
বশির আহমেদ, বান্দরবান জেলা প্রতিনিধি
বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের অর্থায়নে বিগত দিনগুলোতে ব্যাপক উন্নয়নমূলক কাজ সম্পন্ন হয়েছে। বিশেষ করে বর্তমান চেয়ারম্যান অধ্যাপক থানজামা লুসাইয়ের মেয়াদে যে পরিমাণ দৃশ্যমান ও জনকল্যাণমুখী উন্নয়ন হয়েছে, তা বিগত সময়ে কোনো সরকারের আমলেই দেখা যায়নি বলে মনে করছেন স্থানীয় সাধারণ মানুষ। দুর্গম পাহাড়ের উন্নয়ন থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের সেবাপ্রাপ্তি সবক্ষেত্রেই তিনি এক অনন্য নজির স্থাপন করেছেন।
স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, বিগত দিনে জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যানদের সাথে দেখা করতে সাধারণ মানুষের মাসের পর মাস অপেক্ষা করতে হতো। আমলাতান্ত্রিক জটিলতা আর দীর্ঘসূত্রতার কারণে সাধারণ মানুষ তাদের অভাব-অভিযোগের কথা পৌঁছাতে পারতেন না। তবে বর্তমান চেয়ারম্যান অধ্যাপক থানজামা লুসাই দায়িত্ব নেয়ার পর সেই চিত্র সম্পূর্ণ বদলে গেছে। তিনি সর্বস্তরের মানুষের জন্য তার দপ্তরের দরজা উন্মুক্ত করে দিয়েছেন। যেকোনো সাধারণ মানুষ এখন সহজেই তার সাথে দেখা করে নিজেদের সমস্যার কথা জানাতে পারছেন।
অধ্যাপক থানজামা লুসাইয়ের সময়কালে পার্বত্য অঞ্চলের প্রত্যন্ত ও দুর্গম পাহাড়ি গ্রামগুলোতে যোগাযোগ ব্যবস্থার ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। তৈরি হয়েছে নতুন নতুন রাস্তাঘাট, যার ফলে দুর্গম অঞ্চলের মানুষ সহজেই জেলা শহরের সাথে যোগাযোগ করতে পারছেন। যোগাযোগের পাশাপাশি শিক্ষা খাতের উন্নয়নেও তিনি বিশেষ নজর দিয়েছেন। দুর্গম এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর সংস্কার ও মানোন্নয়নে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে বড় ধরনের বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীরা যেন অর্থের অভাবে ঝরে না পড়ে, সেজন্য ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগে তাদের পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।
বান্দরবানের অসহায়, দুস্থ ও পিছিয়ে পড়া মানুষের কল্যাণে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সামর্থ্য অনুযায়ী পাশে দাঁড়িয়েছেন অধ্যাপক থানজামা লুসাই। চিকিৎসা, শীতবস্ত্র বিতরণ এবং জরুরি দুর্যোগকালীন সময়ে তার মানবিক উদ্যোগগুলো সর্বমহলে প্রশংসিত হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, বিগত দিনের কোনো চেয়ারম্যান সাধারণ মানুষের এত কাছাকাছি এসে এভাবে পাশে দাঁড়াতে পারেননি।
অধ্যাপক থানজামা লুসাইয়ের এই অভূতপূর্ব উন্নয়ন এবং তুমুল জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে কিছু অসাধু ও স্বার্থান্বেষী মহল সক্রিয় হয়ে উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, বর্তমান চেয়ারম্যানের পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে এবং তার সফলতাগুলোকে আড়াল করতে ওই অসাধু চক্রটি বিভিন্নভাবে তাকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করছে।