শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:০২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মাটিরাঙ্গায় শ্রীকৃষ্ণের শুভ জন্মাষ্টমী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা দীঘিনালায় জন্মাষ্টমী উদযাপনে সেনাবাহিনী, দেওয়া হলো সম্প্রীতির বার্তা ৬ দিন পর দৃশ্যমান রাঙ্গামাটির ঝুলন্ত সেতু পানছড়িতে ‘ওয়াদুদ গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট’ উদ্বোধন খাগড়াছড়িতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে জন্মাষ্টমী ও মঙ্গল শোভাযাত্রা রাজস্থলীর ইসলামপুরে ১৫০ গ্রাম গাঁজাসহ কুখ্যাত গাঁজা ব্যবসায়ী আটক রাঙ্গুনিয়ায় মসজিদের দানবাক্স চুরি, জেল থেকে বের হয়েই ফের গ্রেপ্তার দীঘিনালায় শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে মঙ্গল শোভাযাত্রা বান্দরবানে ৩০ হাজার ইয়াবাসহ বিলাসবহুল গাড়ি আটক, গ্রেপ্তার ১ মহালছড়িতে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে মঙ্গল শোভাযাত্রা দীঘিনালায় পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষ্যে মঙ্গল শোভাযাত্রা পার্বত্য চট্টগ্রামে বাঙালিদের আয়কর মওকুফ ও ব্যাংক ঋণ চালুর দাবি বাঘাইছড়িতে ২০ পিস ইয়াবাসহ একজন আটক নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে ৪৪০১ কেজি সার জব্দ ‘তারেক রহমান যেন আরেকটি হাসিনা না হন’: লামায় মামুনুল হক বাঘাইছড়িতে কাচালং নদীতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

ফাইতং খালে সেতুর অভাবে চরম দুর্ভোগ, ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করছে হাজারো মানুষ

Reporter Name

মো. ইসমাইলুল করিম, লামা প্রতিনিধি।।
বান্দরবানের লামা উপজেলার ফাইতং ইউনিয়নের খোজ্যাখোলা এলাকার ৯ নম্বর ওয়ার্ডে একটি সেতুর অভাবে দীর্ঘদিন ধরে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বর্ষা মৌসুমে পাহাড়ি ঢলে খালের পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করতে হচ্ছে হাজারো মানুষকে। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণ করা হলে এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান হবে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফাইতং খালের দুই পাশে প্রায় এক হাজারের বেশি পরিবারের বসবাস। খালের ওপর কোনো স্থায়ী সেতু না থাকায় প্রতিদিন কর্মস্থল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বাজার ও বিভিন্ন প্রয়োজনীয় কাজে যাতায়াতের জন্য স্থানীয়দের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। বিশেষ করে বর্ষাকালে খালের পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় পারাপার আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। এ সময় তিন চাকার যানবাহনসহ অন্যান্য যান পারাপারে একাধিক ব্যক্তির সহযোগিতা প্রয়োজন হয়।

ভুক্তভোগীরা জানান, এলাকায় কোনো বিদ্যালয় না থাকায় শিশু-কিশোরদের পড়াশোনার জন্য খাল পেরিয়ে অন্য এলাকায় যেতে হয়। বর্ষাকালে খালের পানি ও স্রোত বেড়ে যাওয়ায় অনেক শিক্ষার্থী নিয়মিত বিদ্যালয়ে যেতে পারে না। ফলে তাদের শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হয়।

এ ছাড়া জরুরি চিকিৎসাসেবার ক্ষেত্রেও সেতুর অভাব বড় প্রতিবন্ধকতা হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্থানীয়দের ভাষ্য, রাতে বা প্রতিকূল আবহাওয়ায় কোনো রোগী অসুস্থ হলে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। এতে রোগী ও স্বজনদের চরম দুর্ভোগের মুখে পড়তে হয়।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, নিজেদের উদ্যোগে কয়েকবার বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হলেও বর্ষার প্রবল স্রোতে সেগুলো টেকেনি। ফলে বর্ষা মৌসুমে খালের দুই পাশের কয়েকটি গ্রাম কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।

এ বিষয়ে স্থানীয়রা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত ফাইতং খালের ওপর একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, সেতু নির্মিত হলে শিক্ষা, চিকিৎসা, যোগাযোগ ও স্থানীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে এবং দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান ঘটবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *