শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০২:৫২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মহালছড়িতে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে সেনাবাহিনী, নগদ অর্থ, ত্রাণ ও তাৎক্ষণিক চিকিৎসা সহায়তা প্রদান বান্দরবানে বন্যার্ত ২৫০ পরিবারের মাঝে রেড ক্রিসেন্টের ত্রাণ, মেডিকেল ক্যাম্প চালু বিলাইছড়িতে ডাউনপাড়া সার্বিক গ্রাম উন্নয়ন সমবায় সমিতির প্রাক-নিবন্ধন সভা অনুষ্ঠিত বান্দরবানে বন্যার্তদের পাশে সরকার, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর ঋণ স্থগিতের উদ্যোগ জুরাছড়িতে বন্যাকবলিত এলাকা ও আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শনে এমপি দীপেন দেওয়ান মাটিরাঙ্গায় দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত ২৫ পরিবার পেল প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের সহায়তা রাজস্থলীতে ৩০ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার পেল প্রশাসনের জরুরি ত্রাণ সহায়তা জুলাই বিপ্লবের শহীদদের আত্মত্যাগেই রচিত হয়েছে দেশের রাজনীতির নতুন ধারা’: পার্বত্য ও ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল মেয়াদোত্তীর্ণ ও সাংগঠনিক নিষ্ক্রিয়তায় রাউজান-রাঙ্গুনিয়া প্রজন্ম দলের কমিটি বিলুপ্ত মাটিরাঙ্গার টানা বর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত ২০০ পরিবারের পাশে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ দীঘিনালায় বন্যা-পরবর্তী ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, ১,২০০ পরিবারে ত্রাণ বিতরণ রাবিপ্রবি’তে ‘জুলাই শহীদ দিবস-২০২৬’ পালন হুম্মাম কাদের চৌধুরীর নির্দেশনায় রাঙ্গুনিয়ায় বন্যাদুর্গতদের পাশে বিএনপি ও ছাত্রদল নেতা সাবের; দুই দিনব্যাপী ত্রাণ বিতরণ ঈদগাঁওতে বিনম্র শ্রদ্ধায় জুলাই শহীদদের স্মরণ রাঙামাটিতে ৪৫ বিজিবির উদ্যোগে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ বরকলে বন্যার্তদের বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ওষুধ দিল ১২ বিজিবি

বিলাইছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চার সহকারী সার্জনের যোগদান, চিকিৎসাসেবায় স্বস্তি

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা, বিলাইছড়ি প্রতিনিধি।।

বিলাইছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এ চারজন নতুন সহকারী সার্জন (মেডিকেল অফিসার) যোগদান করেছেন। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদানপত্র জমা দেন তারা।

নতুন যোগদানকারীরা হলেন—ডা. মো. ওমর ফারুক (চট্টগ্রাম), সাবরিনা হোসেন চৈতী (মুন্সীগঞ্জ), কনিষ্ক চাকমা (বরকল) এবং ইমানুর রহমান আরাপাত (রাজশাহী)। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, তারা সবাই ৪৮তম বিসিএসের মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত।

এ নিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাসহ মোট চিকিৎসকের সংখ্যা দাঁড়াল আটজনে। সংশ্লিষ্টদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসক সংকটে ভোগা এই দুর্গম উপজেলার জন্য এটি একটি ইতিবাচক অগ্রগতি। তবে এখনো গাইনি বিভাগের চিকিৎসক না থাকায় নারী ও মাতৃস্বাস্থ্য সেবায় সীমাবদ্ধতা রয়ে গেছে। যদিও ডেন্টাল সেবায় একজন চিকিৎসক কর্মরত আছেন।

যোগদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাবেক সহযোগী ও বিভাগীয় প্রধান ডা. মোহাম্মদ হোসেন, মেডিকেল অফিসার উন্মে সায়েকা, সুইচিং মার্মাসহ অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা জানান, চিকিৎসক ও নার্সের ঘাটতি অনেকাংশে কাটলেও অন্যান্য সহায়ক জনবলের সংকট এখনো রয়ে গেছে। সুইপার, সেকমো, আয়া, ওয়ার্ডবয়, কুকার ও টেকনোলজিস্ট পদে শূন্যতা রয়েছে। পাশাপাশি সড়ক ও নৌপথে চলাচলের উপযোগী অ্যাম্বুলেন্স, আল্ট্রাসনোগ্রাফি, ডেন্টাল ও এক্স-রে মেশিনসহ আধুনিক অপারেশন সরঞ্জাম নিশ্চিত করা গেলে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সেবা আরও পরিপূর্ণ হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, নতুন চিকিৎসকদের যোগদানে প্রাথমিক ও জরুরি চিকিৎসাসেবার মান উন্নত হবে এবং পর্যায়ক্রমে প্রয়োজনীয় জনবল ও যন্ত্রপাতি সরবরাহ নিশ্চিত হলে বিলাইছড়ি উপজেলার মানুষ আরও সহজে মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পাবেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *