শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০৫:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
খাগড়াছড়িতে বন্যাদুর্গতদের মাঝে ইউসিবি ব্যাংকের ত্রাণ বিতরণ পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদের নতুন কমিটি ঘোষণা: রানা চেয়ারম্যান, সোলায়মান মহাসচিব রাণীরহাট-কাউখালী সড়কে বেইলি সেতু ভেঙে যোগাযোগ বন্ধ লংগদুতে সেগুন বাগান কাটার অভিযোগ নিয়ে বিতর্ক, বিএনপি নেতাকে শোকজ পাহাড়ধসে ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে উদ্যোগের দাবি লামায় পাহাড়ি ঢল ও ধসে ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক-সেতু, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ কাপ্তাই লেকের পানি বাড়ায় স্পিলওয়ের ১৬ জলকপাট খুলে ৯ হাজার কিউসেক পানি ছাড় বিচ্ছিন্নভাবে নয়, সমন্বিত উদ্যোগে বন্যাদুর্গতদের সেবা পৌঁছাতে হবে: প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বিলাইছড়িতে বাড়ি বাড়ি গিয়ে কৃষক কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু দুই বছরেও সংস্কার হয়নি সংযোগ সেতুর, দুর্ভোগে বাঘাইছড়ির হাজারো মানুষ রোয়াংছড়িতে বন্যাদুর্গতদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করলেন পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী খাগড়াছড়িতে অবৈধ টিলা কাটার দায়ে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা চকরিয়ায় ১,৫০০ বন্যাদুর্গত পরিবারকে বিজিবির ত্রাণ, ৭০০ জনের চিকিৎসাসেবা আলীকদমে বন্যাদুর্গতদের ত্রাণ সহায়তা দিল খুইল্লা মিয়া চেয়ারম্যান ফাউন্ডেশন মহালছড়িতে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে সেনাবাহিনী, নগদ অর্থ, ত্রাণ ও তাৎক্ষণিক চিকিৎসা সহায়তা প্রদান বান্দরবানে বন্যার্ত ২৫০ পরিবারের মাঝে রেড ক্রিসেন্টের ত্রাণ, মেডিকেল ক্যাম্প চালু

খাগড়াছড়িতে কৃষকদের মাঝে কফি-কাজুবাদামের চারা ও আধুনিক কৃষি উপকরণ বিতরণ

Reporter Name

খোকন বিকাশ ত্রিপুরা জ্যাক, খাগড়াছড়ি।।
পার্বত্য অঞ্চলে কফি ও কাজুবাদাম চাষ সম্প্রসারণ, কৃষকদের আয় বৃদ্ধি এবং বাণিজ্যিক কৃষিকে আরও গতিশীল করতে খাগড়াছড়ি সদর উপজেলায় কৃষকদের মাঝে কফি ও কাজুবাদামের চারা এবং আধুনিক কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১২ জুন) খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের “কাজুবাদাম ও কফি গবেষণা, উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্প”-এর আওতায় কৃষক ও বাগান মালিকদের মধ্যে এসব চারা ও কৃষি যন্ত্রপাতি বিতরণ করা হয়।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, প্রকল্পের আওতায় মোট ৮ হাজার ৩৫০টি কফি ও কাজুবাদামের উন্নত জাতের চারা বিতরণ করা হয়েছে। এর মধ্যে কাজুবাদামের জাতভিত্তিক প্রদর্শনীর জন্য ১৬০টি এবং বাণিজ্যিক প্রদর্শনীর জন্য ৫০০টি চারা দেওয়া হয়। এছাড়া কফির জাতভিত্তিক প্রদর্শনীর জন্য ২৭০টি এবং বাণিজ্যিক প্রদর্শনীর জন্য ১ হাজার ১২৫টি চারা বিতরণ করা হয়।

চারার পাশাপাশি কৃষকদের উৎপাদিত কফি ও কাজুবাদাম প্রক্রিয়াজাতকরণ সহজ করতে কফি পালপিং মেশিন, কফি ড্রায়ার মেশিন, কাজুবাদাম কাটিং মেশিনসহ বিভিন্ন আধুনিক কৃষি উপকরণও বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রকল্প পরিচালক শহিদুল ইসলাম-এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে চারা ও কৃষি উপকরণ বিতরণ করেন মুক্তা চাকমা।

এ সময় মুক্তা চাকমা বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের আবহাওয়া ও মাটি কফি ও কাজুবাদাম চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। সরকারের এ উদ্যোগের ফলে কৃষকরা বাণিজ্যিকভাবে উচ্চমূল্যের এ দুই ফসল চাষে আরও আগ্রহী হবেন। এতে কৃষকদের আয় বৃদ্ধির পাশাপাশি পার্বত্য অঞ্চলে নতুন কৃষিভিত্তিক অর্থনীতির বিকাশের সুযোগ তৈরি হবে।

তিনি আরও বলেন, কফি ও কাজুবাদাম বর্তমানে দেশের সম্ভাবনাময় অর্থকরী ফসল হিসেবে পরিচিতি পাচ্ছে। সঠিক পরিচর্যা এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে খাগড়াছড়ির কৃষকরা এ খাত থেকে উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক সুবিধা অর্জন করতে পারবেন।

উপকারভোগী কৃষক ও বাগান মালিকরা জানান, উন্নত জাতের চারা ও আধুনিক যন্ত্রপাতি পাওয়ায় উৎপাদন ব্যয় কমবে এবং ফলন ও পণ্যের গুণগত মান বৃদ্ধি পাবে। এর ফলে কফি ও কাজুবাদাম চাষে নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি হবে।

কৃষি সংশ্লিষ্টদের মতে, পাহাড়ি এলাকায় কফি ও কাজুবাদাম চাষের সম্প্রসারণ কৃষকদের জন্য নতুন কর্মসংস্থান ও আয় বৃদ্ধির সুযোগ সৃষ্টি করবে। পাশাপাশি এটি স্থানীয় অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *