শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ১২:৩২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
রাজস্থলীতে আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নেওয়া পরিবারের খাবার বিতরণ করেছেন ইউএনও আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রিত পরিবারের মাঝে ছাত্রদলের খাবার বিতরণ বন্যা দুর্গতদের মাঝে শুকনো খাবার বিতরণ করছে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি বান্দরবানের সব পর্যটনকেন্দ্র ১৫ জুলাই পর্যন্ত বন্ধ বন্যাকবলিত কুহালংয়ের দুর্গম এলাকায় ৫৩ পরিবারের মাঝে সেনাবাহিনীর ত্রাণ বিতরণ মহালছড়িতে বিভিন্ন গ্রামীন সড়ক ভেঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা বিঘ্নিত; জরুরী ব্যবস্থা গ্রহণের আকুতী স্থানীয় বাসিন্দারদের লামা-আলীকদম দুই উপজেলায় বিদ্যুৎ-নেটওয়ার্ক বিপর্যয়ে চরম দুর্ভোগে ঈদগাঁও-জালালাবাদের ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে মানবিক সহায়তা বিতরণ বরকলে ভারতে পাচারের সময় ২.১ টন ইউরিয়া সার জব্দ বন্যাকবলিত বাঘাইছড়িতে বিএনপি নেতাদের পরিদর্শন, দুর্গতদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ অতিবর্ষণে রাঙামাটিতে আশ্রয়কেন্দ্রে ৪ হাজারের বেশি মানুষ, পাহাড় ধস ৯৭ স্থানে সাজেক থেকে সেনাবাহিনী ও পুলিশের নিরাপত্তায় ফিরছেন ৪২১ পর্যটক কর্ণফুলী নদীতে ভেসে আসা অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার বান্দরবানে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন থেকে ১৪০ বন্যাদুর্গতকে নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে স্থানান্তর রাঙ্গুনিয়ায় থানা পরিদর্শনে চট্টগ্রাম এসপি, আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে কঠোর বার্তা ঈদগাঁওয়ে বন্যা ও পাহাড়ধসে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে বিভিন্ন ব্যক্তি-সংগঠনের ত্রাণ সহায়তা

অতিবর্ষণে রাঙামাটিতে আশ্রয়কেন্দ্রে ৪ হাজারের বেশি মানুষ, পাহাড় ধস ৯৭ স্থানে

Reporter Name

দেবদত্ত মুৎসুদ্দী , রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি।।
টানা অতিবর্ষণে রাঙামাটিতে পাহাড় ধস ও দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে খোলা ৩১টি আশ্রয়কেন্দ্রে এ পর্যন্ত ৪ হাজার ১৬৬ জন মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন।

শুক্রবার (১০ জুলাই) দুপুরে জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. সাইফুর রহমান স্বাক্ষরিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন বাঘাইছড়ি উপজেলার নিউ লাঙলয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আশ্রয়কেন্দ্রে। সেখানে ১ হাজার ১০০ জন অবস্থান করছেন। এছাড়া বাঘাইছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আশ্রয়কেন্দ্রে ৫২০ জন এবং করেঙ্গাতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আশ্রয়কেন্দ্রে ২৪০ জন আশ্রয় নিয়েছেন।

জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানরত সব মানুষকে নিয়মিত তিন বেলা খাবার দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি তাদের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবীরা কাজ করছেন।

এদিকে, অতিবর্ষণের কারণে জেলার বিভিন্ন এলাকায় পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেছে। জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত ৯৭টি স্থানে পাহাড় ধসের ঘটনা রেকর্ড করা হয়েছে। এর মধ্যে কাপ্তাই উপজেলায় সবচেয়ে বেশি ১৯টি স্থানে পাহাড় ধস হয়েছে। বাঘাইছড়ি ও কাউখালী উপজেলায় ১৩টি করে, রাঙামাটি সদর উপজেলায় ১০টি, বিলাইছড়িতে ৭টি এবং নানিয়ারচরে ২টি স্থানে পাহাড় ধসের খবর পাওয়া গেছে।

অন্যদিকে, রাঙামাটি সদর উপজেলার মগবান ইউনিয়নে নদী পারাপারের সময় নিখোঁজ হওয়া দলমনি চাকমার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার নদীতে ভেসে যাওয়ার পর বৃহস্পতিবার তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

দুর্যোগ পরিস্থিতি মোকাবিলায় আশ্রয়কেন্দ্রগুলোর কার্যক্রম নিয়মিত তদারকি করছেন রাঙামাটি জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী। তিনি আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন করে সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নিচ্ছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *