শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মহালছড়ির দুর্গম পাহাড়ে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু ৮ বছরেও মেলেনি বিচার: অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত কোহিনুর বেগমের মানবেতর জীবন বাঘাইছড়িতে বিপদসীমার ওপরে কাচালং নদীর পানি, প্লাবিত নিচু এলাকা বাঘাইছড়িতে শিক্ষা ও মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার ডাক: বৃহত্তর মুসলিম ব্লকে জিরো টলারেন্স ঘোষণা দুর্গম পাহাড়ে বিদ্যুৎ-ইন্টারনেট ছাড়াই ৬০০ কৃষকের তথ্য হালনাগাদ মেধার স্বীকৃতিতে খাগড়াছড়ি ক্যান্টনমেন্টে ১১৭ কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধিত আলীকদমে স্কুলছাত্রী ধর্ষণ মামলার পলাতক আসামি গ্রেপ্তার রাঙ্গুনিয়ায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: ১০ দোকান ভস্মীভূত, লাখ টাকার ক্ষতি সাত বছর ধরে শূন্য মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার পদ, ব্যাহত রাজস্থলীর শিক্ষা কার্যক্রম লামাকে জেলা করার দাবিতে গোলটেবিল বৈঠক কাপ্তাইয়ের বিএফডিসি উপকেন্দ্র পরিদর্শনে বিএফডিসি চেয়ারম্যান -মীর হোসেন রাজস্থলীতে উপজেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত দীঘিনালায় বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শনে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মহালছড়ি সেনা জোন’র উদ্যোগে সচেতনতামূলক মহড়া ও অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থার উদ্বোধন রাজস্থলীতে ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা মাটিরাঙ্গায় বিএনপির ওয়ার্ড কমিটি নিয়ে প্রতিবাদ, পুনর্গঠনের দাবি

আলীকদমে পুত্রবধূর হাতে শাশুড়ি হত্যার অভিযোগ, দুই স্ত্রীসহ চারজন আটক

মো: জয়নাল আবেদীন, আলীকদম প্রতিনিধি।।

বান্দরবানের আলীকদম উপজেলায় পুত্রবধূর হাতে শাশুড়ি হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার রাতে উপজেলার চৈক্ষ্যং ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের পুরাতন কানামাঝি ঘাট এলাকা থেকে ৭০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধার গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ পুলিশ।

নিহত রহিমা বেগম ওই এলাকার আবু তালেবের স্ত্রী ও আবদুর রহমানের মা। তিনি দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ও পক্ষাঘাতগ্রস্ত ছিলেন বলে পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

পুলিশ জানায়, শনিবার রাত আনুমানিক ১০টার দিকে জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। প্রাথমিক তদন্তে পারিবারিক বিরোধ ও দাম্পত্য দ্বন্দ্বকে হত্যার সম্ভাব্য কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অসুস্থ মায়ের দেখভাল নিয়ে আবদুর রহমানের পরিবারে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ অবস্থার মধ্যে আবদুর রহমান দ্বিতীয় বিয়ে করলে সংসারিক দ্বন্দ্ব আরও তীব্র হয়।

আলীকদম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন শাহ্ জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আবদুর রহমানের প্রথম স্ত্রী ইয়াসমিন আক্তার শাশুড়িকে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন বলে দাবি করেছে পুলিশ। তিনি বঁটি দা ব্যবহার করে হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করেন এবং পরে ঘটনার দায় অন্যের ওপর চাপানোর চেষ্টা করেন বলেও জানানো হয়। পুলিশের ধারণা, এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড হতে পারে।

তিনি আরও জানান, ঘটনার পর আবদুর রহমানের দুই স্ত্রীসহ মোট চারজনকে থানার হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ঘটনার সময় বাড়িতে কারা উপস্থিত ছিলেন, নিহতের মোবাইল ফোনে শেষ যোগাযোগসহ বিভিন্ন দিক তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিহতের ছেলে আবদুর রহমান এ ঘটনায় দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

এদিকে, নিহত রহিমা বেগম এলাকায় একজন সম্মানিত নারী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *