শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০৫:৫৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
খাগড়াছড়িতে বন্যাদুর্গতদের মাঝে ইউসিবি ব্যাংকের ত্রাণ বিতরণ পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদের নতুন কমিটি ঘোষণা: রানা চেয়ারম্যান, সোলায়মান মহাসচিব রাণীরহাট-কাউখালী সড়কে বেইলি সেতু ভেঙে যোগাযোগ বন্ধ লংগদুতে সেগুন বাগান কাটার অভিযোগ নিয়ে বিতর্ক, বিএনপি নেতাকে শোকজ পাহাড়ধসে ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে উদ্যোগের দাবি লামায় পাহাড়ি ঢল ও ধসে ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক-সেতু, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ কাপ্তাই লেকের পানি বাড়ায় স্পিলওয়ের ১৬ জলকপাট খুলে ৯ হাজার কিউসেক পানি ছাড় বিচ্ছিন্নভাবে নয়, সমন্বিত উদ্যোগে বন্যাদুর্গতদের সেবা পৌঁছাতে হবে: প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বিলাইছড়িতে বাড়ি বাড়ি গিয়ে কৃষক কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু দুই বছরেও সংস্কার হয়নি সংযোগ সেতুর, দুর্ভোগে বাঘাইছড়ির হাজারো মানুষ রোয়াংছড়িতে বন্যাদুর্গতদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করলেন পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী খাগড়াছড়িতে অবৈধ টিলা কাটার দায়ে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা চকরিয়ায় ১,৫০০ বন্যাদুর্গত পরিবারকে বিজিবির ত্রাণ, ৭০০ জনের চিকিৎসাসেবা আলীকদমে বন্যাদুর্গতদের ত্রাণ সহায়তা দিল খুইল্লা মিয়া চেয়ারম্যান ফাউন্ডেশন মহালছড়িতে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে সেনাবাহিনী, নগদ অর্থ, ত্রাণ ও তাৎক্ষণিক চিকিৎসা সহায়তা প্রদান বান্দরবানে বন্যার্ত ২৫০ পরিবারের মাঝে রেড ক্রিসেন্টের ত্রাণ, মেডিকেল ক্যাম্প চালু

দুর্গম ছলম পাড়ায় হামের প্রাদুর্ভাবে দুই ম্রো শিশুর মৃত্যু, উদ্বেগ বাড়ছে পাহাড়ে

Reporter Name

মো. ইসমাইলুল করিম, লামা উপজেলা সংবাদদাতা।।
বান্দরবানের লামা উপজেলার রূপসী ইউনিয়নের দুর্গম ছলম পাড়ায় হামের প্রাদুর্ভাবে একই পরিবারের দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মাত্র এক দিনের ব্যবধানে দুই সন্তানের মৃত্যুতে পরিবারটিতে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। একই সঙ্গে এলাকায় দেখা দিয়েছে আতঙ্ক ও উদ্বেগ।

মৃত শিশুরা হলো সংছাই ম্রো (৭) ও মেনলেং ম্রো (১)। তারা ছলম পাড়ার বাসিন্দা মেনথক ম্রো ও চাইলে ম্রো দম্পতির সন্তান।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হাম আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ হলে শিশু দু’জনকে প্রথমে লামা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে তাদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসা শেষে কিছুটা সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেও পুনরায় তাদের অবস্থার অবনতি ঘটে।

চিকিৎসাধীন অবস্থায় সংছাই ম্রো গত বুধবার (২০ মে) এবং মেনলেং ম্রো বৃহস্পতিবার (২১ মে) মারা যায়।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় স্বাস্থ্যসেবা ও টিকাদান কার্যক্রম সীমিত থাকায় হামের সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। এতে শিশুদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বেড়ে গেছে।

এদিকে, সম্প্রতি বান্দরবানের বিভিন্ন দুর্গম এলাকায় হামের প্রকোপ উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এর আগে আলীকদম উপজেলায় সাতজন এবং লামায় আরও একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। ধারাবাহিক এসব ঘটনায় পাহাড়ি জনপদের জনস্বাস্থ্য পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দুর্গম এলাকায় টিকাদান কার্যক্রম জোরদার, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং দ্রুত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা না গেলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *