শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:০৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রাঙ্গুনিয়ায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: ১০ দোকান ভস্মীভূত, লাখ টাকার ক্ষতি সাত বছর ধরে শূন্য মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার পদ, ব্যাহত রাজস্থলীর শিক্ষা কার্যক্রম লামাকে জেলা করার দাবিতে গোলটেবিল বৈঠক কাপ্তাইয়ের বিএফডিসি উপকেন্দ্র পরিদর্শনে বিএফডিসি চেয়ারম্যান -মীর হোসেন রাজস্থলীতে উপজেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত দীঘিনালায় বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শনে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মহালছড়ি সেনা জোন’র উদ্যোগে সচেতনতামূলক মহড়া ও অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থার উদ্বোধন রাজস্থলীতে ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা মাটিরাঙ্গায় বিএনপির ওয়ার্ড কমিটি নিয়ে প্রতিবাদ, পুনর্গঠনের দাবি রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদ আইনে বম জনগোষ্ঠীর নাম অন্তর্ভুক্তির দাবি পথে পথে ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত দীপন তালুকদার দিপু মাটিরাঙ্গায় আউশ মৌসুমে ব্রি ধান-৯৮ এর নমুনা শস্য কর্তন সম্পন্ন দুর্গম দুল্লাতলীতে সেনাবাহিনীর বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ বিতরণ ছড়ার পানিতে ডুবে বাঘাইছড়িতে শিশুর মৃত্যু ফারুয়া ইউনিয়নে ৫৮০ পরিবারের জন্য সৌরবিদ্যুৎচালিত সুপেয় পানি সরবরাহ ব্যবস্থা উদ্বোধন ১ লাখ ২০ হাজার টাকার লেনদেনের জের: বান্দরবানে চার মাসের শিশুকে নিয়ে পালানোর অভিযোগ

পানছড়িতে আনসার ও ভিডিপির কম্বল বিতরণ

আরিফুল ইসলাম মহিন, খাগড়াছড়ি

শীতের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পার্বত্য অঞ্চলের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে আনসার ও ভিডিপি। খাগড়াছড়ি জেলার পানছড়ি উপজেলার ১নং লোগাং ইউনিয়নে মঙ্গলবার (০৬ জানুয়ারি ২০২৬) সকালে অসহায়, এতিম, মাদ্রাসা শিক্ষার্থী ও শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।

সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে ১নং লোগাং ইউনিয়ন দলনেতা মোঃ জসিম উদ্দিনের নেতৃত্বে কম্বল বিতরণ করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন লোগাং আনসার ও ভিডিপি প্লাটুন কমান্ডার জমির উদ্দিন এবং লোগাং ৪নং প্লাটুনের ভিডিপি সদস্য মোহাম্মদ সামিনুল্লাহসহ সংশ্লিষ্ট সদস্যরা।

কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে শীতার্ত মানুষের হাতে কম্বল তুলে দিয়ে ইউনিয়ন দলনেতা মোঃ জসিম উদ্দিন বলেন,
“পাহাড়ি এলাকায় শীতের প্রকোপ তুলনামূলকভাবে বেশি। দরিদ্র ও অসহায় মানুষ যেন শীতে কষ্ট না পায়, সে লক্ষ্যেই আনসার ও ভিডিপি মানবিক দায়িত্ববোধ থেকে কাজ করে যাচ্ছে।”

তিনি আরও বলেন,
“শুধু অবকাঠামো উন্নয়ন নয়, মানুষের জীবনমান উন্নয়নই আমাদের মূল লক্ষ্য। ভবিষ্যতেও এ ধরনের সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।”

কম্বল পেয়ে উপকারভোগীরা সন্তোষ প্রকাশ করেন।
ইউনিয়নের এক উপকারভোগী জানান, “শীতে রাতে খুব কষ্ট হতো। এখন কম্বল পেয়ে কিছুটা স্বস্তি পাবো।”
আরেকজন বৃদ্ধ বলেন, “এই পাহাড়ে শীত অনেক বেশি। কম্বল ছাড়া টিকে থাকা কঠিন।”

কর্মসূচিতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সমাজকর্মী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। স্থানীয়দের মতে, দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় এ ধরনের শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম শীতার্ত মানুষের কষ্ট লাঘবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

উল্লেখ্য, শীত মৌসুমে পার্বত্য অঞ্চলের তাপমাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ায় দরিদ্র জনগোষ্ঠীর দুর্ভোগ বেড়ে যায়। এ মানবিক উদ্যোগ এলাকাবাসীর প্রশংসা কুড়িয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *