সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ০১:০০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ফারুয়ায় বন্যাকবলিত এলাকায় মেডিকেল টিমের চিকিৎসাসেবা, ১১০ রোগীকে সহায়তা বিলাইছড়িতে বন্যাকবলিত ফারুয়া ইউনিয়ন পরিদর্শনে ইউএনও, ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে চাল বিতরণ পাহাড়ি ঢলে রাজস্থলীতে পাঁচ গরুর মৃত্যু, প্রান্তিক খামারির প্রায় ৪ লাখ টাকার ক্ষতি বান্দরবানে বন্যাকবলিত ১৫ হাজার পরিবার পাবে খাদ্য সহায়তা: চেয়ারম্যান অধ্যাপক থানজামা লুসাই বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পানছড়ির সড়ক পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক-পুলিশ সুপার কাপ্তাইয়ে পাহাড়ধসে ক্ষতিগ্রস্ত ১৪০ পরিবারকে বিজিবির ত্রাণ সহায়তা রামগড়ে বন্যাদুর্গত পরিবারের মাঝে বিজিবির ত্রাণ বিতরণ থানচির একাধিক স্থানে ভূমিধস, সড়ক যোগাযোগ স্বাভাবিক রাখতে কাজ করছে সেনাবাহিনী মাটিরাঙ্গায় বন্যাদুর্গত ২৫০ পরিবারের মাঝে সেনা জোনের ত্রাণ বিতরণ বিলাইছড়িতে বন্যা দুর্গত ৫০ পরিবারকে সেনা জোনের ত্রাণ সহায়তা বিলাইছড়িতে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা কাপ্তাইয়ে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ পানছড়িতে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালিত, পরিকল্পিত পরিবার গঠনের আহ্বান পানছড়ি-খাগড়াছড়ি সড়কের একাংশ ধসে, পরিদর্শনে ইউএনও ইসলামপুরে বন্যা ও পাহাড় ধসে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে মাইজভান্ডারি গাউসিয়া হক কমিটির ত্রাণ বিতরণ টেকনাফে ১০ হাজার ইয়াবাসহ সিএনজি চালক আটক

রাঙ্গামাটির কাপ্তাইয়ে স্বাস্থ্যসেবার মান বেড়েছে, সংকট রয়ে গেছে

এম বাবুল, কাপ্তাই প্রতিনিধি

রাঙ্গামাটির কাপ্তাই উপজেলার দুর্গম পাহাড়ি জনপদে ‘কাপ্তাই নতুন বাজার লকগেইট ১০ শয্যা হাসপাতাল’ স্থানীয়দের আস্থার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. এ.কে.এম. কামরুল হাসানের যোগদানের পর থেকে রোগীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, কাপ্তাই ছাড়াও পার্শ্ববর্তী উপজেলার অসংখ্য রোগী প্রতিদিন চিকিৎসা নিতে এখানে আসছেন। এক রোগী জানান, “আগে ডাক্তার পাওয়া যেত না, এখন বড় ডাক্তার নিয়মিত বসেন এবং খুব যতœ নিয়ে আমাদের কথা শোনেন।”

তবে, সেবার পরিধি বেড়ে গেলেও হাসপাতালটি এখনো তীব্র জনবল সংকট এবং চিকিৎসক-স্টাফদের আবাসন সমস্যার মুখোমুখি। প্রয়োজনীয় আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জামও এখানে সীমিত। ডা. কামরুল হাসান জানান, “গত দুই বছরে আমি ব্যক্তিগত খরচে রোগীদের বসার ব্যবস্থা ও পানির সংকট সমাধান করেছি, তবে সরকারিভাবে আধুনিক যন্ত্রপাতি সরবরাহ জরুরি।”

কাপ্তাই উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান মো. দিলদার হোসেন বলেন, “চিকিৎসায় গতি ফিরলেও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা ও জনবল সংকট বড় সমস্যা।”
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রুইহ্লা অং মারমা জানিয়েছেন, আবাসন সমস্যার বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং সংস্কারের জন্য চাহিদাপত্র পাঠানো হয়েছে।

স্থানীয়রা দাবি করেছেন, জনবল নিয়োগ, আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহ এবং চিকিৎসকদের জন্য নিরাপদ আবাসন নিশ্চিত হলে এই হাসপাতালটি অঞ্চলের দরিদ্র মানুষের জন্য আদর্শ স্বাস্থ্যকেন্দ্র হয়ে উঠবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *