বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৫:০৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মহালছড়ি জোনের উদ্যোগে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা, ঔষধ ও ত্রাণ বিতরণ সেনাবাহিনী ১৬ বেঙ্গল’র উদ্যোগে দুর্গম এলাকায় শিক্ষা ও মানবিক সহায়তা প্রদান খাগড়াছড়ি পৌরসভার ১৩৯ কোটি ৩৭ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা, নতুন কর নেই খাগড়াছড়িতে ১৭৬ বন্যাকবলিত পরিবার পেল নগদ সহায়তা ও স্বাস্থ্যবিধি সামগ্রী সাজেকে নিহত শিক্ষিকার পরিবারকে পাশে থাকার আশ্বাস বিজিবির বান্দরবানে সপ্তাহব্যাপী বৃক্ষমেলা শুরু, দেশীয় প্রজাতির গাছ রোপণে গুরুত্বারোপ পানছড়িতে বন্যাদুর্গত ১৫০ পরিবার পেল ত্রাণ সহায়তা খাগড়াছড়ি ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজে চাকমা, মারমা ও ত্রিপুরা ভাষা শিক্ষা ক্লাবের উদ্বোধন রাঙ্গুনিয়ায় অসহায় ও অসুস্থ রোগীদের আর্থিক সহায়তা দিল প্রবাসী কর্ণফুলী ক্রীড়া পরিষদ আগাম প্রস্তুতিতে বন্যার ক্ষয়ক্ষতি কমেছে, তিন পার্বত্য জেলা পরিষদ পুনর্গঠনের ঘোষণা পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর ছয় মাসে বদলে গেল মহাপুরম উচ্চ বিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের চিত্র বান্দরবানে শতাধিক বন্যাদুর্গত পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ উখিয়ায় বন্যাদুর্গত পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা বিতরণ খাগড়াছড়িতে সেনাবাহিনীর স্বাস্থ্যসচেতনতা কর্মসূচি, ৪৭৭ জনের চিকিৎসাসেবা বিলাইছড়ির ফারুয়ায় বন্যাদুর্গত আরও ৬০০ পরিবারকে ত্রাণ দেবে আশিকা পানছড়ি বাজারে নিষিদ্ধ পিরানহা বিক্রি, ভ্রাম্যমাণ আদালতে দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা

ঢাকায় ত্রিপুরা ও মারমা ভাষার স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘ফিরে আসা’ ও ‘জ্ঞানের আলো’র উদ্বোধনী প্রদর্শনী

Reporter Name

বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকা।।
বাংলাদেশের বৈচিত্র্যময় আদিবাসী সংস্কৃতি ও মাতৃভাষাভিত্তিক চলচ্চিত্রচর্চাকে সামনে রেখে রাজধানীতে ত্রিপুরা ও মারমা ভাষার দুটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের উদ্বোধনী প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (১৬ মে) সন্ধ্যা ৭টায় ঢাকার ধানমন্ডির ভিনটেজ কনভেনশন হলে জহির রায়হান চলচ্চিত্র সংসদের উদ্যোগে ত্রিপুরা ভাষার স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘ফিরে আসা (Return)’ এবং মারমা ভাষার ‘জ্ঞানের আলো’ চলচ্চিত্রের প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চলচ্চিত্র প্রযোজক ডা. মং উষা থোয়াই। সঞ্চালনা করেন জহির রায়হান চলচ্চিত্র সংসদের সহ-সম্পাদক আজমীর তারেক চৌধুরী।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ গবেষক ও চলচ্চিত্র নির্মাতা কাওসার চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন সাংবাদিক ও চলচ্চিত্র গবেষক বিধান রিবেরু। এছাড়া বক্তব্য দেন শিল্পী সুমন চক্রবর্তী, কমলা ভট্টাচার্য এবং রুস্তম আলী খোকনসহ অন্যরা।

চলচ্চিত্র দুটি প্রযোজনা করেন ডা. মং উষা থোয়াই এবং পরিচালনা করেন চলচ্চিত্র নির্মাতা প্রদীপ ঘোষ। আয়োজকরা জানান, ত্রিপুরা ভাষার চলচ্চিত্র ‘ফিরে আসা’-এ অভিনয় করেছেন ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর শিল্পীরা।

প্রদর্শনী শেষে প্রযোজক ডা. মং উষা থোয়াই ও পরিচালক প্রদীপ ঘোষ চলচ্চিত্র নির্মাণের অভিজ্ঞতা এবং চলচ্চিত্রের বিষয়বস্তু নিয়ে দর্শকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

বক্তারা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের আদিবাসী জনগোষ্ঠীর জীবন, সংস্কৃতি, স্মৃতি, সংগ্রাম ও আত্মপরিচয়ের বিষয়গুলো চলচ্চিত্র দুটিতে তুলে ধরা হয়েছে। ভাষাগত ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য সংরক্ষণে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলেও তারা মত দেন।

অনুষ্ঠানে জহির রায়হান চলচ্চিত্র সংসদের সহ-সম্পাদক আজমীর তারেক চৌধুরী বলেন, “ফিরে আসা শুধু একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নয়; এটি পার্বত্য জনপদের মানুষের ইতিহাস, আবেগ ও আত্মপরিচয়ের শিল্পিত উপস্থাপন।”

প্রযোজক ডা. মং উষা থোয়াই বলেন, দেশের বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর ভাষা, স্মৃতি ও জীবন-অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের সামগ্রিক সাংস্কৃতিক পরিচয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। মাতৃভাষাভিত্তিক চলচ্চিত্র নির্মাণের মাধ্যমে সেই বৈচিত্র্যকে সম্মান জানানোর প্রয়াস অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

অনুষ্ঠানে চলচ্চিত্রপ্রেমী, গবেষক, শিক্ষার্থী ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। শেষে ডা. মং উষা থোয়াইকে “Award for Best Producer & Legend of CHT” সম্মাননা প্রদান করা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *