সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ১২:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
থানচির একাধিক স্থানে ভূমিধস, সড়ক যোগাযোগ স্বাভাবিক রাখতে কাজ করছে সেনাবাহিনী মাটিরাঙ্গায় বন্যাদুর্গত ২৫০ পরিবারের মাঝে সেনা জোনের ত্রাণ বিতরণ বিলাইছড়িতে বন্যা দুর্গত ৫০ পরিবারকে সেনা জোনের ত্রাণ সহায়তা বিলাইছড়িতে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা কাপ্তাইয়ে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ পানছড়িতে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালিত, পরিকল্পিত পরিবার গঠনের আহ্বান পানছড়ি-খাগড়াছড়ি সড়কের একাংশ ধসে, পরিদর্শনে ইউএনও ইসলামপুরে বন্যা ও পাহাড় ধসে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে মাইজভান্ডারি গাউসিয়া হক কমিটির ত্রাণ বিতরণ টেকনাফে ১০ হাজার ইয়াবাসহ সিএনজি চালক আটক বান্দরবানে বন্যাদুর্গতদের পাশে জেলা বিএনপির সদস্য সচিব জাবেদ রেজা দুর্গম আলীকদমে বন্যাকবলিত মানুষের পাশে সেনাবাহিনী, বিতরণ ত্রাণসামগ্রী লামায় পাহাড় ধসে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে এমপি সাচিংপ্রু জেরি বান্দরবানে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, বিচ্ছিন্ন দুই সড়কের যোগাযোগ রাঙ্গুনিয়ায় কর্ণফুলী নদীতে নৌকা ডুবে তরুণ নিখোঁজ, চলছে উদ্ধার অভিযান নাইক্ষ্যংছড়িতে বর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত স্টিল ব্রিজ, জরুরি মেরামতে ১১ বিজিবি রামগড়ে পাহাড়ধস ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ১১৫ পরিবারে ত্রাণ বিতরণ

লামায় সংরক্ষিত বনাঞ্চলে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, বন বিভাগের ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা

মো. ইসমাইলুল করিম, লামা প্রতিনিধি

পার্বত্য জেলা বান্দরবানের লামা উপজেলায় বন বিভাগের আওতাধীন বমু সংরক্ষিত বনাঞ্চলে অবৈধ দখল ও স্থাপনার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে বন বিভাগ। এ লক্ষ্যে সোমবার (৫ জানুয়ারি) বমু বিট কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলতাফ হোসেন বনাঞ্চল রক্ষায় ‘জিরো টলারেন্স নীতি’ ঘোষণা করেন।

নীতির বাস্তব প্রয়োগের অংশ হিসেবে সকালে বমু সংরক্ষিত বনাঞ্চলের চুড়ইবিল এলাকায় সামাজিক বনায়নের আওতাধীন একটি স্থানে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন বিট কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলতাফ হোসেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে বনপ্রহরী দল উপস্থিত ছিলেন। কোনো প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই অভিযান সফলভাবে সম্পন্ন হয়।

উচ্ছেদ অভিযানের সময় স্থানীয় সামাজিক বনায়নের সভাপতি মোহাম্মদ রুহুল আমিন, সাধারণ সম্পাদক আবু বক্কর ছিদ্দিক, উপকারভোগী সদস্যবৃন্দ এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

বিট কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলতাফ হোসেন বলেন, *“সংরক্ষিত বনাঞ্চল রাষ্ট্রীয় সম্পদ। এই বনভূমি রক্ষা করা আমাদের আইনগত ও নৈতিক দায়িত্ব। ভবিষ্যতে সংরক্ষিত বনাঞ্চলে কোনো ধরনের অবৈধ স্থাপনা, দখল কিংবা বন উজাড়ের চেষ্টা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”*

তিনি আরও জানান, বন আইন ১৯২৭ অনুযায়ী সংরক্ষিত বনাঞ্চলে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ, দখল ও ভূমির অপব্যবহার শাস্তিযোগ্য অপরাধ। একই সঙ্গে সামাজিক বনায়ন বিধিমালা ২০০৪ (সংশোধিত) অনুযায়ী সামাজিক বনায়নের আওতাধীন জমি নির্ধারিত উদ্দেশ্য ছাড়া অন্য কোনো কাজে ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন, বনভূমি দখল ও অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে এ ধরনের উদ্যোগ পরিবেশ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। অভিযানের জন্য বন বিভাগের এ পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন বিভিন্ন সামাজিক ও মানবাধিকার সংগঠন এবং সাংবাদিক সমাজ।

স্থানীয়দের মতে, বন সংরক্ষণ কার্যক্রমকে টেকসই করতে নিয়মিত নজরদারি, কঠোর আইন প্রয়োগ এবং স্থানীয় জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা জরুরি। বমু সংরক্ষিত বনাঞ্চলে পরিচালিত এই উচ্ছেদ অভিযান সে লক্ষ্যে একটি উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে বলে তারা মন্তব্য করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *