
শুক্রবার (২৬ জুন) কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন (৩৪ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম খায়রুল আলম (পিবিজিএম, পিএসসি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
বিজিবি জানায়, প্রথম অভিযানটি গত ২৫ জুন রাত সাড়ে ৯টার দিকে নাইক্ষ্যংছড়ির রেজুখাল চেকপোস্ট এলাকায় পরিচালিত হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে একটি সেতুর পাশে অবস্থানরত সন্দেহভাজন দুই যুবককে আটক করা হয়। পরে তাদের দেহ তল্লাশি করে প্যান্টের ভেতরে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা দুই হাজার পিস বার্মিজ ইয়াবা ট্যাবলেট এবং একটি বাটন মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাসিন্দা মো. আসমত (২০) এবং কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার নয়াপাড়া এফডিএমএন ক্যাম্প-২৬-এর বাসিন্দা আজিজুর রহমান (২০)।
একই দিন ভোর ৬টা ৪০ মিনিটে গর্জনবুনিয়া বিওপির একটি টহল দল সীমান্ত পিলার-৪০ সংলগ্ন বাংলাদেশের অভ্যন্তরে জলিয়ার গুতা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মালিকবিহীন অবস্থায় ১৫ লিটার বাংলা মদ এবং মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি ইজিবাইক জব্দ করে।
এর কিছুক্ষণ পর সকাল ৭টার দিকে রেজুপাড়া বিওপির বিশেষ টহল দল সীমান্ত পিলার-৪৩ সংলগ্ন হেডম্যানপাড়া আমবাগান এলাকায় অভিযান চালিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় ৭০ হাজার পিস বার্মিজ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে।
বিজিবি জানায়, আটক দুই আসামিকে উদ্ধারকৃত ইয়াবা ও অন্যান্য আলামতসহ সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়া মালিকবিহীন অবস্থায় উদ্ধার হওয়া মাদকদ্রব্যের বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন (৩৪ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম খায়রুল আলম বলেন, সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধেও বিজিবি সমানভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সীমান্ত এলাকায় মাদক নির্মূলে গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
তিনি আরও বলেন, কক্সবাজার রিজিয়নের রামু সেক্টরের অধীন কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন (৩৪ বিজিবি) দীর্ঘদিন ধরে সীমান্ত সুরক্ষা, মাদক নিয়ন্ত্রণ এবং বিভিন্ন ধরনের চোরাচালান প্রতিরোধে ধারাবাহিক সাফল্য অর্জন করে আসছে।