বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সরকারি খরচে আইনগত সহায়তা প্রদানে বাঘাইছড়িতে সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত দীঘিনালায় বন্যাদুর্গত ২৫০ পরিবারকে রেড ক্রিসেন্টের খাদ্য সহায়তা বাঘাইছড়ি এ্যাডমিনিস্ট্রেশন স্কুলে বিজ্ঞান ল্যাব ও লাইব্রেরি উদ্বোধন অসহায় বৃদ্ধার পাশে রাঙামাটি জেলা ছাত্রদল নেতা বান্দরবানে এসএসসি উত্তীর্ণ ১৬৮ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা লক্ষ্মীছড়িতে লজ্জাবতী বানর উদ্ধার দুর্গম পাহাড়ের ৬১ ছানি রোগীর চোখে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে আলো হিমছড়িতে আড়াই লাখ টাকার সড়ক নির্মাণের তিন দিনেই ইট সরে যাওয়ার অভিযোগ কাপ্তাইয়ে দুর্নীতিবিরোধী বিতর্কে চ্যাম্পিয়ন চিৎমরম উচ্চ বিদ্যালয় দীঘিনালায় হোটেলে অভিযান, মাদক সেবনের সরঞ্জামসহ গ্রেপ্তার ৩ রাজস্থলীতে এমপির প্রতিনিধি মনোনীত হলেন চথোয়াইপ্রু এবং জিকু কুমার  লংগদুতে শাহ আলমের বিরুদ্ধে জমি দখল ও জালিয়াতির অভিযোগ মাটিরাঙ্গায় দুই ফার্মেসিকে ৭ হাজার টাকা জরিমানা থানচিতে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা দিল উপজেলা প্রশাসন পাহাড়ি ঢলে ক্ষতিগ্রস্তদের খাবার দিল খাগড়াছড়ি সদর জোন বলীপাড়ায় আগুন নিয়ন্ত্রণে ৩৮ বিজিবির সদস্যরা

দুর্গম পাহাড়ের ৬১ ছানি রোগীর চোখে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে আলো

Reporter Name

খোকন বিকাশ ত্রিপুরা জ্যাক, খাগড়াছড়ি।।
খাগড়াছড়ির দুর্গম ও প্রত্যন্ত এলাকার ৬১ জন ছানি রোগীর বিনামূল্যে চোখের অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর খাগড়াছড়ি জোনের ব্যবস্থাপনায় এবং চট্টগ্রাম লায়ন্স হাসপাতালের সহযোগিতায় এ চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়।

খাগড়াছড়ি সদর সেনাজোনের মেডিকেল অফিসার ক্যাপ্টেন তানজিম ইসলাম অর্ণব জানান, গত ১৪ সেপ্টেম্বর খাগড়াছড়ি থেকে ৮৪ জন ছানি রোগীকে অস্ত্রোপচারের জন্য চট্টগ্রাম লায়ন্স হাসপাতালে নেওয়া হয়। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাদের মধ্যে ৬১ জনের অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়।

তিনি জানান, বাকি ২৩ জনের ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদ্‌রোগসহ বিভিন্ন শারীরিক জটিলতা থাকায় তাদের ওই সময়ে অস্ত্রোপচার করা সম্ভব হয়নি। তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। শারীরিকভাবে উপযুক্ত হলে পরবর্তী সময়ে তাদেরও বিনামূল্যে অস্ত্রোপচারের আওতায় আনা হবে। পর্যায়ক্রমে মোট ১৫০ জন রোগীকে এ চিকিৎসাসেবার আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।

অস্ত্রোপচারের পর বুধবার রোগীদের পুনরায় চক্ষু পরীক্ষা করা হয়। এ সময় প্রয়োজনীয় ওষুধ ও চিকিৎসাসংক্রান্ত পরামর্শ দেওয়া হয়। পরে সেনাবাহিনীর ব্যবস্থাপনায় চিকিৎসাসেবা নেওয়া ৮৪ জন রোগীকে খাগড়াছড়িতে ফিরিয়ে আনা হয়।

চিকিৎসাসেবা পাওয়া কয়েকজন রোগী ও তাদের স্বজনেরা জানান, দুর্গম এলাকায় বসবাসের কারণে চট্টগ্রামে গিয়ে চোখের চিকিৎসা নেওয়া তাদের জন্য কঠিন ছিল। বিনামূল্যে চিকিৎসা, যাতায়াত ও অন্যান্য সহযোগিতা পাওয়ায় তারা চিকিৎসাসেবা নিতে পেরেছেন।

সংশ্লিষ্টরা জানান, দুর্গম পার্বত্য এলাকার মানুষের জন্য এ ধরনের স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে অব্যাহত রাখার উদ্যোগ রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *