
বশির আহমেদ, বান্দরবান প্রতিনিধি।।
বান্দরবানে রাবার বাগান ব্যবস্থাপনা নিয়ে স্থানীয় কিছু ব্যক্তি ও উপকারভোগীদের আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের নাম উল্লেখ করে উত্থাপিত অভিযোগের প্রতিবাদ জানিয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড।
মঙ্গলবার (তারিখ উল্লেখযোগ্য হলে সংযুক্ত করা যাবে) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বোর্ডের জনসংযোগ কর্মকর্তা (প্রতিকল্প) কাইংওয়াই ম্রো জানান, “পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের বান্দরবান রাবার ব্যবস্থাপনা ইউনিট-২” পরিচয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনের বিষয়টি বোর্ডের নজরে এসেছে। তবে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের অধীনে “বান্দরবান ব্যবস্থাপনা ইউনিট-২” নামে কোনো প্রতিষ্ঠান নেই।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সংবাদ সম্মেলনে জেনারেল ম্যানেজার হিসেবে উল্লেখ করা পিন্টু চাকমা এবং ওভারসিয়ার হিসেবে উল্লেখ করা খন্দমনি চাকমার সঙ্গে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের কোনো সাংগঠনিক বা প্রশাসনিক সংশ্লিষ্টতা নেই। এ অবস্থায় বোর্ডকে সম্পৃক্ত করে সংবাদ সম্মেলনে যে বক্তব্য উপস্থাপন করা হয়েছে, তা অনাকাঙ্ক্ষিত, অনভিপ্রেত ও বিভ্রান্তিকর বলে দাবি করেছে সংস্থাটি। একই সঙ্গে এসব বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।
বোর্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বিষয়টি সম্পর্কে বান্দরবান জেলার সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তর ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তাদেরও লিখিতভাবে অবহিত করা হয়েছে।
এর আগে একই দিন সকাল ১১টার দিকে বান্দরবান প্রেসক্লাবের সম্মেলন কক্ষে কুহালং ইউনিয়নের কিবুকপাড়া এলাকার কয়েকজন উপকারভোগী চাষী, ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য ও গ্রাম লিডারদের ব্যানারে একটি সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন পাড়া লিডার চাইং শৈ মং, গ্রাম লিডার পাই সা থোয়াই, এলাকাবাসী ক্য সানু, থুই চং প্রুসহ স্থানীয় আরও কয়েকজন।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা অভিযোগ করেন, রাবার বাগান ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকা বলে পরিচয় দেওয়া কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে উপকারভোগী চাষীদের হয়রানি, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং বিভিন্ন অনিয়মের ঘটনা ঘটছে। এসব অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তারা।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড বলেছে, সংবাদ সম্মেলনে যাদের বোর্ডের কর্মকর্তা হিসেবে পরিচয় দেওয়া হয়েছে, তারা বোর্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন এবং বোর্ডের নামে উত্থাপিত অভিযোগের দায়ও সংস্থাটি বহন করে না।