শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক কমিটি নিয়ে ইউপিডিএফের প্রতিক্রিয়া মাটিরাঙ্গায় অস্বাস্থ্যকর মিষ্টি বিক্রি: বনফুলকে ৪৫ হাজার টাকা জরিমানা পার্বত্য চট্টগ্রামে তিন কমিটি গঠন: সরকারকে পিসিএনপির অভিনন্দন ১৪ সেপ্টেম্বর ‘সুরের আঙিনায় গুরুপ্রণাম’ খাগড়াছড়িতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান রাজস্থলীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে তিন কমিটি গঠনে পিসিএনপির অভিনন্দন মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য বিক্রি, বাঘাইছড়িতে দুই দোকানিকে জরিমানা রাঙ্গুনিয়াতে বেতছড়ি একতা সমিতির সদস্যের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা পোয়ামুহুরীতে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে সুপেয় পানির প্রকল্প পানছড়িতে “ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান ২০২৬” এর উদ্বোধন পূজনীয় ভদন্ত সুমনালঙ্কার মহাথেরোর মহাপ্রয়াণে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রীর শোক জ্ঞাপন লংগদু জোনের তত্ত্বাবধানে দুর্গম ও সুবিধাবঞ্চিত অসুস্থ রোগীদের ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে প্রেরণ রাঙ্গামাটিতে এনসিপির ৪৯ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন আহ্বায়ক- প্রিয় চাকমা, সদস্য সচিব- শাহিদুল ইসলাম বেতছড়ি ক্যানসারে মৃত পরিবারের মাঝে ফুলতল জালালাবাদ ও প্রবাসী সংগঠনের খাদ্যসামগ্রী বিতরণ ঢাকা থেকে রাঙ্গামাটিতে ঘুরতে এসে হারিয়ে যাওয়া আইফোন মাত্র ১০ ঘণ্টায় উদ্ধার করে ফেরত দিলো ১৮ এপিবিএন,রাঙ্গামাটি সাইবার ক্রাইম সেল

পোয়ামুহুরীতে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে সুপেয় পানির প্রকল্প

Reporter Name

মো. জয়নাল আবেদীন, আলীকদম প্রতিনিধি।।
বান্দরবানের আলীকদম উপজেলার দুর্গম কুরুকপাতা ইউনিয়নের পোয়ামুহুরী এলাকায় সুপেয় পানির সংকট নিরসনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আলীকদম জোনের উদ্যোগে একটি পানির প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

সম্প্রতি প্রকল্পটির উদ্বোধন করেন আলীকদম জোন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফরহাদুর রহমান। এ সময় সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আবুল কালাম, ৪ নম্বর কুরুকপাতা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ক্রাতপুং ম্রো, সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, পোয়ামুহুরী দুর্গম পাহাড়ি এলাকা হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে সেখানে নিরাপদ ও সুপেয় পানির সংকট ছিল। বিশেষ করে শুষ্ক মৌসুমে পানির জন্য স্থানীয়দের দূরবর্তী স্থানে যেতে হতো। এতে নারী, শিশু ও বয়স্কদের দুর্ভোগ বেশি হতো।

নতুন প্রকল্পটি চালু হওয়ায় এলাকার পানির সংকট কিছুটা কমবে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা। তারা জানান, দুর্গম এলাকায় সুপেয় পানির সুবিধা নিশ্চিত হওয়ায় দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, দুর্গম পাহাড়ি এলাকার মানুষের প্রয়োজন বিবেচনায় নিয়ে ভবিষ্যতেও নিরাপদ পানি ও অন্যান্য মৌলিক সেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *