মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নতুন দায়িত্ব পেয়েই দীঘিনালায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ সদস্যবৃন্দরা ঈদগাঁওতে মাদকের সরঞ্জামসহ ১২ মাদকসেবী আটক ঈদগাঁওতে অবৈধ টমটম, অটোরিক্সা ও মোটর সাইকেলের বিরুদ্ধে একশন শুরু রাঙ্গুনিয়ায় পুলিশের উদ্যোগে মাদকবিরোধী র্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত বিলাইছড়ি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত বান্দরবান জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের দায়িত্ব গ্রহণ পানছড়িতে বিজিবির উদ্যোগে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সামগ্রী বিতরণ, অসহায়কে চিকিৎসা সহায়তা লামায় ৫০ শয্যার হাসপাতালে ভর্তি ৯২ রোগী, বন্ধ অ্যাম্বুলেন্স সেবা আকস্মিক বন্যায় দীঘিনালায় ২৫ ঘর বিধ্বস্ত, ঝুঁকিতে অর্ধশতাধিক। বিলাইছড়িতে লেপ্রসি মিশনের উদ্যোগে কুষ্ঠ রোগবিষয়ক কর্মশালা নানিয়ারচরে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত লক্ষ্মীছড়িতে অসহায় নারীর ঘর মেরামতে জোনের সহায়তা রূপনা চাকমার গ্রামসহ নানিয়ারচরে তিন উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন মাম্যাচিংকে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান করায় বান্দরবানে বিএনপির আনন্দ মিছিল লামায় সেতুর অভাবে ঝুঁকিতে ১২ গ্রামের মানুষ, দুর্ভোগে শিক্ষার্থীরা বাঘাইহাটে যুবকদের কম্পিউটার ও মোবাইল সার্ভিসিং প্রশিক্ষণ

খাগড়াছড়িতে দরিদ্র পরিবারদের জন্য হাঁস-মুরগি ও গবাদিপশু বিতরণ

খোকন বিকাশ ত্রিপুরা জ্যাক, খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি।।

পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন সহায়তার আওতায় খাগড়াছড়িতে অসহায় ও দুঃস্থ পরিবারের আত্মকর্মসংস্থান ও আর্থসামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে হাঁস-মুরগি ও গবাদিপশু বিতরণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে ভাইবোনছড়া ইউনিয়নের কুমারধন রোয়াজা পাড়ায় আয়োজিত বিতরণ কার্যক্রমে দীঘিনালা, খাগড়াছড়ি সদর ও মাটিরাঙ্গা উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের শতাধিক দরিদ্র পরিবারকে হাঁস, মুরগি, গরু ও ছাগল প্রদান করা হয়।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য ধনেশ্বর ত্রিপুরা। তিনি জানান, পার্বত্য মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দে জেলা পরিষদের মাধ্যমে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। তিনি বলেন, “প্রত্যন্ত এলাকার অসহায় ও দুঃস্থ নারী ও পরিবারের জীবনমান উন্নয়নের জন্য এই সহায়তা কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে। গরু, ছাগল, হাঁস ও মুরগি লালন-পালন করে তারা স্বাবলম্বী হতে পারবে।”

উপকারভোগীরা জানান, এই সহায়তা তাদের দৈনন্দিন জীবনে সহায়তা ছাড়াও ভবিষ্যতের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করবে। অনিকা ত্রিপুরা বলেন, “আমি গরীব মানুষ। দিনে আনি, দিনে খাই। আজ জেলা পরিষদ থেকে গবাদিপশু পেয়েছি। এটি লালন-পালন করে সামনে স্বাবলম্বী হতে পারবো।” অন্য এক উপকারভোগী বলেন, “হাঁস-মুরগি পেলে ঘরে বসেই আয় করা সম্ভব হবে, যা আমাদের সন্তানদের পড়াশোনায় সহায়তা করবে।”

খাগড়াছড়ির প্রত্যন্ত পাহাড়ি পাড়াগুলোতে জীবিকার সুযোগ সীমিত। তাই জেলা পরিষদের এই উদ্যোগ স্থানীয় জনগণের কাছে শুধু সহায়তা নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদি আত্মনির্ভরশীলতার পথে একটি বাস্তব সুযোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। স্থানীয়রা মনে করছেন, এ ধরনের প্রকল্প নিয়মিত বাস্তবায়ন হলে পার্বত্য অঞ্চলের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর আর্থসামাজিক অবস্থায় স্থায়ী পরিবর্তন আসবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *