বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ ও সতর্কতা বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ নজরুল বর্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ মহালছড়ি সেনাবাহিনী জোনের উদ্যোগে নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা বিষয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত প্রবারণা পূর্ণিমায় ফানুসবাতিতে আলোকিত রাতের আকাশ; পাহাড়ে বইছে উৎসবের আমেজ শান্তিনগর একতা ক্লাবের উদ্যোগে নাইট মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন নানিয়ারচরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও আইনশৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত প্রয়াণের ১৮ বছরেও জন্মস্থানে নির্মিত হয়নি রাজগুরু অগ্রবংশ মহাথেরোর ভাস্কর্য, বৌদ্ধ সমাজে ক্ষোভ লামায় হঠাৎ বজ্রপাতে শিশুসহ নিহত ২, আহত ২ নানিয়ারচরে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে ১৬ নারীকে সেলাই প্রশিক্ষণ দীঘিনালায় কঠিন চীবর দানোৎসব ঘিরে বিজিবির নিরাপত্তা সভা, বিহারগুলোতে অনুদান রাঙামাটির বুদ্ধাংকুর বৌদ্ধ বিহারে ২৬তম শুভ দানোত্তম কঠিন চীবর দানোৎসব সম্পন্ন যুবসমাজকে মাদকের ছোবল থেকে বাঁচাতে প্রশাসন ও ক্রীড়া সংস্থার ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ রাজস্থলীতে বন্য শুকরের আক্রমণে জুমচাষি নিহত খাগড়াছড়িতে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের প্রবারণা পূর্ণিমা উদযাপন সাজেকের পরিস্থিতি নিয়ে হেডম্যান-কারবারীদের সঙ্গে প্রশাসনের মতবিনিময় আলীকদমে ছুটির মধ্যেও শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা চালু রেখেছেন শিক্ষকরা

পাহাড়ি নারীরা এখনও ব্যবহার করছেন প্রথাগত বুনন ও পোশাক তৈরির প্রযুক্তি

দেবদত্ত মুৎসুদ্দী, রাঙ্গামাটি ॥

পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন সম্প্রদায়ের নারী এখনও পাহাড়ি প্রথাগত প্রযুক্তি ব্যবহার করে পোশাক তৈরি করছেন। একসময় শিমুল গাছের তুলা থেকে চরকার মাধ্যমে সুতা তৈরি করা হতো, যা পরে রিনাই-রিনা, পিনন, খাদি ও থামি বুননের কাজে ব্যবহার হতো।

বর্তমানে শিমুল তুলার উৎপাদন কমে যাওয়ায় এবং সুতা তৈরির প্রথাগত পদ্ধতি সময়সাপেক্ষ হওয়ায়, পাহাড়ি নারীরা বাজার থেকে প্রস্তুত সুতা কিনে কাপড় বুনছেন।

বনরুপা বাজারে আসা পরানি মা জানান, “ঘরসংসার, সবজি চাষের ফাঁকে কোমর তাঁতে পিনন, খাদি, শীতের মাবলার ও চাদর তৈরি করে স্থানীয় বাজারের দোকানগুলোতে সরবরাহ করি। এতে সংসারের চাহিদা মেটানো সহজ হয়।”

আরেক বিক্রেতা চিচিকো মা বলেন, “পিনন, খাদি ও থামির চাহিদা পুরো বছর থাকে। তবে পহেলা বৈশাখ, সাংগ্রাই, বিসু ও বিহু উৎসবে চাহিদা কয়েকগুণ বেড়ে যায়। তখন আমাদের লাভও বেশি হয়।”

ঢাকা থেকে আসা ক্রেতা সুমনো ত্রিপুরা জানান, “মিরপুরের দোকানের জন্য পাহাড়ি পোশাক কিনতে এসেছি। বনরুপা বাজারে সপ্তাহে বুধবার ও শনিবার বিভিন্ন এলাকা থেকে পাইকার ও খুচরা ক্রেতারা আসেন। পোশাকের দাম ৩ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকার বেশি পর্যন্ত হয়ে থাকে। চাহিদা সবসময়ই থাকে।”

স্থানীয়দের মতে, এই পোশাক সাধারণত ধর্মীয়, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বেশি পড়া হয়। পাহাড়ি ঐতিহ্য ও নকশা দেশুবিদেশে কদর পায়। পাশের দেশ ভারতের বিভিন্ন প্রদেশের পাহাড়ি অঞ্চলেও এই পোশাক পৌঁছায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *