
বশির আহাম্মদ, বান্দরবান জেলা প্রতিনিধি
বান্দরবান জেলার লামায় ৫ ইটভাটা মালিকের বিরুদ্ধে থানায় মামলা। বান্দরবান পরিবেশ অধিদপ্তর কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক নুর হাসান সজীব। গতকাল সোমবার ১৪ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় এক প্রেস রিলিজের মাধ্যমে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
লামা থানার মামলা নং- ১১, ১২, ১৩, ১৪ ও ১৫, তারিখ- ১৪/০৯/২০২৬খ্রি. মুলে মামলার অভিযুক্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নাম ও ঠিকানা যথাক্রমে; মুজিবুল কবির চৌধুরী গং, মেসার্স ইউ.বি.এন ব্রিকস (U.B.N), সাং- পাগলী পাড়া, মানিকপুর রোড, ফাইতং, লামা, বান্দরবান পার্বত্য জেলা। দীপন দত্ত গং, মেসার্স এন. আর.বি ব্রিকস্ (NRB), সাং- টাইরছড়া, মানিকপুর রোড, ফাইতং, লামা, বান্দরবান পার্বত্য জেলা
মহিউদ্দিন গং, ওয়াই,এস,বি ব্রিকস্ (YSB), সাং- পাগলী পাড়া, ০৯ নং ওয়ার্ড, ৩০৬ নং ফাইতং ইউনিয়ন, মানিকপুর, লামা, বান্দরবান পার্বত্য জেলা। মাষ্টার মোঃ খাইর উদ্দিন, ফোর বিএম ব্রিকস ম্যানুফ্যাকচার্স (4BM), সাং- পাগলীরপাড়া, মানিকপুর রোড, ৩০৬ নং ফাইতং, লামা বান্দরবান পার্বত্য জেলা ও নুরুল আমিন গং, বি.এম. ডব্লিউ ব্রিকস (BMW), সাং- ফাদুরছড়া (মানিকপুর), ফাইতং, লামা, বান্দরবান পার্বত্য জেলা।বান্দরবান পরিবেশ অধিদপ্তর কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক নুর হাসান সজীব কর্তৃক স্বাক্ষরিত প্রেস রিলিজে উল্লেখ করা হয়;
‘পরিবেশ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম অঞ্চল কার্যালয়ের গত ১০/০৯/২০২৬ খ্রি. তারিখের আদেশের প্রেক্ষিতে পরিবেশ অধিদপ্তর বান্দরবান পার্বত্য জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক জনাব মোহাম্মদ নুর উদ্দিন বাদী হয়ে অবৈধভাবে ইটভাটা পরিচালনা ও পাহাড় কর্তনের মাধ্যমে পরিবেশ ও প্রতিবেশের ক্ষতিসাধন করে বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০) এর ৬(খ) ও ১২ ধারা এবং ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রন) আইন, ২০১৩ (সংশোধিত ২০১৯) এর ৪ ও ৮(৩)(গ) ধারা লংঘন করায় উল্লেখিত ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অদ্য ১৪/০৯/২০২৬ খ্রি. তারিখে লামা থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের করেন।
পরিবেশ ও প্রতিবেশ সুরক্ষায় এ ধরণের কার্যক্রম চলমান থাকবে বলেও উল্লেখ করা হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের আর্থিক সুবিধায় সন্তুষ্ট রেখে এসব অবৈধ ইটভাটা নিয়মিত পরিচালনা করা হচ্ছে। জরিমানা না হওয়া এবং প্রশাসনের শিথিলতার কারণে দিন দিন পাহাড়ি বনাঞ্চল ও এলাকার জনস্বাস্থ্য চরম হুমকির মুখে পড়ছে। অবিলম্বে এসব অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।