বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১২:২৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
তারেক রহমান’র সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত; দীপেন দেওয়ান রাঙ্গামাটিতে রেট্রোফিটিং পদ্ধতিতে সেতু সংস্কার; সাশ্রয় হলো ৮০ কোটির কাজ ১ কোটি ৮০ লাখে সামাজিক প্রতিরোধই সহিংসতা রোধের সবচেয়ে বড় শক্তি”- খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক মো. আনোয়ার সাদাত লামায় সেনাবাহিনী অভিযানে অবৈধ বালু উত্তোলনে সরঞ্জাম জব্দ ২রা জুলাই থেকে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা; রাঙ্গুনিয়ায় কেন্দ্র ৩টি, পরীক্ষার্থী ২ হাজার ১৮১ জন,  ঈদগাঁওতে মাদক ও জুয়ার আসর থেকে জুয়েল মেম্বারসহ ৬ জন আটক নাইক্ষ্যংছড়িতে নানা কর্মসূচি শেষে লামায় সাচিংগ্রু জেরী এমপি বান্দরবানে দায়িত্ব অবহেলা বিভিন্ন অনিয়ের অভিযোগে ৭গ্রাম লিডারকে অব্যাহতি দীঘিনালায় ২০ পিস ইয়াবাসহ আটক তিন বান্দরবান সদর হাসপাতালে প্রায় ৪ কোটি টাকার টেন্ডার নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ ফাইতং খালে সেতুর অভাবে চরম দুর্ভোগ, ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করছে হাজারো মানুষ দীঘিনালা জোন কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট; ট্রাইব্রেকারে কবাখালীকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন বোয়ালখালী নাইক্ষ্যংছড়িতে আসছেন রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরী এমপি রাজস্থলী সরকারি কলেজে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের মাঝে চারা বিতরণ ও চারা রোপন বিলাইছড়ি উপজেলায় নবাগত ইউএনও মোঃ জাকির হোসেন এর যোগদান বাঘাইছড়িতে ৭০০ কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে আমন ধানের বীজ ও সার বিতরণ

ফাইতং খালে সেতুর অভাবে চরম দুর্ভোগ, ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করছে হাজারো মানুষ

Reporter Name

মো. ইসমাইলুল করিম, লামা প্রতিনিধি।।
বান্দরবানের লামা উপজেলার ফাইতং ইউনিয়নের খোজ্যাখোলা এলাকার ৯ নম্বর ওয়ার্ডে একটি সেতুর অভাবে দীর্ঘদিন ধরে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বর্ষা মৌসুমে পাহাড়ি ঢলে খালের পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করতে হচ্ছে হাজারো মানুষকে। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণ করা হলে এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান হবে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফাইতং খালের দুই পাশে প্রায় এক হাজারের বেশি পরিবারের বসবাস। খালের ওপর কোনো স্থায়ী সেতু না থাকায় প্রতিদিন কর্মস্থল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বাজার ও বিভিন্ন প্রয়োজনীয় কাজে যাতায়াতের জন্য স্থানীয়দের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। বিশেষ করে বর্ষাকালে খালের পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় পারাপার আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। এ সময় তিন চাকার যানবাহনসহ অন্যান্য যান পারাপারে একাধিক ব্যক্তির সহযোগিতা প্রয়োজন হয়।

ভুক্তভোগীরা জানান, এলাকায় কোনো বিদ্যালয় না থাকায় শিশু-কিশোরদের পড়াশোনার জন্য খাল পেরিয়ে অন্য এলাকায় যেতে হয়। বর্ষাকালে খালের পানি ও স্রোত বেড়ে যাওয়ায় অনেক শিক্ষার্থী নিয়মিত বিদ্যালয়ে যেতে পারে না। ফলে তাদের শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হয়।

এ ছাড়া জরুরি চিকিৎসাসেবার ক্ষেত্রেও সেতুর অভাব বড় প্রতিবন্ধকতা হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্থানীয়দের ভাষ্য, রাতে বা প্রতিকূল আবহাওয়ায় কোনো রোগী অসুস্থ হলে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। এতে রোগী ও স্বজনদের চরম দুর্ভোগের মুখে পড়তে হয়।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, নিজেদের উদ্যোগে কয়েকবার বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হলেও বর্ষার প্রবল স্রোতে সেগুলো টেকেনি। ফলে বর্ষা মৌসুমে খালের দুই পাশের কয়েকটি গ্রাম কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।

এ বিষয়ে স্থানীয়রা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত ফাইতং খালের ওপর একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, সেতু নির্মিত হলে শিক্ষা, চিকিৎসা, যোগাযোগ ও স্থানীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে এবং দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান ঘটবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *