April 21, 2026, 11:11 am
শিরোনাম :
লংগদুতে এসএসসি দাখিল ও ভোকেশনাল পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে ৬শ ৬৮ পরীক্ষার্থী খাগড়াছড়িতে অবৈধ পাহাড় কাটার বিরুদ্ধে সেনাবাহিনীর অভিযান, আটক কয়েকজন বান্দরবানে সেনাবাহিনীর মানবিক সহায়তা: আত্মকর্মসংস্থানে এগোচ্ছে অসহায় পরিবার মানিকছড়িতে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেফতার খান ফাউন্ডেশনের এ আয়োজন শিক্ষার্থীদের চিন্তাশক্তি ও মূল্যবোধ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে  মহালছড়িতে হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইনের শুভ উদ্বোধন, টিকার আওতায় আসবে ৬৬৫০ শিশু নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস আয়োজনে খাগড়াছড়ি জেলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত; আগামী ২ মে বিকাল ৩টায় শুভ উদ্বোধন করবেন প্রধান মন্ত্রী বরকলে হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন বরকলে সম্প্রীতি ও উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ১২ বিজিবির মানবিক সহায়তা বিলাইছড়িতে পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস অনুষ্ঠিত নাইক্ষ্যংছড়িতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে সাংগ্রাইয়ের জলকেলি উৎসবের সমাপ্তি সেই নবজাতককে দত্তক নয় এবার বিকল্প পরিচর্যাকারী নিয়োগ দেওয়া হবে পানছড়ি সিনিয়র মাদ্রাসার দাখিল পরীক্ষার্থীর বিদায় অনুষ্ঠান চিৎমরমের দূর্গম চাকুয়া পাড়ায় কৃষি বিভাগের ফিল্ড টেকনোলজি ওরিয়েন্টেশন পানছড়ি ইসলামিয়া সিনিয়র মাদ্রাসায় দাখিল পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠিত বরকলে সম্প্রীতি ও উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ১২ বিজিবির মানবিক সহায়তা
Notice :

মহালছড়িতে হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইনের শুভ উদ্বোধন, টিকার আওতায় আসবে ৬৬৫০ শিশু

Reporter Name

শফিক ইসলাম, মহালছড়ি প্রতিনিধি
খাগড়াছড়ির মহালছড়ি উপজেলায় হাম-রুবেলা (এমআর) টিকাদান ক্যাম্পেইনের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২০ এপ্রিল) সকাল ১০টায় উপজেলার ১নং সদর ইউনিয়নের যৌথ খামার ত্রিপুরা পাড়ায় আনুষ্ঠানিকভাবে এই ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করা হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী, পাড়াকর্মী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, মহালছড়ি উপজেলার ৪টি ইউনিয়ন এবং গুইমারা উপজেলার ১টি ইউনিয়নসহ মোট ৫টি ইউনিয়নে এই ক্যাম্পেইন পরিচালিত হচ্ছে। পুরো কার্যক্রমে মহালছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অধীনে ১টি স্থায়ী কেন্দ্রের পাশাপাশি ১২০টি অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে।

এই ক্যাম্পেইনের আওতায় মোট ৬ হাজার ৬৫০ জন শিশুকে টিকা প্রদানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। কার্যক্রম সফল করতে ২৪০ জন স্বেচ্ছাসেবক এবং ১৫ জন প্রশিক্ষিত টিকাদানকর্মী মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন।

ক্যাম্পেইনটি সোমবার থেকে শুরু হয়ে আগামী ১০ মে পর্যন্ত চলমান থাকবে। নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী, প্রথম দুই সপ্তাহ কমিউনিটি পর্যায়ে টিকাদান কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এরপর এক সপ্তাহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে শিক্ষার্থীদের টিকা প্রদান করা হবে। মোট ১১ দিনব্যাপী এই এমআর ক্যাম্পেইন পরিচালিত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ধনিষ্ঠা চাকমা বলেন, হাম ও রুবেলা প্রতিরোধে এই টিকাদান কার্যক্রম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নির্ধারিত বয়সসীমার সব শিশুদের টিকার আওতায় আনতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। অভিভাবকদের সচেতনতা ও সহযোগিতা এক্ষেত্রে অপরিহার্য।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্যানেটারি পরিদর্শক মোঃ মনজুল ইসলাম তালুকদার বলেন, “প্রতিটি কেন্দ্রে স্বাস্থ্যবিধি মেনে টিকাদান কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। কোনো ধরনের ঝুঁকি এড়াতে আমাদের টিম সতর্ক রয়েছে।”
স্থানীয় পাড়াকর্মী ভূমিকা ত্রিপুরা জানান, আমরা ঘরে ঘরে গিয়ে অভিভাবকদের সচেতন করছি, যাতে কোনো শিশু টিকা থেকে বাদ না পড়ে।

সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হবে এবং শিশুদের মধ্যে হাম-রুবেলা প্রতিরোধে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।