সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মাটিরাঙ্গায় ১০ লাখ টাকার ভারতীয় জুসের চালান জব্দ করল সেনাবাহিনী আলীকদম সদর ইউপির প্রশাসনিক ও আর্থিক দায়িত্ব পেলেন কৃষি কর্মকর্তা সোহেল রানা সাঙ্গু নদীতে নৌকাডুবি: নিখোঁজ পর্যটকের মরদেহ দুই দিন পর উদ্ধার গুজব-অপপ্রচার ঠেকাতে সতর্ক থাকার আহ্বান মাটিরাঙ্গা জোন অধিনায়কের রাজস্থলীতে হেডম্যান-কারবারি ও জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে সেনাবাহিনীর মতবিনিময় পাহাড়ি ঢলে নিহত দুই পরিবারের পাশে উপজেলা প্রশাসন, দেওয়া হলো ৫০ হাজার টাকা সহায়তা লংগদুতে ৯ হাজার গাছের চারা বিতরণ, সেনাবাহিনীর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি রাঙ্গুনিয়ায় ৭ বছরের নাতনিকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে নানা গ্রেপ্তার ঈদগাঁওয়ে স্মার্ট কৃষি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম চলছে খাগড়াছড়ি থানার নতুন ভবন নির্মাণকাজের উদ্বোধন কাপ্তাইয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, জরিমানা ও পণ্যের নমুনা সংগ্রহ বিলাইছড়ির ফারুয়ায় বন্যাদুর্গত ২০০ পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ ঈদগাঁও উপজেলায় চলছে স্মার্ট কৃষি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম সম্ভাব্য ঝুঁকি বিবেচনায় নৌ পথে আগামী ৩০শে জুলাই পর্যন্ত চলাচল বন্ধ অতিবৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্তদের চিকিৎসাসেবা, বান্দরবানে রেড ক্রিসেন্টের মোবাইল মেডিকেল টিম বান্দরবানে বন্যাকবলিত ঋণগ্রহীতাদের কিস্তি আদায়ে তিন মাস স্থগিতের নির্দেশ

রমজানকে ঘিরে মাটিরাঙ্গায় ফলের বাজারে তরমুজের চাহিদা বাড়তি, লেবুর দামে স্বস্তি

মো. আবুল হাসেম, মাটিরাঙ্গা প্রতিনিধি।।

পবিত্র মাহে রমজান মাসকে কেন্দ্র করে খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা উপজেলায় ফলের বাজারে ক্রেতা-বিক্রেতাদের সরব উপস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ইফতারের অন্যতম অনুষঙ্গ হিসেবে তরমুজের চাহিদা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে কয়েকদিন আগের তুলনায় লেবুর দাম কমে আসায় সাধারণ ক্রেতাদের মাঝে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে।

মাটিরাঙ্গার বিভিন্ন বাজারে এখন তরমুজের আধিক্য চোখে পড়ছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, রমজান মাসে ইফতারে তরমুজের ব্যবহার বাড়ায় বাজারে চাহিদাও বেড়েছে। স্থানীয় ব্যবসায়ী দুলাল মিয়া জানান, তিনি কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি উপজেলার এলিটগঞ্জ এলাকা থেকে উন্নতমানের মিষ্টি তরমুজ সংগ্রহ করে মাটিরাঙ্গায় বিক্রি করছেন। আকারভেদে প্রতিটি তরমুজ ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

ব্যবসায়ীরা জানান, রমজানে নিজে খাওয়ার পাশাপাশি আত্মীয়-স্বজন ও পরিচিতজনদের কাছে তরমুজ পাঠানোর সামাজিক প্রবণতার কারণে বিক্রি তুলনামূলক ভালো হচ্ছে। তবে পাইকারি বাজারে উচ্চমূল্য, পরিবহন ব্যয় ও শ্রমিক মজুরি বৃদ্ধির প্রভাব খুচরা বাজারেও পড়েছে বলে তাদের দাবি।

রমজানের শুরুতে লেবুর দাম বেড়ে যাওয়ায় ক্রেতাদের মাঝে উদ্বেগ দেখা দিলেও বর্তমানে সরবরাহ বাড়ায় দাম কমেছে। আগে যেখানে প্রতি হালি লেবু ১২০ টাকায় বিক্রি হতো, বর্তমানে তা ৫০ থেকে ৬০ টাকায় নেমে এসেছে।

তবে লেবুর দামে স্বস্তি ফিরলেও শসা ও খিরার বাজার এখনও চড়া রয়েছে। বাজারে প্রতি কেজি শসা ৬০ টাকা এবং স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত খিরা ৭০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া মানভেদে প্রতি হালি কলা ৪০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।

স্থানীয় ক্রেতা আব্দুল করিম বলেন, সারাদিন রোজা রাখার পর ইফতারে ঠান্ডা তরমুজ শরীরের জন্য স্বস্তিদায়ক। দাম কিছুটা বেশি হলেও পরিবারের কথা বিবেচনায় কিনতে হচ্ছে। তবে লেবুর দাম কমায় মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো কিছুটা উপকৃত হয়েছে।

অন্যদিকে গৃহিণী জামিলা বেগম জানান, লেবুর দাম কমলেও শসা ও খিরার দাম না কমায় ইফতারের বাজেট সামলাতে কষ্ট হচ্ছে।

ফল বিক্রেতা মনির হোসেন বলেন, লেবুর সরবরাহ ভালো থাকায় দাম কমেছে। কিন্তু শসা ও খিরার সরবরাহ তুলনামূলক কম থাকায় দাম কমানো সম্ভব হচ্ছে না।

ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, রমজান মাসজুড়ে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলে ফলের বাজার স্থিতিশীল থাকবে এবং বেচাকেনা বর্তমান ধারায় অব্যাহত থাকবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *