রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ০৩:১২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সেনাবাহিনীর উদ্যোগে দুর্গম এলাকায় বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা এবং ঔষধ বিতরণ বান্দরবান এলজিইডির বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন বাঘাইছড়িতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন লামায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন “সবুজে গড়বো আগামীর বাংলাদেশ” খাগড়াছড়িতে শুরু হলো বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি থানচিতে উদ্যোক্তা মেলা ও পিঠা উৎসব প্রধানমন্ত্রীর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি; পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন খাগড়াছড়ি সদর এলজিইডি’র আয়োজনে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি পালন সীমান্তে অপরাধ ও সন্ত্রাস দমনে পানছড়ি কেষ্টমনি পাড়ায় বিজিবি’র নতুন ক্যাম্প স্থাপন প্রধানমন্ত্রীকে দেখার জন্য ঈদগাঁওবাসী ছিলেন অধির অপেক্ষায় বান্দরবানের ক্রীড়াঙ্গনে নারী ক্রীড়াবিদদের মর্যাদা, নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিতকরণে এক কর্মশালা রাজস্থলীতে ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন নওমুসলিমদের নির্যাতনের অভিযোগে রাজস্থলীতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ পানছড়িতে ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির’ উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে বাঘাইছড়িতে ২৫ হাজার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন এডুকেশনাল এক্সিলেন্স সাপোর্ট স্কীম (EESS) এর আওতায় , সৌকেসিং প্রোগ্রাম

গুইমারার জালিয়াপাড়া বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে দুই দোকানসহ ব্যাপক ক্ষতি, ফায়ার স্টেশন না থাকায় ক্ষোভ

Reporter Name

দিদারুল হৃদয়, গুইমারা প্রতিনিধি।।
খাগড়াছড়ি জেলার গুইমারা উপজেলার জালিয়াপাড়া বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে একটি হোটেল ও একটি তেলের দোকানসহ অন্তত দুইটি দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। এতে আরও একটি ওষুধের দোকান ও পাশের একটি বসতবাড়ি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার (৩ জুন) রাত আনুমানিক ৩টা ৪৫ মিনিটের দিকে জালিয়াপাড়া বাজারে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। আগুনে আনোয়ার হোসেনের তেলের দোকান ও নাঈম হোটেল সম্পূর্ণভাবে ভস্মীভূত হয়। এতে প্রায় ৫০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

খবর পেয়ে স্থানীয়রা প্রথমে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। পরে মাটিরাঙ্গা ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় আধা ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

ফায়ার সার্ভিসের লিডার আবু বকর জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হতে পারে।

অন্যদিকে, সেনাবাহিনীর সিন্ধুকছড়ি জোনের মেজর শাইয়েন কাদেরের নেতৃত্বে সেনাসদস্যরাও আগুন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করেন।

এদিকে, গুইমারা উপজেলায় স্থায়ী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন না থাকায় বারবার অগ্নিকাণ্ডে বড় ধরনের ক্ষতির শিকার হচ্ছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

তারা দ্রুত গুইমারা উপজেলায় একটি পূর্ণাঙ্গ ফায়ার সার্ভিস স্টেশন স্থাপনের দাবি জানিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনায় ক্ষয়ক্ষতি কমানো সম্ভব হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *