বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ০১:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় করলিয়া প্রকল্পের উদ্যোগে বিভিন্ন প্রজাতির চারা বিতরণ ভারী বর্ষণে বান্দরবানের সব পর্যটনকেন্দ্র ১০ জুলাই পর্যন্ত বন্ধ বিলাইছড়িতে পাহাড় ধসের শঙ্কায় প্রশাসনের সতর্কতামূলক মাইকিং জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবসে খাগড়াছড়ির শ্রেষ্ঠ মাঠ সহকারী পানছড়ির জান্নাতুন নাহার টানা বৃষ্টিতে বিদ্যুৎ সঞ্চালন খুঁটি হেলে পড়ায় বান্দরবানের চার উপজেলায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন পানছড়িতে কৃষি প্রণোদনার বীজ, সার ও চারা বিতরণ ড্রামে লুকানো ১ লাখ ১০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, নারী গ্রেপ্তার লংগদুতে ঘরের বিদ্যুতের লাইনে কাজ করতে গিয়ে দিনমজুরের মৃত্যু টানা বৃষ্টিতে বান্দরবানে পাহাড় ধসের শঙ্কা, ঝুঁকিপূর্ণ বাসিন্দাদের নিরাপদে সরে যাওয়ার আহ্বান বিলাইছড়িতে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে যুবকদের মাঝে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ বাঘাইছড়িতে পাহাড়ধসে বৃদ্ধের মৃত্যু বান্দরবানে টানা বৃষ্টিতে সাঙ্গু নদীর পানি বৃদ্ধি, নিম্নাঞ্চলে জলাবদ্ধতা নানিয়ারচরে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ বিতরণ থানচিতে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালন পানছড়িতে ‘জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬’ পালিত, র‌্যালি, আলোচনা সভা ও ঋণ-চারা বিতরণ হারিয়ে যাওয়া ৩১ টি মোবাইল ও টাকা ফিরিয়ে মুখে হাসি ফোটালো ১৮ এপিবিএন, রাঙ্গামাটি

টানা বৃষ্টিতে বান্দরবানে পাহাড় ধসের শঙ্কা, ঝুঁকিপূর্ণ বাসিন্দাদের নিরাপদে সরে যাওয়ার আহ্বান

Reporter Name

বশির আহমেদ, বান্দরবান প্রতিনিধি।।
টানা দুই দিনের ভারী বর্ষণে বান্দরবানে পাহাড় ধসের আশঙ্কা বেড়েছে। জেলার সাত উপজেলায় পাহাড়ের পাদদেশ ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারী আনুমানিক ২০ থেকে ৩০ হাজার পরিবারকে নিরাপদ স্থানে সরে যেতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিং করে সতর্ক করা হচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, সদর উপজেলার কালাঘাটা, কাসেমপাড়া, ইসলামপুর, বনরূপাপাড়া, হাফেজঘোনা, বাসস্টেশন এলাকা, স্টেডিয়াম এলাকা, নোয়াপাড়া, কসাইপাড়াসহ জেলার বিভিন্ন স্থানে পাহাড়ের পাদদেশে অপরিকল্পিতভাবে কয়েক হাজার পরিবার বসবাস করছে। টানা বৃষ্টিতে এসব এলাকার বাসিন্দারা পাহাড় ধসের উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছেন।

এদিকে কয়েকটি স্থানে পাহাড় থেকে মাটি ধসে সড়কের ওপর জমে থাকায় চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে এবং পথচারীদের দুর্ভোগ বাড়ছে।

পাহাড় ধসের আশঙ্কা বিবেচনায় নিয়ে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মাইকিং করে বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যাওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে।

মাইকিংয়ে জানানো হচ্ছে, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপ ও সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে মঙ্গলবার দুপুর ১২টা থেকে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টা দেশের বিভিন্ন স্থানে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। অতি ভারী বর্ষণের ফলে ভূমিধসের আশঙ্কা থাকায় পাহাড়ের পাদদেশ ও চূড়ায় বসবাসকারীদের সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন এবং প্রয়োজন হলে দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

অবিরাম বৃষ্টিতে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সাঙ্গু নদীর পানিও ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে নদীতীরবর্তী নিম্নাঞ্চলের বসতঘর প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

ইসলামপুর এলাকার পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারী কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, বিকল্প আবাসনের ব্যবস্থা না থাকায় জীবনের ঝুঁকি নিয়েই তারা সেখানে বসবাস করতে বাধ্য হচ্ছেন।

বান্দরবান পৌর প্রশাসক মঞ্জুরুল আলম বলেন, কয়েক দিনের টানা বর্ষণে পাহাড় ধস ও নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রশাসন সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

বান্দরবানের জেলা প্রশাসক সানিউল ফেরদৌস বলেন, সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবিলায় সার্বিক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। পাহাড় ধসের ঝুঁকিতে থাকা বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে জেলার সাত উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *