সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ০১:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে এমপি মাধবী মার্মার শোক ফারুয়ায় বন্যাকবলিত এলাকায় মেডিকেল টিমের চিকিৎসাসেবা, ১১০ রোগীকে সহায়তা বিলাইছড়িতে বন্যাকবলিত ফারুয়া ইউনিয়ন পরিদর্শনে ইউএনও, ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে চাল বিতরণ পাহাড়ি ঢলে রাজস্থলীতে পাঁচ গরুর মৃত্যু, প্রান্তিক খামারির প্রায় ৪ লাখ টাকার ক্ষতি বান্দরবানে বন্যাকবলিত ১৫ হাজার পরিবার পাবে খাদ্য সহায়তা: চেয়ারম্যান অধ্যাপক থানজামা লুসাই বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পানছড়ির সড়ক পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক-পুলিশ সুপার কাপ্তাইয়ে পাহাড়ধসে ক্ষতিগ্রস্ত ১৪০ পরিবারকে বিজিবির ত্রাণ সহায়তা রামগড়ে বন্যাদুর্গত পরিবারের মাঝে বিজিবির ত্রাণ বিতরণ থানচির একাধিক স্থানে ভূমিধস, সড়ক যোগাযোগ স্বাভাবিক রাখতে কাজ করছে সেনাবাহিনী মাটিরাঙ্গায় বন্যাদুর্গত ২৫০ পরিবারের মাঝে সেনা জোনের ত্রাণ বিতরণ বিলাইছড়িতে বন্যা দুর্গত ৫০ পরিবারকে সেনা জোনের ত্রাণ সহায়তা বিলাইছড়িতে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা কাপ্তাইয়ে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ পানছড়িতে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালিত, পরিকল্পিত পরিবার গঠনের আহ্বান পানছড়ি-খাগড়াছড়ি সড়কের একাংশ ধসে, পরিদর্শনে ইউএনও ইসলামপুরে বন্যা ও পাহাড় ধসে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে মাইজভান্ডারি গাউসিয়া হক কমিটির ত্রাণ বিতরণ

রমজানকে ঘিরে মাটিরাঙ্গায় ফলের বাজারে তরমুজের চাহিদা বাড়তি, লেবুর দামে স্বস্তি

মো. আবুল হাসেম, মাটিরাঙ্গা প্রতিনিধি।।

পবিত্র মাহে রমজান মাসকে কেন্দ্র করে খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা উপজেলায় ফলের বাজারে ক্রেতা-বিক্রেতাদের সরব উপস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ইফতারের অন্যতম অনুষঙ্গ হিসেবে তরমুজের চাহিদা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে কয়েকদিন আগের তুলনায় লেবুর দাম কমে আসায় সাধারণ ক্রেতাদের মাঝে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে।

মাটিরাঙ্গার বিভিন্ন বাজারে এখন তরমুজের আধিক্য চোখে পড়ছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, রমজান মাসে ইফতারে তরমুজের ব্যবহার বাড়ায় বাজারে চাহিদাও বেড়েছে। স্থানীয় ব্যবসায়ী দুলাল মিয়া জানান, তিনি কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি উপজেলার এলিটগঞ্জ এলাকা থেকে উন্নতমানের মিষ্টি তরমুজ সংগ্রহ করে মাটিরাঙ্গায় বিক্রি করছেন। আকারভেদে প্রতিটি তরমুজ ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

ব্যবসায়ীরা জানান, রমজানে নিজে খাওয়ার পাশাপাশি আত্মীয়-স্বজন ও পরিচিতজনদের কাছে তরমুজ পাঠানোর সামাজিক প্রবণতার কারণে বিক্রি তুলনামূলক ভালো হচ্ছে। তবে পাইকারি বাজারে উচ্চমূল্য, পরিবহন ব্যয় ও শ্রমিক মজুরি বৃদ্ধির প্রভাব খুচরা বাজারেও পড়েছে বলে তাদের দাবি।

রমজানের শুরুতে লেবুর দাম বেড়ে যাওয়ায় ক্রেতাদের মাঝে উদ্বেগ দেখা দিলেও বর্তমানে সরবরাহ বাড়ায় দাম কমেছে। আগে যেখানে প্রতি হালি লেবু ১২০ টাকায় বিক্রি হতো, বর্তমানে তা ৫০ থেকে ৬০ টাকায় নেমে এসেছে।

তবে লেবুর দামে স্বস্তি ফিরলেও শসা ও খিরার বাজার এখনও চড়া রয়েছে। বাজারে প্রতি কেজি শসা ৬০ টাকা এবং স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত খিরা ৭০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া মানভেদে প্রতি হালি কলা ৪০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।

স্থানীয় ক্রেতা আব্দুল করিম বলেন, সারাদিন রোজা রাখার পর ইফতারে ঠান্ডা তরমুজ শরীরের জন্য স্বস্তিদায়ক। দাম কিছুটা বেশি হলেও পরিবারের কথা বিবেচনায় কিনতে হচ্ছে। তবে লেবুর দাম কমায় মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো কিছুটা উপকৃত হয়েছে।

অন্যদিকে গৃহিণী জামিলা বেগম জানান, লেবুর দাম কমলেও শসা ও খিরার দাম না কমায় ইফতারের বাজেট সামলাতে কষ্ট হচ্ছে।

ফল বিক্রেতা মনির হোসেন বলেন, লেবুর সরবরাহ ভালো থাকায় দাম কমেছে। কিন্তু শসা ও খিরার সরবরাহ তুলনামূলক কম থাকায় দাম কমানো সম্ভব হচ্ছে না।

ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, রমজান মাসজুড়ে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলে ফলের বাজার স্থিতিশীল থাকবে এবং বেচাকেনা বর্তমান ধারায় অব্যাহত থাকবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *