March 10, 2026, 12:37 pm
শিরোনাম :
ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক মহালছড়ির কৃষকদের বীজ ও সার বিতরণ খাগড়াছড়িতে ভাতাভোগী আনসার ও ভিডিপি সদস্যদের ঈদ উপহার বিতরণ রাজস্থলীতে দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস উপলক্ষে র‍্যালী ও আলোচনা সভা লক্ষীছড়িতে পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে সেনাবাহিনীর ইফতার সামগ্রী বিতরণ লামায় জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস উপলক্ষে মহড়া ও আলোচনা সভা গণহত্যা দিবস ও স্বাধীনতা দিবস উদযাপন উপলক্ষে রাজস্থলীতে প্রস্তুতি সভা ফ্যামিলি কার্ডে পরিবারের জীবনমানের সার্বিক উন্নয়ন হবে: পার্বত্যমন্ত্রী দীপেন দেওয়ান কাপ্তাইয়ে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস পালিত মাটিরাঙ্গায় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাসে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস পালিত পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়নে ইউএনডিপি ও বাংলাদেশ সরকারের অংশীদারিত্ব আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যয় লামায় ১০৮ পিস ইয়াবাসহ এক ব্যক্তি আটক আলীকদমে পিআইওর বিরুদ্ধে কমিশন বাণিজ্যের অভিযোগ পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়নে সমন্বয় ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে: পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান রাজস্থলীতে যুবশক্তির ভূমিকা শীর্ষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত আলীকলম ব্যাটালিয়ন (৫৭ বিজিবি) এর মানবিক উদ্যোগ রাজস্থলীতে পিডিবিএফের নেতৃত্ব বিকাশ ও সামাজিক উন্নয়ন প্রশিক্ষণ শুরু
Notice :

বিলাইছড়িতে শিমুল গাছ বিলুপ্তির আশঙ্কা

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা, বিলাইছড়ি প্রতিনিধি।।

বিলাইছড়ি উপজেলা, গোডাউন, হাসপাতাল ও ক্লোনি এলাকায় এখনও কিছু বড় শিমুল গাছ চোখে পড়ে। এসব গাছ প্রায় ১২ু১৮ ফুট উঁচু এবং বসন্তের সময় ফুলে ভরে যায়। গাছে বসে থাকা শালিক, ফিঙে, ঘুঘু, কাক ও চড়ুইসহ বিভিন্ন প্রজাতির পাখির কিচির-মিচিরে পুরো এলাকা মুখরিত থাকে। স্থানীয়রা বলছেন, শিমুল ফুল বসন্তের আগমনের বার্তাবাহক হিসেবে পরিচিত।

তবে কয়েক দশক ধরে অসাধু ব্যবসায়ীদের কারণে গ্রামাঞ্চলের শিমুল গাছ ধ্বংস হয়েছে। স্থানীয় বয়স্করা জানাচ্ছেন, আগে গ্রাম ও সরকারি রাস্তায় প্রচুর শিমুল গাছ ছিল, যা বসন্তের রঙিন ছবি ফুটিয়ে তুলত। বর্তমানে উপজেলা ও বাজার এলাকায় ৫ু৭টি বড় শিমুল গাছ থাকলেও গ্রামে তা পাওয়া কম। কৃষি আধুনিকায়নের ছোঁয়ায় ফুলের সংখ্যা থাকলেও চোখ ধাঁধানো গাঢ় লাল রঙের শিমুল কমে গেছে।

শিমুল গাছ বসন্তের শুরুতে ফুল ফোটায় এবং চৈত্র মাসের শেষে ফল পুষ্ট হয়। বৈশাখ মাসে ফল পেকে বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে। শিমুল তুলা প্রাকৃতিকভাবে আহরণ করা হয় এবং এটি পাখি ও মানুষের খাদ্যসহ বিভিন্ন কাজে ব্যবহার হয়। স্থানীয়রা বলছেন, ছোটবেলায় বাড়ির লেপ, বালিশ ও তোশক তৈরিতে শিমুল তুলা ব্যবহার হতো।

গাছের উজাড়ের কারণে পাখিরা বাসা হারাচ্ছে এবং ধীরে ধীরে কিছু প্রজাতি কমে যাচ্ছে। স্থানীয় সচেতন মহল সরকার ও কৃষি বিভাগের উদাসীনতাকে বিলুপ্তির কারণ হিসেবে দেখছেন। তারা শিমুল চারা রোপণ, সরকারি খাস জমি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও রাস্তার ধারে শিমুল গাছ রোপণের উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এক বড় শিমুল গাছ থেকে তুলা বিক্রি করে স্থানীয়দের কয়েক হাজার টাকা আয় সম্ভব এবং ঔষধি গাছ হিসেবে এর গুরুত্ব রয়েছে। স্থানীয়দের মতে, সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগের মাধ্যমে শিমুল গাছ সংরক্ষণ ও সম্প্রসারণ নিশ্চিত করা গেলে পরিবেশ ও অর্থনৈতিক উভয়ভাবেই উপকার হবে।