বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ১১:১০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নানিয়ারচরে রেকর্ড ৭৭টি দলের অংশগ্রহণে শুরু হলো রাধামোহন চাকমা স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট ঈদগাঁওতে অভিবাসন বিষয়ে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত ঈদগাঁওতে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীরা সংবর্ধিত খাগড়াছড়িতে ৫০ ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার দুইজন কারাগারে প্রকৃতি রক্ষায় সচেতনতার আহ্বান, খাগড়াছড়িতে ‘প্রকৃতি’র মোড়ক উন্মোচন বিলাইছড়িতে আন্তর্জাতিক যুব দিবস পালিত আলীকদমে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবিতে আবেদন লামায় ১১ মাস পর শিশু হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার সাংবাদিক-প্রশাসনের সমন্বয়ে জনসেবা আরও কার্যকর হবে: ইউএনও মিশকাতুল তামান্না মহালছড়িতে একমাত্র A+ পাওয়া টুম্পা চাকমাকে উপজেলা প্রশাসনের ফুলেল সংবর্ধনা ও সহায়তা প্রদান কাপ্তাইয়ে বিশ্ব হাতি দিবসে র‍্যালি ও আলোচনা সভা কাপ্তাই জেটিঘাটে কচুরিপানার স্তূপ, ব্যাহত নৌযান চলাচল মহালছড়িতে স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন ও করণীয় নিয়ে অংশীজন সভা শান্তি-সম্প্রীতি ও নিরাপত্তার প্রত্যয়ে লক্ষীছড়ি জোনের ১০ বছর সিন্দুকছড়ি জোনের আয়োজনে মানিকছড়িতে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত রাঙ্গামাটিতে মাছ ধরতে গিয়ে জেলের মৃত্যু

মাটিরাঙ্গা হর্টিকালচার সেন্টারে গাঁদা ফুলের পাঁচ স্তরের পুষ্পশৈলী

মো. আবুল হাসেম, মাটিরাঙ্গা প্রতিনিধি।।

খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা উপজেলায় পাহাড়ের ঢালে অবস্থিত মাটিরাঙ্গা উপজেলা হর্টিকালচার সেন্টারে গাঁদা ফুলের একটি ব্যতিক্রমধর্মী পাঁচ স্তরের পুষ্পশৈলী দৃষ্টিনন্দন আকর্ষণ হিসেবে উঠে এসেছে। বাঁশের কাঠামোয় নির্মিত এই পিরামিড আকৃতির ফুলবাগানটি ইতোমধ্যে দর্শনার্থী ও কৃষিপ্রেমীদের দৃষ্টি কেড়েছে।

হর্টিকালচার সেন্টারের নিজস্ব পরিকল্পনায় নির্মিত এই কাঠামোতে ধাপে ধাপে পাঁচটি স্তরে রোপণ করা হয়েছে বিভিন্ন জাতের গাঁদা ফুল। প্রতিটি স্তরে ভার্মিকম্পোস্ট, ট্রাইকোকম্পোস্ট, গোবর সারসহ প্রয়োজনীয় রাসায়নিক সার মিশিয়ে উর্বর মাটি প্রস্তুত করা হয়। এতে প্রায় সাড়ে তিনশ’ গাঁদা চারা ও অল্পসংখ্যক সেলভিয়া চারা রোপণ করা হয়েছে।

সেন্টারের উদ্যানতত্ত্ববিদ মো. আব্দুল্লাহ আল মাসুম জানান, গাঁদা ফুলের বিভিন্ন জাত ও রঙ একসঙ্গে উপস্থাপন করতেই এই পাঁচ স্তরের কাঠামো নির্মাণ করা হয়েছে। পরিকল্পিত রঙ বিন্যাস ও পরিচর্যার মাধ্যমে একই স্থানে নান্দনিক সৌন্দর্য ও প্রদর্শনীমূলক চাষাবাদ সম্ভব হচ্ছে। তিনি আরও জানান, এটি সৌন্দর্যবর্ধনের পাশাপাশি বাণিজ্যিকভাবেও সম্ভাবনাময়; এখান থেকে প্রতি মাসে ফুল বিক্রি করে নিয়মিত আয় হচ্ছে।

পিরামিডের পাশাপাশি পুরো হর্টিকালচার সেন্টারজুড়েই বিভিন্ন মৌসুমি ও শোভাবর্ধক ফুলের বাগান গড়ে তোলা হয়েছে। সুশৃঙ্খল বেড বিন্যাস, সার ও সেচ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বাগানটিকে একটি প্রশিক্ষণ ও প্রদর্শনী কেন্দ্র হিসেবে উন্নত করা হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, মাটিরাঙ্গায় এ ধরনের পরিকল্পিত ও স্তরভিত্তিক ফুলের প্রদর্শনী আগে দেখা যায়নি। দর্শনার্থীদের মতে, এটি শুধু বিনোদনের মাধ্যম নয়, বরং নতুন প্রজন্মের জন্য উদ্যানচর্চা ও কৃষিভিত্তিক শিক্ষার একটি কার্যকর উদাহরণ।

সংশ্লিষ্টদের ধারণা, এমন উদ্যোগ স্থানীয় ফুলচাষিদের অনুপ্রাণিত করবে এবং স্বল্প জায়গায় নান্দনিক ও লাভজনক ফুলচাষের নতুন ধারণা ছড়িয়ে দিতে ভূমিকা রাখবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *