনে দেখা যায়, রাঙামাটি শহরের বনরূপা সমতাঘাট, পুরাতন বাসস্টেশন ঘাট ও নানিয়ারচর হাটে কৃষক ও ব্যবসায়ীরা নৌকায় আনারস নিয়ে হাটে ভিড় করছেন। আকারভেদে প্রতি আনারস ২০-৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পাইকারি ব্যবসায়ীরা সরাসরি বাগান থেকে আনারস সংগ্রহ করে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও নোয়াখালীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাঠাচ্ছেন।

নানিয়ারচর উপজেলা কৃষক পুতুল চাকমা বলেন, “ধান বা অন্যান্য ফসলের তুলনায় হানিকুইন আনারস চাষ বেশি লাভজনক। হেক্টরপ্রতি ১,০০০ু১,৫০০ আনারস উৎপাদিত হয়। খরচ বাদ দিয়ে এক একর জমি থেকে শীতকালেও প্রায় ১ লাখ টাকা আয় সম্ভব।”

তবে সংরক্ষণাগারের অভাবে কম দামে বিক্রি করতে হয়, যা কৃষকদের লোকসান দেয়। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. মনিরুজ্জামান বলেন, “পাহাড়ের পতিত জমিগুলো আনারস চাষের জন্য উপযোগী। কোল্ড স্টোরেজ ও প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প গড়ে উঠলে কৃষকরা আরও বেশি লাভবান হবেন।”

হানিকুইন আনারস আকারে বড়, স্বাদে মিষ্টি ও বাজারে চাহিদাসম্পন্ন। আধুনিক প্রযুক্তির কারণে আগাম উৎপাদন সম্ভাবনা কৃষকদের জন্য নতুন লাভের সুযোগ সৃষ্টি করছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *