মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
লামায় ৫ ইটভাটা মালিককে আসামী করে থানায় মামলা সেনাবাহিনীর উদ্যোগে ছানি অপারেশনের জন্য চট্টগ্রামে গেলেন ৮৪ রোগী মাদকদ্রব্য সেবন ও এলাকার শৃঙ্খলা নষ্টের দায়ে নারীসহ দুজনকে জেল জরিমানা কাপ্তাই জাতীয় উদ্যানে অজগর অবমুক্ত বাঘাইছড়িতে জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান ও সদস্যকে বিএনপির বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা লামায় দোকানে গাঁজা বিক্রির দায়ে ৬ মাসের কারাদণ্ড মাটিরাঙ্গায় ক্ষতিকর পোকা শনাক্তে আলোক ফাঁদ স্থাপন পার্বত্য অঞ্চলের কৃষ্টি, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য বিকাশে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের পূর্ণাঙ্গ সহযোগিতা কামনা পার্বত্য মন্ত্রীর বাঘাইছড়িতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে কাচালং বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক বিভিন্ন কমিটি গঠন করায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে বাংলাদেশ মারমা ঐক্য পরিষদের সংবাদ সম্মেলন লক্ষীছড়িতে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে প্রসবকালীন মায়েদের প্রাথমিক চিকিৎসাসেবা প্রদানে প্রশিক্ষণ শুরু মহালছড়ি থানা পুলিশের অভিযানে গাঁজা সহ আটক ১ পাহাড়ি-বাঙ্গালি তরুণদের দক্ষতা উন্নয়নে নানিয়ারচর জোনের মোবাইল সার্ভিসিং প্রশিক্ষণ মহালছড়ি জোনের উদ্যোগে ১৫ দিনব্যাপী মোবাইল রিপেয়ারিং প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠিত শ্রেষ্ঠ সাজা ওয়ারেন্ট তামিলকারী অফিসার কাপ্তাই থানার এএসআই নাসিরউদ্দীন লক্ষ্মীছড়িতে গর্ভবতী মায়েদের স্বাস্থ্যবিধি ও নিরাপদ প্রসববিষয়ক প্রশিক্ষণ

মাটিরাঙ্গায় ক্ষতিকর পোকা শনাক্তে আলোক ফাঁদ স্থাপন

Reporter Name

মো. আবুল হাসেম, মাটিরাঙ্গা প্রতিনিধি।।
খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় আমন ধানসহ বিভিন্ন ফসলের ক্ষতিকর পোকামাকড় শনাক্ত ও দমন ব্যবস্থাপনা জোরদার করতে আলোক ফাঁদ স্থাপন কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাতে মাটিরাঙ্গা পৌরসভা ও গোমতি ব্লকে আলোক ফাঁদ স্থাপন করা হয়। পর্যায়ক্রমে উপজেলার সবগুলো ব্লকে একযোগে এ আলোক ফাঁদ স্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছে উপজেলা কৃষি অফিস।
স্থাপিত আলোক ফাঁদে ইতোমধ্যে সবুজ পাতা ফড়িং, সাদা পিঠ গাছফড়িং, আঁকাবাঁকা গাছফড়িংসহ বিভিন্ন ক্ষতিকর পোকার মথ ধরা পড়েছে। পাশাপাশি কিছু উপকারী বোলতাও পাওয়া গেছে। এর মাধ্যমে ধানক্ষেতে ক্ষতিকর ও উপকারী পোকামাকড়ের উপস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
মাটিরাঙ্গা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. শাহাবুদ্দিন আহমেদ, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. সেলিম রানা এবং উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা মো. ইউনুছ নূর আলোক ফাঁদ স্থাপন কার্যক্রম পরিদর্শন ও পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময়, সংশ্লিষ্ট ব্লকের কৃষকগন উপস্থিত ছিলেন।
মাটিরাঙ্গা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. শাহাবুদ্দিন আহমেদ বলেন, আলোক ফাঁদের মাধ্যমে ক্ষতিকর পোকামাকড়ের উপস্থিতি ও আক্রমণের মাত্রা সহজে শনাক্ত করা যায়। এতে প্রয়োজন অনুযায়ী সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ফসল রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *