বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত আগ্রহী: প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল পাহাড়ে কৃষি বিপ্লব ঘটানোর তাগিদ- পার্বত্য মন্ত্রী সাচিং প্রু আশিকা ডেভেলপমেন্ট এ্যাসোসিয়েটস এর উদ্যোগে প্রকল্পের অভিজ্ঞতা বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত মহালছড়ি উপজেলায় জাবারং কল্যান সমিতির আয়োজনে প্রকল্প অবহিতকরণ ও মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত খাগড়াছড়িতে জেলা পুলিশের উদ্যোগে মাদকবিরোধী সুধী সমাবেশ ও র‌্যালী ১১টি মাদক মামলার এজাহারনামীয় আসামি নয়ন চৌধুরী ৩৪৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেপ্তার গুইমারায় সিন্দুকছড়ি জোনের মাসিক নিরাপত্তা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত মাতামুহুরীর অব্যাহত ভাঙ্গনে বিলীনের পথে শতবর্ষী মেরাখোলা কবরস্থান বিলাইছড়িতে বিনামূল্যে ৮ হাজার ৪০০ চারা বিতরণ কাপ্তাইয়ে গ্রাম পুলিশের মাঝে বাইসাইকেল ও পোশাক সামগ্রী বিতরণ ঘর নেই, স্বজন নেই—জরাজীর্ণ যাত্রী ছাউনিতে ৭৫ বছরের অসুস্থ জহুরা পেরাছড়ায় কমিউনিটি এডুকেশন ওয়াচ গ্রুপের ত্রৈমাসিক সভা পর্যটন সম্ভাবনার নতুন দুয়ার খুলছে রাজস্থলীর ‘বড় ঝর্ণা’ খাগড়াছড়ির দুর্গম পাহাড়ে বেকারদের জন্য বিনামূল্যে কারিগরি প্রশিক্ষণ নতুন দায়িত্ব পেয়েই দীঘিনালায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ সদস্যবৃন্দরা ঈদগাঁওতে মাদকের সরঞ্জামসহ ১২ মাদকসেবী আটক

ফেনী নদী ও বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শনে রামগড় ইউএনও

Reporter Name

মোহাম্মদ শাহেদ হোসেন রানা, রামগড় প্রতিনিধি।।
খাগড়াছড়ির রামগড় উপজেলার সীমান্তবর্তী ফেনী নদীর পানি পরিস্থিতি এবং বন্যাকবলিত বিভিন্ন এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও পৌর প্রশাসক কাজী শামীম।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই ২০২৬) দুপুরে তিনি উপজেলার সোনাইপুল স্কেল মাঠের পশ্চিম পাশে সীমান্তবর্তী ফেনী নদীর বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় নদীর তীরবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক করে নদী থেকে কাঠ সংগ্রহ বা ধরার মতো ঝুঁকিপূর্ণ কাজ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান তিনি।

বন্যার ঝুঁকিতে থাকা বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে চলে যাওয়ার নির্দেশনা দেওয়ার পাশাপাশি পৌর এলাকার বিভিন্ন বন্যাকবলিত এলাকা ও নদীতীরবর্তী পরিস্থিতি পরিদর্শন করেন ইউএনও।

পরে ফেনীরকুল নিউ রামগড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে বন্যার পানিতে ক্ষতিগ্রস্ত চারটি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। এ সময় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়।

ইউএনও কাজী শামীম জানান, উপজেলার দুটি ইউনিয়নে বন্যার পানি বৃদ্ধি এবং পাহাড় ধসের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারী পরিবারগুলোকে নিরাপদ স্থানে সরে যেতে মাইকিং করা হচ্ছে। পাশাপাশি বন্যাকবলিত ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের জন্য শুকনো খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

পরিদর্শনকালে রামগড় পৌরসভার প্রকৌশলী অর্নব চাকমাসহ পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *