মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৪১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নতুন দায়িত্ব পেয়েই দীঘিনালায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ সদস্যবৃন্দরা ঈদগাঁওতে মাদকের সরঞ্জামসহ ১২ মাদকসেবী আটক ঈদগাঁওতে অবৈধ টমটম, অটোরিক্সা ও মোটর সাইকেলের বিরুদ্ধে একশন শুরু রাঙ্গুনিয়ায় পুলিশের উদ্যোগে মাদকবিরোধী র্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত বিলাইছড়ি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত বান্দরবান জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের দায়িত্ব গ্রহণ পানছড়িতে বিজিবির উদ্যোগে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সামগ্রী বিতরণ, অসহায়কে চিকিৎসা সহায়তা লামায় ৫০ শয্যার হাসপাতালে ভর্তি ৯২ রোগী, বন্ধ অ্যাম্বুলেন্স সেবা আকস্মিক বন্যায় দীঘিনালায় ২৫ ঘর বিধ্বস্ত, ঝুঁকিতে অর্ধশতাধিক। বিলাইছড়িতে লেপ্রসি মিশনের উদ্যোগে কুষ্ঠ রোগবিষয়ক কর্মশালা নানিয়ারচরে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত লক্ষ্মীছড়িতে অসহায় নারীর ঘর মেরামতে জোনের সহায়তা রূপনা চাকমার গ্রামসহ নানিয়ারচরে তিন উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন মাম্যাচিংকে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান করায় বান্দরবানে বিএনপির আনন্দ মিছিল লামায় সেতুর অভাবে ঝুঁকিতে ১২ গ্রামের মানুষ, দুর্ভোগে শিক্ষার্থীরা বাঘাইহাটে যুবকদের কম্পিউটার ও মোবাইল সার্ভিসিং প্রশিক্ষণ

সঠিক সময়ে কাপ্তাই হ্রদের পানি না কমায় বিপাকে পড়েছে নিম্ন আয়ের ১৩হাজার কৃষক

মো.গোলামুর রহমান, লংগদু 

মো.গোলামুর রহমান, লংগদু

সঠিক সময়ে রাঙ্গামাটি জেলার কাপ্তাই হ্রদের পানি না কমায় বিপাকে পড়েছে নিম্ন আয়ের হাজারো কৃষক। জলে ভাসা কৃষি জমি গুলো পানিতে ডুবে থাকায় যথা সময়ে বোরো ধানের আবাদ করতে না পেরে হতাশ লংগদু উপজেলার প্রায় ১৩ হাজারের অধিক কৃষক।

 

সরেজমিনে লংগদু উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, যে সকল জায়গায় পৌষ মাসে জলে ভাসা জমিন গুলোতে বোরো ধানের আবাদ শুরু হতো, ঐসব জমিতে এখনো ভরপুর পানি ঢেউ খেলছে। এতে করে আগামী বছর খাদ্য সংকটে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছ অত্র উপজেলার হাজারো পরিবারের।

 

লেকের ভাসমান জমিতে চাষ করা কৃষক আবুল হোসেন, আব্দুর রহিম, জাফর সহ অনেকেই বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে এসব জমিতে ধান সহ মৌসুমি চাষাবাদ করে আসছি আমরা। কিন্তু এবছর পানি না কমিয়ে কাপ্তাই বাঁধ বন্ধ করে রেখেছে সরকার, এতে করে আমার মত হাজারো কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

 

উপজেলার ভাসান্যদম, বগাচতর,গুলশাখালী কালাপাকুজ্জা, লংগদু সদর ইউনিয়ন, মাইনী ইউনিয়নের জলে ভাসা জমিন চাষীরা ইতিমধ্য ধানের বীজ রোপন করেছে। আগামী  ১৫ দিনের মধ্যে পুরো পানি কমে না গেলে চাষাবাদ করতে পারবেনা বলে জানান তারা।

 

লংগদু উপজেলা কৃষি অফিসের উদ্যান তত্ত্ববিদ রতন কার চৌধুরি বলেন, লংহদু উপজেলা ৮ হাজর হেক্টর কৃষি জমি রয়েছে। তার মধ্যে সাড়ে ৬হাজার হেক্টর কৃষি জমি জলে ভাসা। এখানে প্রায় সাড়ে ১৩ হাজারের অধিক কৃষক রয়েছে। এবছর যে হারে পানি কমছে এতে করে সঠিক সময়ে  মৌসুমি ধান বা অন্যান্য ফসল করতে পারবেনা কৃষকরা। তাই এমাসের মধ্যে পানি কমালে কৃষকরা বাঁচবে।

 

এবিষয়ে লংগদু উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাহাঙ্গীর হোসাইন জানান, কৃষকদের কথা চিন্তা করে আমরা উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ হতে জেলা প্রশাসককে জনাবো, যাতে কৃষকদের কথা চিন্তা করে দ্রুত সময়ে কাপ্তাই বাঁধ দিয়ে পানি ছেড়ে দেওয়া হয়।

 

এই বিষয়ে পিডিপি’র ব্যবস্থাপক মাহমুদ হাসান এর সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা হলে তিনি জানান, গত কিছুদিন আগে একটি মিটিং হয়েছিলো,আগামী নির্বাচন পর্যন্ত পানি না কমানোর জন্য প্রস্তাব করা হয়েছে। কৃষি জমি তলিয়ে থাকলে কৃষকরা খাদ্য সংকটে পড়বে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, আসলে আমাদের লেভেলে পানি রাখার কথা তার চাইতে আরো পাঁচ ফিট পানি কম আছে।  হয়তো যারা জমি চাষ করছে লেকে চলেগেছেন।  তবে পানি কমানো বা  বাঁধের পানি ছেড়ে দেওয়ার কোন কথা তিনি জানায়নি।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *