সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সেনাবাহিনীর উদ্যোগে লক্ষ্মীছড়িতে ১৫দিন ব্যাপী চিকিৎসা ও নার্সিং প্রশিক্ষণ শুরু রাজস্থলীতে একাধিক মামলার আসামি ও মাদক কারবারী যুবলীগ নেতা আটক বাঘাইছড়িতে মাদক বিরোধী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত পার্বত্য অঞ্চলের দুর্গম ও প্রত্যন্ত এলাকার গর্ভবতী নারী ও শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় খাগড়াছড়ি রিজিয়নের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ এমপি ওয়াদুদ ভূঁইয়ার উদ্যোগে খাগড়াছড়ি ও মহালছড়িতে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ খাগড়াছড়িতে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান দীঘিনালায় বন্যাদুর্গত ৩০০ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন এমপি আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া পানছড়িতে বন্যাদুর্গত ৯০ পরিবারের মাঝে জরুরি খাদ্য সহায়তা বিতরণ ঈদগাঁওয়ে বন্যাদুর্গত ২,৪২৬ সদস্যকে ২৪ লাখ টাকার আর্থিক সহায়তা পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল এর সহযোগিতায়; পাহাড়ি ঢলে ক্ষতিগ্রস্ত কলেজ ছাত্রীকে শিক্ষা সামগ্রী ও পোশাক উপহার বান্দরবানে গর্ভবতী নারী ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবায় সেনা রিজিয়নের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি বাঘাইছড়িতে বিজিবির বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, বিতরণ ২৮ হাজার ৯০০ চারা লামায় বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ শুরু খাগড়াছড়ি সেনা জোনের উদ্যোগে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের মাঝে ২ হাজার ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণ যৌতুক ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে পরিবার থেকেই পরিবর্তনের সূচনা করতে হবে; পার্বত্য চট্টগ্রাম ও ভূমি প্রতিমন্ত্রী বান্দরবানে হামে আক্রান্ত দুই শিশু জানে না, তাদের মা আর বেঁচে নেই

বাঘাইছড়িতে বোরো ধান কাটায় ব্যাস্ত সময় পাড় করছে কৃষক, ভালো ফলনের মাঝেও আবহাওয়ার শঙ্কা, খরচ ও বাজারমূল্যে দুশ্চিন্তায় কৃষক

Reporter Name

বাঘাইছড়ি  প্রতিনিধি:

পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িতে বোরো ধান কাটার ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। মাঠজুড়ে এখন সোনালি ধানের সমারোহ। ভালো ফলনের আশা থাকলেও আবহাওয়া, উৎপাদন খরচ ও বাজারমূল্য নিয়ে দুশ্চিন্তা কাটছে না তাদের।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ বছর বাঘাইছড়ি উপজেলায় প্রায় ৩ হাজার ৫২৫ হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষ হয়েছে এবং ফলনও সন্তোষজনক। তবে আবহাওয়া পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা পুরোপুরি অর্জন সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

উপজেলা কৃষি অফিসার নুর আলম বলেন, “এ বছর বোরো ধানের ফলন ভালো হয়েছে। তবে এই সময় ঝড় বা অতিবৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনায় কৃষকদের ৮০ ভাগ ধান পেকে গেলে দ্রুত ধান কেটে ঘরে তোলার জন্য পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।”

স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এ বছর অনুকূল আবহাওয়ার কারণে বোরো ধানের ফলন ভালো হয়েছে। তবে ধান ঘরে তোলার আগ মুহূর্তে হঠাৎ ঝড়-বৃষ্টি কিংবা শিলাবৃষ্টির আশঙ্কা নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। তাদের আশঙ্কা, এই সময়ে বৈরী আবহাওয়া দেখা দিলে মাঠের পাকা ধান ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়তে পারে।

কৃষকরা জানান, শুধু আবহাওয়াই নয়—উৎপাদন খরচও এ বছর উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। সেচ, সার, কীটনাশক ও শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধির কারণে প্রতি বিঘায় খরচ অনেক বেড়েছে। কিন্তু বাজারে ধানের দাম সেই তুলনায় না বাড়ায় লাভ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

কৃষকদের দাবি, উৎপাদন খরচের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ধানের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে হবে এবং সরকারি ধান ক্রয় কার্যক্রম জোরদার করতে হবে। তা না হলে ভবিষ্যতে চাষাবাদে আগ্রহ কমে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

মাঠে এখন সোনালি ফসলের হাসি থাকলেও, সেই হাসি ধরে রাখতে আবহাওয়া অনুকূলে থাকা এবং বাজারে ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *