মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নতুন দায়িত্ব পেয়েই দীঘিনালায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ সদস্যবৃন্দরা ঈদগাঁওতে মাদকের সরঞ্জামসহ ১২ মাদকসেবী আটক ঈদগাঁওতে অবৈধ টমটম, অটোরিক্সা ও মোটর সাইকেলের বিরুদ্ধে একশন শুরু রাঙ্গুনিয়ায় পুলিশের উদ্যোগে মাদকবিরোধী র্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত বিলাইছড়ি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত বান্দরবান জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের দায়িত্ব গ্রহণ পানছড়িতে বিজিবির উদ্যোগে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সামগ্রী বিতরণ, অসহায়কে চিকিৎসা সহায়তা লামায় ৫০ শয্যার হাসপাতালে ভর্তি ৯২ রোগী, বন্ধ অ্যাম্বুলেন্স সেবা আকস্মিক বন্যায় দীঘিনালায় ২৫ ঘর বিধ্বস্ত, ঝুঁকিতে অর্ধশতাধিক। বিলাইছড়িতে লেপ্রসি মিশনের উদ্যোগে কুষ্ঠ রোগবিষয়ক কর্মশালা নানিয়ারচরে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত লক্ষ্মীছড়িতে অসহায় নারীর ঘর মেরামতে জোনের সহায়তা রূপনা চাকমার গ্রামসহ নানিয়ারচরে তিন উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন মাম্যাচিংকে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান করায় বান্দরবানে বিএনপির আনন্দ মিছিল লামায় সেতুর অভাবে ঝুঁকিতে ১২ গ্রামের মানুষ, দুর্ভোগে শিক্ষার্থীরা বাঘাইহাটে যুবকদের কম্পিউটার ও মোবাইল সার্ভিসিং প্রশিক্ষণ

মাটিরাঙ্গা হর্টিকালচার সেন্টারে গাঁদা ফুলের পাঁচ স্তরের পুষ্পশৈলী

মো. আবুল হাসেম, মাটিরাঙ্গা প্রতিনিধি।।

খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা উপজেলায় পাহাড়ের ঢালে অবস্থিত মাটিরাঙ্গা উপজেলা হর্টিকালচার সেন্টারে গাঁদা ফুলের একটি ব্যতিক্রমধর্মী পাঁচ স্তরের পুষ্পশৈলী দৃষ্টিনন্দন আকর্ষণ হিসেবে উঠে এসেছে। বাঁশের কাঠামোয় নির্মিত এই পিরামিড আকৃতির ফুলবাগানটি ইতোমধ্যে দর্শনার্থী ও কৃষিপ্রেমীদের দৃষ্টি কেড়েছে।

হর্টিকালচার সেন্টারের নিজস্ব পরিকল্পনায় নির্মিত এই কাঠামোতে ধাপে ধাপে পাঁচটি স্তরে রোপণ করা হয়েছে বিভিন্ন জাতের গাঁদা ফুল। প্রতিটি স্তরে ভার্মিকম্পোস্ট, ট্রাইকোকম্পোস্ট, গোবর সারসহ প্রয়োজনীয় রাসায়নিক সার মিশিয়ে উর্বর মাটি প্রস্তুত করা হয়। এতে প্রায় সাড়ে তিনশ’ গাঁদা চারা ও অল্পসংখ্যক সেলভিয়া চারা রোপণ করা হয়েছে।

সেন্টারের উদ্যানতত্ত্ববিদ মো. আব্দুল্লাহ আল মাসুম জানান, গাঁদা ফুলের বিভিন্ন জাত ও রঙ একসঙ্গে উপস্থাপন করতেই এই পাঁচ স্তরের কাঠামো নির্মাণ করা হয়েছে। পরিকল্পিত রঙ বিন্যাস ও পরিচর্যার মাধ্যমে একই স্থানে নান্দনিক সৌন্দর্য ও প্রদর্শনীমূলক চাষাবাদ সম্ভব হচ্ছে। তিনি আরও জানান, এটি সৌন্দর্যবর্ধনের পাশাপাশি বাণিজ্যিকভাবেও সম্ভাবনাময়; এখান থেকে প্রতি মাসে ফুল বিক্রি করে নিয়মিত আয় হচ্ছে।

পিরামিডের পাশাপাশি পুরো হর্টিকালচার সেন্টারজুড়েই বিভিন্ন মৌসুমি ও শোভাবর্ধক ফুলের বাগান গড়ে তোলা হয়েছে। সুশৃঙ্খল বেড বিন্যাস, সার ও সেচ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বাগানটিকে একটি প্রশিক্ষণ ও প্রদর্শনী কেন্দ্র হিসেবে উন্নত করা হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, মাটিরাঙ্গায় এ ধরনের পরিকল্পিত ও স্তরভিত্তিক ফুলের প্রদর্শনী আগে দেখা যায়নি। দর্শনার্থীদের মতে, এটি শুধু বিনোদনের মাধ্যম নয়, বরং নতুন প্রজন্মের জন্য উদ্যানচর্চা ও কৃষিভিত্তিক শিক্ষার একটি কার্যকর উদাহরণ।

সংশ্লিষ্টদের ধারণা, এমন উদ্যোগ স্থানীয় ফুলচাষিদের অনুপ্রাণিত করবে এবং স্বল্প জায়গায় নান্দনিক ও লাভজনক ফুলচাষের নতুন ধারণা ছড়িয়ে দিতে ভূমিকা রাখবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *