মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:০১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পরিবেশবান্ধব পর্যটন গড়ার আহ্বান; পার্বত্য ও ভূমি প্রতিমন্ত্রীর গুইমারায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও তরুণদের পাশে সেনাবাহিনী, গৃহ নির্মাণে ঢেউটিন ও ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ গুইমারায় সেনাসম্প্রীতি: সিন্দুকছড়ি জোনের উদ্যোগে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ বিতরণ বাঘাইছড়িতে রিপোর্টার্স ইউনিটির নতুন কার্যালয় উদ্বোধন বিলাইছড়িতে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা লংগদুতে সংবাদ সম্মেলনে মিথ্যা তথ্য দেওয়ার অভিযোগ, শাহ আলমের প্রতিবাদ দুই দিন ধরে অচল সেতু, ঝুঁকি নিয়ে চলছে মোটরসাইকেল-মাহিন্দ্রা দীঘিনালায় ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ যুবক গ্রেপ্তার বান্দরবানের থানচি দুর্গম এলাকায় অসুস্থ পর্যটককে উদ্ধার করল বিজিবি যামিনী পাড়ায় দারুল হেদায়াহ মাদ্রাসার যাত্রা শুরু লংগদুতে সেনাবাহিনীর কারিগরি প্রশিক্ষণের দ্বিতীয় ধাপ শুরু বান্দরবানে জনস্বাস্থ্য প্রকল্পের কাজ পরিদর্শন, সন্তোষ প্রকাশ দুদকের রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের সঙ্গে বিলাইছড়ি জাসাস নেতাদের সাক্ষাৎ অনিয়মের অভিযোগে বান্দরবানে দুদকের অভিযান খাগড়াছড়িতে জিপিএ-৫ পাওয়া ১০৭ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা মাটিরাঙ্গায় তরুণদের মাসব্যাপী ফুটবল প্রশিক্ষণ সম্পন্ন

পরিবেশবান্ধব পর্যটন গড়ার আহ্বান; পার্বত্য ও ভূমি প্রতিমন্ত্রীর

Reporter Name

নিজস্ব প্রতিবেদক।।
দেশের জনগণের পাশাপাশি বাংলাদেশে আসা বিদেশি পর্যটকদের নির্বিঘ্ন চলাফেরা ও নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, এমপি। তিনি জানান, পর্যটন খাতের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে সরকার প্রয়োজনে আরও প্রশিক্ষিত ট্যুরিস্ট পুলিশ ও নৌ পুলিশ নিয়োগ দেবে।

গতকাল রাজধানীর আগারগাঁওস্থ পর্যটন ভবনের শৈলপ্রপাত মিলনায়তনে আয়োজিত “বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের সম্ভাবনা এবং এর বিকাশে করণীয়” শীর্ষক এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল এমপি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী দেশের ট্যুরিজম সেক্টরের বিপুল সম্ভাবনাকে পুরোপুরি কাজে লাগাতে সুপরিকল্পিত, দীর্ঘমেয়াদি, নিরাপদ ও পরিবেশবান্ধব পর্যটন অবকাঠামো গড়ে তোলার তাগিদ দেন।

বিশেষ করে পার্বত্য অঞ্চলের পর্যটন সম্ভাবনা প্রসঙ্গে ব্যারিস্টার মীর হেলাল বলেন, “পার্বত্য তিন জেলা—রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ির নৈসর্গিক পাহাড়, বন, হ্রদ ও ঝরনার পাশাপাশি সেখানে বসবাসরত বিভিন্ন ভাষাভাষী জাতিসত্তার বৈচিত্র্যময় ঐতিহ্যকে কেন্দ্র করে ইকো-ট্যুরিজম, সাংস্কৃতিক ও অ্যাডভেঞ্চার ট্যুরিজমের এক অপার সুযোগ রয়েছে।” এই সম্ভাবনার যথাযথ বাস্তবায়নে স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে সরাসরি পর্যটন প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ত করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, স্থানীয়রা এর সুফল পেলে অঞ্চলের সামগ্রিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে। এছাড়া প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষা ও পর্যটন সুবিধার আধুনিকায়নে সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয় ও সংস্থার মধ্যে শক্তিশালী সমন্বয় বজায় রাখার ওপর তিনি জোর দেন। তিনি বলেন, স্থানীয় মানুষজন তাদের নিজস্ব প্রকৃতি ও পরিবেশকে চিনে ও জানে। পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে তারা অভ্যস্ত। পার্বত্য অঞ্চলের স্থানীয় উদ্যোক্তাদের ট্যুরিজম সেক্টরে সম্পৃক্ত করলে পর্যটন শিল্পের সম্ভাবনাকে টিকিয়ে রাখা সম্ভব হবে বলে অভিমত ব্যক্ত করেন প্রতিমন্ত্রী।

সভায় আমন্ত্রিত অংশীজনরা বক্তব্য রাখতে গিয়ে পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে আন্তর্জাতিক মানের আধুনিক সুবিধা নিশ্চিতকরণ, মানসম্মত সেবা প্রদান এবং যাতায়াত ও যোগাযোগ ব্যবস্থার সামগ্রিক উন্নতির দাবি জানান।

বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো. সামীমুজ্জামান-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই আলোচনায় গেস্ট অব অনার হিসেবে বক্তব্য উপস্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আবদুস সাত্তার, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহিমদা আখতার, এনডিসি এবং পরিকল্পনা কমিশনের শিল্প ও শক্তি বিভাগের সদস্য (সচিব) ড. নূরুন্নাহার চৌধুরী।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *