
মো. আবুল হাসেম, প্রতিনিধি:
স্থানভিত্তিক ধানের জাত ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং বিদ্যমান গবেষণাগার উন্নয়ন (এলএসটিডি) প্রকল্পের আওতায় খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলায় আধুনিক ধান উৎপাদন কলাকৌশল বিষয়ক দিনব্যাপী কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) ব্রি আঞ্চলিক কার্যালয়, খাগড়াছড়ির তত্ত্বাবধানে আয়োজিত প্রশিক্ষণে দীঘিনালা উপজেলার বিভিন্ন ব্লকের ৪০ জন কৃষক-কৃষাণী অংশগ্রহণ করেন।
প্রশিক্ষণে কৃষকদের স্থানভিত্তিক উপযোগী বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) উদ্ভাবিত উচ্চফলনশীল ধানের জাত নির্বাচন, আধুনিক চাষাবাদ প্রযুক্তি, বীজতলা, সার ও আগাছা ব্যবস্থাপনা, রোগবালাই ও পোকামাকড় দমন ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে বাস্তবমুখী ও সময়োপযোগী প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে ধানের উৎপাদন বৃদ্ধি ও উৎপাদন ব্যয় কমাতে আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতির ব্যবহার সম্পর্কেও কৃষকদের ধারণা দেওয়া হয়।
প্রশিক্ষণে প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রি আঞ্চলিক কার্যালয়, খাগড়াছড়ির প্রধান ও মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. সিরাজুল ইসলাম, দীঘিনালা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. শাহাদাত হোসেন এবং ব্রি খাগড়াছড়ির বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মীর ওবায়দুর রহমান শাওন।
প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে কৃষক, গবেষক ও কৃষি কর্মকর্তাদের মধ্যে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি, স্থানভিত্তিক কৃষি সমস্যা, সম্ভাব্য সমাধান ও করণীয় বিষয়ে মতবিনিময় ও পরামর্শ প্রদান করা হয়।
আয়োজকরা জানান, আধুনিক ধান উৎপাদন কলাকৌশল ও নিত্যনতুন উদ্ভাবিত প্রযুক্তির সম্প্রসারণ এবং টেকসই ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ধানের উৎপাদন বৃদ্ধি, উৎপাদন ব্যয় কমানো ও কৃষকের আয় বাড়ানো সম্ভব। এ ধরনের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম কৃষির আধুনিকায়ন ও টেকসই উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।