রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ০৫:৩২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সেনাবাহিনীর উদ্যোগে দুর্গম এলাকায় বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা এবং ঔষধ বিতরণ বান্দরবান এলজিইডির বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন বাঘাইছড়িতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন লামায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন “সবুজে গড়বো আগামীর বাংলাদেশ” খাগড়াছড়িতে শুরু হলো বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি থানচিতে উদ্যোক্তা মেলা ও পিঠা উৎসব প্রধানমন্ত্রীর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি; পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন খাগড়াছড়ি সদর এলজিইডি’র আয়োজনে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি পালন সীমান্তে অপরাধ ও সন্ত্রাস দমনে পানছড়ি কেষ্টমনি পাড়ায় বিজিবি’র নতুন ক্যাম্প স্থাপন প্রধানমন্ত্রীকে দেখার জন্য ঈদগাঁওবাসী ছিলেন অধির অপেক্ষায় বান্দরবানের ক্রীড়াঙ্গনে নারী ক্রীড়াবিদদের মর্যাদা, নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিতকরণে এক কর্মশালা রাজস্থলীতে ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন নওমুসলিমদের নির্যাতনের অভিযোগে রাজস্থলীতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ পানছড়িতে ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির’ উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে বাঘাইছড়িতে ২৫ হাজার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন এডুকেশনাল এক্সিলেন্স সাপোর্ট স্কীম (EESS) এর আওতায় , সৌকেসিং প্রোগ্রাম

একমাত্র ঝুলন্ত সেতুর টেকসই সংস্কারের অভাবে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার

Reporter Name

হাবীবুল্লাহ মিসবাহ, রাজস্থলী

টেকসই সংস্কারের অভাবে চরম ঝুঁকিতে পড়েছে ‘সিম্বল অব রাজস্থলী’ খ্যাত রাঙামাটির রাজস্থলী উপজেলার একমাত্র ঝুলন্ত সেতুটি। সেতুটির পাটাতনের কাঠ ভেঙে যাওয়ায় প্রতিনিয়ত জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে কোমলমতি শিক্ষার্থীসহ শতশত স্থানীয় জনসাধারণ।

সেতুটি ১নং ঘিলাছড়ি ইউনিয়ন এবং উপজেলা সদরের ২নং গাইন্দ্যা ইউনিয়নের হাজার হাজার মানুষের সংযোগস্থল হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের কোমলমতি শতশত শিক্ষার্থীরা এটি ব্যবহার করে থাকে। এছাড়াও এলাকার বৃদ্ধ এবং অসুস্থ ব্যক্তিদের যাতায়াতের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যমও এটি।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,  দীর্ঘদিন টেকসই এবং বড় কোনো সংস্কার না হওয়ায় সেতুর মূল পাটাতন নড়বড়ে হয়ে গেছে। বিভিন্ন অংশের কাঠ ভেঙে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। ফলে যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

এই বিষয়ে রাজস্থলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিনা আক্তার জানান, শিক্ষার্থী ও পথচারীদের ঝুঁকি এড়াতে আমরা আপাতত সেতুটি স্বল্প পরিসরে সংস্কার করার উদ্যোগ নিয়েছি। তবে বড় কোনো বাজেট না আসা পর্যন্ত এই সেতুর স্থায়ী ও টেকসই সংস্কার সম্ভব হচ্ছে না।

স্থানীয়রা জানান, জোড়াতালির সংস্কার না করে দ্রুত বড় বাজেটের মাধ্যমে সেতুটি স্থায়ীভাবে পুনর্নির্মাণ করা জরুরি। এতে করে উপজেলার হাজারো মানুষের নিত্যদিনের ভোগান্তি ও জীবনঝুঁকি দূর হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *