সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ১২:৩৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রামগড়ে বন্যাদুর্গত পরিবারের মাঝে বিজিবির ত্রাণ বিতরণ থানচির একাধিক স্থানে ভূমিধস, সড়ক যোগাযোগ স্বাভাবিক রাখতে কাজ করছে সেনাবাহিনী মাটিরাঙ্গায় বন্যাদুর্গত ২৫০ পরিবারের মাঝে সেনা জোনের ত্রাণ বিতরণ বিলাইছড়িতে বন্যা দুর্গত ৫০ পরিবারকে সেনা জোনের ত্রাণ সহায়তা বিলাইছড়িতে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা কাপ্তাইয়ে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ পানছড়িতে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালিত, পরিকল্পিত পরিবার গঠনের আহ্বান পানছড়ি-খাগড়াছড়ি সড়কের একাংশ ধসে, পরিদর্শনে ইউএনও ইসলামপুরে বন্যা ও পাহাড় ধসে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে মাইজভান্ডারি গাউসিয়া হক কমিটির ত্রাণ বিতরণ টেকনাফে ১০ হাজার ইয়াবাসহ সিএনজি চালক আটক বান্দরবানে বন্যাদুর্গতদের পাশে জেলা বিএনপির সদস্য সচিব জাবেদ রেজা দুর্গম আলীকদমে বন্যাকবলিত মানুষের পাশে সেনাবাহিনী, বিতরণ ত্রাণসামগ্রী লামায় পাহাড় ধসে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে এমপি সাচিংপ্রু জেরি বান্দরবানে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, বিচ্ছিন্ন দুই সড়কের যোগাযোগ রাঙ্গুনিয়ায় কর্ণফুলী নদীতে নৌকা ডুবে তরুণ নিখোঁজ, চলছে উদ্ধার অভিযান নাইক্ষ্যংছড়িতে বর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত স্টিল ব্রিজ, জরুরি মেরামতে ১১ বিজিবি

পানছড়িতে পৈত্রিক সম্পত্তি দখল ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে দুই বোনের সংবাদ সম্মেলন

সৈয়দ এম এ বাসার, প্রতিনিধি পানছড়ি।

খাগড়াছড়ির পানছড়িতে পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে ভাতিজাদের জুলুম, দখল ও প্রাণনাশের হুমকির শিকার হওয়ার অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন দুই বোন, নাছিমা বেগম ও হোসনেয়ারা বেগম।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) পানছড়ি প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তারা অভিযোগ করেন, তাদের মরহুম পিতা হাফেজ আহাম্মদ সাহেবের রেখে যাওয়া সম্পত্তি থেকে আইনগত অধিকার থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘদিন ধরে তারা বঞ্চিত হয়ে আসছেন।

ভুক্তভোগীরা জানান, তারা দুই বোন ও পাঁচ ভাই একই পিতার সন্তান। বর্তমানে সকল ভাই মারা গেছেন। ২০১১ সালে দুই বোনের প্রাপ্য ১০.৫ শতক (০.১০৫ একর) জমি বণ্টনের সময় সকল ভাই অনাপত্তি দিলেও ছোট ভাই কুনা মিয়া জোরপূর্বক জমিটি দখল করে নেন। পরবর্তীতে কুনা মিয়ার মৃত্যুর পর তার ওয়ারিশ মো. আবুল কাশেম ও আব্দুল কাদের জমিটি দখলে রাখেন বলে অভিযোগ করেন তারা।

ভুক্তভোগীরা আরও জানান, তিন ভাই স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে জমি বণ্টনের আবেদন করলে ৩নং পানছড়ি ইউপির তৎকালীন চেয়ারম্যান অসেতু বিকাশ চাকমা তিন ইউপি সদস্যের সহায়তায় বণ্টন করেন। তবে কুনা মিয়া তা মানেননি। বাধ্য হয়ে দুই বোন খাগড়াছড়ি বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেন (মামলা নং-৫৬/২০১১)। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার পর ২০১৩ সালের ১৯ মে আদালত তাদের পক্ষে চূড়ান্ত রায় দেন।

তাদের অভিযোগ, আদালতের রায় অমান্য করে অভিযুক্তরা জমিটি অন্যত্র বিক্রি করেছেন। এছাড়া মো. আবুল কাশেম ও আব্দুল কাদের রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে পুনরায় জমি দখল ও বিক্রি করেছেন। তারা অতীতেও ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন এবং বর্তমানে একটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত হয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন।

সংবাদ সম্মেলনে তারা জানান, বিষয়টি উপজেলা ও জেলা জামায়াতের কর্মকর্তাদের জানানো হলেও সমাধান হয়নি। বরং অভিযুক্তরা বিভিন্নভাবে হয়রানি ও প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছেন।

ভুক্তভোগী দুই বোন প্রশাসন ও সাধারণ জনগণের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, “আমরা আমাদের বাবার রেখে যাওয়া ন্যায্য সম্পত্তি চাই। আদালতের রায় বাস্তবায়ন এবং জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন হস্তক্ষেপ কামনা করছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *