
পবিত্র রমজান মাস শুরু হতে না হতেই দীঘিনালা বাজার-এ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। ইফতারের অন্যতম উপকরণ লেবু ও শসার দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে, যা সাধারণ ক্রেতাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। তবে মাছের বাজারে দাম তুলনামূলক স্থিতিশীল থাকায় কিছুটা স্বস্তি মিলছে।
সরেজমিনে বাজার ঘুরে দেখা গেছে, মাত্র এক সপ্তাহ আগেও যে লেবু ২০ টাকা হালিতে বিক্রি হতো, বর্তমানে মানভেদে তা ৭০ থেকে ৯০ টাকা হালিতে বিক্রি হচ্ছে। একইভাবে শসার দাম ৪০ টাকা থেকে বেড়ে ৮০ টাকা কেজিতে দাঁড়িয়েছে। প্রতিদিনের রান্নায় ব্যবহৃত কাঁচামরিচের দামও বেড়ে ১৬০ টাকা কেজি হয়েছে।
মাংসের বাজারেও অস্থিরতা লক্ষ্য করা গেছে। বর্তমানে বয়লার মুরগি কেজিপ্রতি ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা গত সপ্তাহের তুলনায় প্রায় ৫০ টাকা বেশি।
বাজারে লেবু কিনতে আসা এক ক্রেতা মাসুদ রানা বলেন, রমজান এলেই বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়। তাঁর মতে, আয় না বাড়লেও নিত্যপণ্যের দাম বাড়ায় সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়ছে।
অন্যদিকে মাছের বাজারে ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে। ব্যবসায়ীরা জানান, পুকুর ও হ্যাচারি থেকে পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় মাছের দাম আগের অবস্থাতেই রয়েছে। দাম সহনীয় থাকায় বিক্রিও ভালো হচ্ছে বলে জানান তারা।
রমজানের শুরুতে দীঘিনালা বাজারে বিভিন্ন পণ্যের দাম অনুযায়ী— লেবু ৮০-৯০ টাকা (হালি), শসা ৮০ টাকা (কেজি), কাঁচামরিচ ১৬০ টাকা (কেজি), বয়লার মুরগি ২০০ টাকা (কেজি), বেগুন ৩০ টাকা (কেজি), ফুলকপি ৪০ টাকা (কেজি), টমেটো ৩০ টাকা (কেজি), মুলা ৪০ টাকা (কেজি) এবং শিম ৪০ টাকা (কেজি)।
এ বিষয়ে ব্যবসায়ীরা বলছেন, রমজান উপলক্ষে চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় কিছু পণ্যের দাম বেড়েছে। তবে স্থানীয় ক্রেতাদের দাবি, প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাজার মনিটরিং জোরদার না করা হলে রোজা রেখে সাধারণ মানুষের জন্য বাজার করা আরও কষ্টসাধ্য হয়ে উঠবে।