মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৩৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পানছড়িতে ৪০ পিস ইয়াবাসহ একজন গ্রেপ্তার অহেতুক প্রকল্প নয়, পাহাড়িদের জীবনমান উন্নয়নে বাস্তবভিত্তিক কার্যকর উদ্যোগ নেয়ার আহ্বান পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল’র মাসুদ হত্যা মামলায় দুই আসামি গ্রেফতার, অস্ত্র উদ্ধারের দাবি পুলিশের পানছড়িতে বিএনপির ওয়ার্ড কার্যালয় উদ্বোধন, সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদারের আহ্বান রাঙ্গুনিয়ায় তরুণের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, মৃত্যুর আগে ফেসবুকে আবেগঘন পোস্ট ঈদগাঁওয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণ রামগড়ে পুত্রবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে শ্বশুর আটক দুর্গম পাহাড়ে জনকল্যাণে সেনাবাহিনীর উদ্যোগ, মাছের পোনা অবমুক্ত ও সৌরবিদ্যুৎ সহায়তা সাজেকে নিহত শিক্ষিকার পরিবারের পাশে বিজিবি ও উপজেলা প্রশাসন কাপ্তাই শিশু নিকেতনে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ রাজস্থলীতে ৫৫০ ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের মাঝে ধান ও সবজি বীজ বিতরণ রামগড়ে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ উপলক্ষে মা সমাবেশ অনুষ্ঠিত পানছড়িতে বিজিবির উদ্যোগে মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন সামগ্রী বিতরণ শিশুদের অপুষ্টি দূর করতে কার্যকর প্রকল্পের সুষ্ঠু বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে: ওয়াদুদ ভূইয়া লংগদু জোনের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপে গাঁথাছড়ার অগ্নিকাণ্ড দ্রুত নিয়ন্ত্রণ ও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা রামু উপজেলা ইট প্রস্তুতকারী মালিক সমিতির নতুন কমিটি গঠন

গুইমারার জালিয়াপাড়া বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে দুই দোকানসহ ব্যাপক ক্ষতি, ফায়ার স্টেশন না থাকায় ক্ষোভ

Reporter Name

দিদারুল হৃদয়, গুইমারা প্রতিনিধি।।
খাগড়াছড়ি জেলার গুইমারা উপজেলার জালিয়াপাড়া বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে একটি হোটেল ও একটি তেলের দোকানসহ অন্তত দুইটি দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। এতে আরও একটি ওষুধের দোকান ও পাশের একটি বসতবাড়ি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার (৩ জুন) রাত আনুমানিক ৩টা ৪৫ মিনিটের দিকে জালিয়াপাড়া বাজারে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। আগুনে আনোয়ার হোসেনের তেলের দোকান ও নাঈম হোটেল সম্পূর্ণভাবে ভস্মীভূত হয়। এতে প্রায় ৫০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

খবর পেয়ে স্থানীয়রা প্রথমে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। পরে মাটিরাঙ্গা ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় আধা ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

ফায়ার সার্ভিসের লিডার আবু বকর জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হতে পারে।

অন্যদিকে, সেনাবাহিনীর সিন্ধুকছড়ি জোনের মেজর শাইয়েন কাদেরের নেতৃত্বে সেনাসদস্যরাও আগুন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করেন।

এদিকে, গুইমারা উপজেলায় স্থায়ী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন না থাকায় বারবার অগ্নিকাণ্ডে বড় ধরনের ক্ষতির শিকার হচ্ছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

তারা দ্রুত গুইমারা উপজেলায় একটি পূর্ণাঙ্গ ফায়ার সার্ভিস স্টেশন স্থাপনের দাবি জানিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনায় ক্ষয়ক্ষতি কমানো সম্ভব হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *