বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পার্বত্যাঞ্চলে অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার বন্ধ এবং শান্তি ফিরিয়ে আনতে সরকারের সমন্বিত পরিকল্পনা রয়েছে- ব্যারিস্টার মীর হেলাল এমপি লংগদুতে যৌথ অভিযানে ৯ জন আটক, পাঁচজনের রোহিঙ্গা পরিচয় স্বীকার বান্দরবানে পার্বত্য মন্ত্রীর সঙ্গে মতবিনিময় সভা: শান্তি-সম্প্রীতি, নিরাপত্তা ও উন্নয়নে সমন্বয়ের তাগিদ মাটিরাঙ্গায় বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচিতে কয়েক হাজার নেতাকর্মী রাঙ্গুনিয়ায় শাশুড়বাড়িতে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু: হত্যার অভিযোগ স্বজনদের গুণগত শিক্ষা নিশ্চিতকরণ ও সমৃদ্ধ পার্বত্য অঞ্চল গঠনে বর্তমান সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ. . .বান্দরবানে পার্বত্য মন্ত্রী সাচিং প্রু গুইমারা আবাসিক ছাত্রাবাস ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ম্রাসা থোয়াই মারমা সড়ক নির্মাণসহ জেলার বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে পার্বত্য মন্ত্রণালয় কাজ করে যাবে… পার্বত্য মন্ত্রী রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরী কাপ্তাই পাল্পউড বাগান বিভাগ কর্তৃক বিনামূল্যে ১৮ হাজার ৬০০ চারা বিতরণ রাজস্থলীতে আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন মাটিরাঙ্গায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচিতে কয়েক হাজার নেতাকর্মীর অংশগ্রহণ ৫৩তম গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত কোতয়ালী থানার বিশেষ অভিযানে মোট ৬ জন আসামী গ্রেফতার দীঘিনালায় মাদ্রাসায় কোরআনের সবক প্রদান ও দোয়া মাহফিল বাঘাইছড়িতে ৭২.৫৬ ঘনফুট অবৈধ সেগুন-গামারী কাঠ জব্দ গুইমারায় খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের সংবর্ধনা

নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম সীমান্তে ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণে তিন বাংলাদেশি নিহত

Reporter Name

আবদুর রশিদ, নাইক্ষ্যংছড়ি সংবাদদাতা।।
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম সীমান্ত এলাকায় ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণে তিন বাংলাদেশি নাগরিক নিহত হয়েছেন। রোববার (২৪ মে) সকালে সীমান্তের শূন্য লাইনের কাছাকাছি মিয়ানমারের অভ্যন্তরে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিজিবি)।

নিহতরা হলেন লেয়ারা (৪১), অংকেমং (৫০) ও চিংকা অং (৪০)। তারা সবাই নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ভালুকিয়াপাড়া এলাকার বাসিন্দা। নিহতদের পিতার নাম যথাক্রমে সুনইয়ং চাকমা, মৃত নিওমং চাকমা এবং অইমং চাকমা।

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন (৩৪ বিজিবি) এর রেজু পাড়া বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার সীমান্ত পিলার ৪১ ও ৪২-এর মধ্যবর্তী শূন্য রেখা অতিক্রম করে মিয়ানমারের ভেতরে প্রবেশের পর ওই তিনজন ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণে ঘটনাস্থলেই নিহত হন।

বিস্ফোরণের শব্দে সীমান্তবর্তী এলাকায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম খায়রুল আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, সীমান্তবর্তী এলাকা এখনো ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণের ঝুঁকিতে রয়েছে। অসাবধানতাবশত শূন্য রেখা অতিক্রম করলে প্রাণঘাতী দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে।

তিনি আরও জানান, সীমান্ত এলাকার জনগণকে সচেতন করতে বিজিবি নিয়মিতভাবে জনসচেতনতামূলক সভা ও প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে। দুর্গম ও বনাঞ্চল এলাকায় অপ্রয়োজনে না যাওয়ার জন্য স্থানীয়দের বারবার অনুরোধ করা হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জীবিকার তাগিদে অনেক পাহাড়ি পরিবার দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তবর্তী বনাঞ্চলে জ্বালানি কাঠ সংগ্রহের কাজে যাতায়াত করে আসছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা ঝুঁকি ও মাইন আতঙ্ক বৃদ্ধি পাওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

এ ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহতদের পরিবার ও স্বজনদের আহাজারিতে পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার এবং ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলো চিহ্নিত করে সাধারণ মানুষকে আরও কার্যকরভাবে সতর্ক করার দাবি জানিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *