সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সীমান্ত সড়কে দুর্ঘটনায় নিহত ১ আহত তিন শিক্ষার পাশাপাশি ক্রীড়া, সাংস্কৃতি প্রতিভা অন্বেষণ, বিকাশ ও মানোন্নয়নে খাগড়াছড়ি জেলা ছাত্রদলের উদ্যোগে কমিটি গঠন অপুষ্টি প্রতিরোধ ও ঝুঁকিপূর্ণ শিশুদের পুষ্টি উন্নয়নে গুরুত্বারোপ; আশিকার অবহিতকরণ সভা দুর্গম পাহাড়ে বিদ্যুতের আলো ছড়াচ্ছে সোলার, বাড়ছে চাহিদা মহালছড়িতে কর্মক্ষমতা ও জীবিকার সুযোগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে রিডিং গ্লাস প্রকল্পের উদ্বোধনী সভা বাইশারী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে ৪২ কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও ক্রেস্ট প্রদান পাহাড়ে শান্তি-সম্প্রীতি বজায় রাখতে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের প্রতি খাগড়াছড়ি রিজিয়ন কমান্ডারের আহ্বান নানিয়ারচরে ৩০ শিক্ষানবিশকে নিয়ে প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন বাঙ্গালহালিয়ায় ৭ লিটার চোলাইমদসহ তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তি আটক রামুতে এসএসসিতে জিপিএ-৫ ও প্রাথমিক বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেড় লাখ ইয়াবা উদ্ধারের মামলায় রামুতে আসামি ফারুক গ্রেপ্তার বান্দরবান পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ধর্মীয় শিক্ষক সংকট বিলুপ্তপ্রায় ভাষা সংরক্ষণে ‘ভাষা ও সংস্কৃতি চর্চা উদ্বোধন নানিয়ারচরে জামায়াতে ইসলামীর সীরাত মাহফিল পানছড়িতে ন্যাশনাল লাইফ ইনসুরেন্সের উন্নয়ন সভা, গ্রাহকদের মাঝে চেক বিতরণ আলীকদমে পুলিশের অভিযানে চোলাই মদসহ আটক ৪

পাহাড়ি নারীরা এখনও ব্যবহার করছেন প্রথাগত বুনন ও পোশাক তৈরির প্রযুক্তি

দেবদত্ত মুৎসুদ্দী, রাঙ্গামাটি ॥

পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন সম্প্রদায়ের নারী এখনও পাহাড়ি প্রথাগত প্রযুক্তি ব্যবহার করে পোশাক তৈরি করছেন। একসময় শিমুল গাছের তুলা থেকে চরকার মাধ্যমে সুতা তৈরি করা হতো, যা পরে রিনাই-রিনা, পিনন, খাদি ও থামি বুননের কাজে ব্যবহার হতো।

বর্তমানে শিমুল তুলার উৎপাদন কমে যাওয়ায় এবং সুতা তৈরির প্রথাগত পদ্ধতি সময়সাপেক্ষ হওয়ায়, পাহাড়ি নারীরা বাজার থেকে প্রস্তুত সুতা কিনে কাপড় বুনছেন।

বনরুপা বাজারে আসা পরানি মা জানান, “ঘরসংসার, সবজি চাষের ফাঁকে কোমর তাঁতে পিনন, খাদি, শীতের মাবলার ও চাদর তৈরি করে স্থানীয় বাজারের দোকানগুলোতে সরবরাহ করি। এতে সংসারের চাহিদা মেটানো সহজ হয়।”

আরেক বিক্রেতা চিচিকো মা বলেন, “পিনন, খাদি ও থামির চাহিদা পুরো বছর থাকে। তবে পহেলা বৈশাখ, সাংগ্রাই, বিসু ও বিহু উৎসবে চাহিদা কয়েকগুণ বেড়ে যায়। তখন আমাদের লাভও বেশি হয়।”

ঢাকা থেকে আসা ক্রেতা সুমনো ত্রিপুরা জানান, “মিরপুরের দোকানের জন্য পাহাড়ি পোশাক কিনতে এসেছি। বনরুপা বাজারে সপ্তাহে বুধবার ও শনিবার বিভিন্ন এলাকা থেকে পাইকার ও খুচরা ক্রেতারা আসেন। পোশাকের দাম ৩ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকার বেশি পর্যন্ত হয়ে থাকে। চাহিদা সবসময়ই থাকে।”

স্থানীয়দের মতে, এই পোশাক সাধারণত ধর্মীয়, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বেশি পড়া হয়। পাহাড়ি ঐতিহ্য ও নকশা দেশুবিদেশে কদর পায়। পাশের দেশ ভারতের বিভিন্ন প্রদেশের পাহাড়ি অঞ্চলেও এই পোশাক পৌঁছায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *