রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ১০:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
প্রাইভেট পড়তে গিয়ে সাবেক ইউপি সদস্যের মেয়ে নিখোঁজ; থানায় জিডি রাজস্থলীতে পার্বত্য চট্টগ্রাম জলবায়ু ঘোষণা উপলক্ষে সেমিনার অনুষ্ঠিত পল্লী দারিদ্র বিমোচন ফাউন্ডেশনের দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ অপরাধ দমন, অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে ৩২ বিজিবি খাগড়াছড়ি ব্যাটালিয়নের সীমান্তে অপারেশনাল বেস স্থাপন নওমুসলিম ছেলে-মেয়েদের অপহরণ করে ঋষি আশ্রমে নির্যাতন করার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ নানা কর্মসূচীর মধ্যদিয়ে রাঙামাটিতে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির ২২ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উৎযাপন খাগড়াছড়িতে বিজ্ঞান ও উদ্ভাবনের মিলনমেলা, তরুণদের সৃজনশীল ভাবনায় ভবিষ্যতের স্বপ্ন গুম-অপহরণের ‘নাটক’ ও অপপ্রচারের অভিযোগে কাচালং সরকারি কলেজ ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল সেনাবাহিনীর উদ্যোগে দুর্গম এলাকায় বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা এবং ঔষধ বিতরণ বান্দরবান এলজিইডির বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন বাঘাইছড়িতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন লামায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন “সবুজে গড়বো আগামীর বাংলাদেশ” খাগড়াছড়িতে শুরু হলো বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি থানচিতে উদ্যোক্তা মেলা ও পিঠা উৎসব প্রধানমন্ত্রীর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি; পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন খাগড়াছড়ি সদর এলজিইডি’র আয়োজনে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি পালন

বাঘাইছড়িতে বোরো ধান কাটায় ব্যাস্ত সময় পাড় করছে কৃষক, ভালো ফলনের মাঝেও আবহাওয়ার শঙ্কা, খরচ ও বাজারমূল্যে দুশ্চিন্তায় কৃষক

Reporter Name

বাঘাইছড়ি  প্রতিনিধি:

পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িতে বোরো ধান কাটার ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। মাঠজুড়ে এখন সোনালি ধানের সমারোহ। ভালো ফলনের আশা থাকলেও আবহাওয়া, উৎপাদন খরচ ও বাজারমূল্য নিয়ে দুশ্চিন্তা কাটছে না তাদের।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ বছর বাঘাইছড়ি উপজেলায় প্রায় ৩ হাজার ৫২৫ হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষ হয়েছে এবং ফলনও সন্তোষজনক। তবে আবহাওয়া পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা পুরোপুরি অর্জন সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

উপজেলা কৃষি অফিসার নুর আলম বলেন, “এ বছর বোরো ধানের ফলন ভালো হয়েছে। তবে এই সময় ঝড় বা অতিবৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনায় কৃষকদের ৮০ ভাগ ধান পেকে গেলে দ্রুত ধান কেটে ঘরে তোলার জন্য পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।”

স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এ বছর অনুকূল আবহাওয়ার কারণে বোরো ধানের ফলন ভালো হয়েছে। তবে ধান ঘরে তোলার আগ মুহূর্তে হঠাৎ ঝড়-বৃষ্টি কিংবা শিলাবৃষ্টির আশঙ্কা নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। তাদের আশঙ্কা, এই সময়ে বৈরী আবহাওয়া দেখা দিলে মাঠের পাকা ধান ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়তে পারে।

কৃষকরা জানান, শুধু আবহাওয়াই নয়—উৎপাদন খরচও এ বছর উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। সেচ, সার, কীটনাশক ও শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধির কারণে প্রতি বিঘায় খরচ অনেক বেড়েছে। কিন্তু বাজারে ধানের দাম সেই তুলনায় না বাড়ায় লাভ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

কৃষকদের দাবি, উৎপাদন খরচের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ধানের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে হবে এবং সরকারি ধান ক্রয় কার্যক্রম জোরদার করতে হবে। তা না হলে ভবিষ্যতে চাষাবাদে আগ্রহ কমে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

মাঠে এখন সোনালি ফসলের হাসি থাকলেও, সেই হাসি ধরে রাখতে আবহাওয়া অনুকূলে থাকা এবং বাজারে ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *