
উপজেলা ভূমি অফিস সূত্রে জানা গেছে, সেবার মানোন্নয়ন, প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ, ডিজিটাল ভূমিসেবার সম্প্রসারণ এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে এ রাজস্ব সরকারি কোষাগারে জমা হয়েছে। দ্রুত ই-নামজারি নিষ্পত্তি, নিয়মিত মাঠপর্যায়ের তদারকি এবং জনবান্ধব সেবা নিশ্চিত করাও এ সাফল্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
এ সাফল্যের ধারাবাহিকতায় চলতি বছরের মে মাসে ভূমি সেবায় দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জনবান্ধব কার্যক্রমের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি জেলা পর্যায়ে ‘শ্রেষ্ঠ এসিল্যান্ড’ নির্বাচিত হন। ভূমি সেবা সপ্তাহের সমাপনী অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে তাঁর হাতে সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ময়মনসিংহ সদর উপজেলার পৌরসভাসহ ১৩টি ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কার্যক্রমে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি, ই-নামজারি ও ই-মিউটেশন কার্যক্রমে উচ্চ নিষ্পত্তির হার, সরকারি ভূমি উদ্ধার এবং হয়রানিমুক্ত ভূমিসেবা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে অবদানের জন্য তাঁকে এ স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
সৈয়দা তামান্না হোরায়রা বলেন, “সরকারি রাজস্ব আদায়ে জনগণের সহযোগিতা, সচেতনতা এবং উপজেলা ভূমি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফলেই এ অর্জন সম্ভব হয়েছে। ভবিষ্যতেও স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও জনবান্ধব ভূমিসেবা নিশ্চিত করে সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধি এবং উন্নত ভূমি ব্যবস্থাপনায় নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে যাব।”
সৈয়দা তামান্না হোরায়রা বান্দরবান জেলার লামা পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তিনি সাংবাদিক আবু হোরায়রা ও সাবেক উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা জুবাইরা বেগমের কন্যা। দুর্গম পার্বত্য অঞ্চল থেকে উঠে এসে প্রশাসনে এমন সাফল্য অর্জন করায় তাঁর এ কৃতিত্বে লামাসহ বান্দরবান জেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে আনন্দ ও গর্বের অনুভূতি সৃষ্টি হয়েছে।