মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০১:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মহালছড়ি জোনের উদ্যোগে তৃতীয় ধাপে ২০ রোগীর সফল ছানি অপারেশন, নিরাপদে বাড়ি ফিরলেন সবাই বিলাইছড়িতে বন্যাদুর্গত ১০৪ পরিবারকে বৌদ্ধ ভিক্ষু সংঘের নগদ সহায়তা কক্সবাজারে ‘জুলাই রেভ্যুলুশনারি এ্যালায়েন্স’-এর জেলা কমিটি ঘোষণা মাটিরাঙ্গায় ১০ লাখ টাকার ভারতীয় জুসের চালান জব্দ করল সেনাবাহিনী আলীকদম সদর ইউপির প্রশাসনিক ও আর্থিক দায়িত্ব পেলেন কৃষি কর্মকর্তা সোহেল রানা সাঙ্গু নদীতে নৌকাডুবি: নিখোঁজ পর্যটকের মরদেহ দুই দিন পর উদ্ধার গুজব-অপপ্রচার ঠেকাতে সতর্ক থাকার আহ্বান মাটিরাঙ্গা জোন অধিনায়কের রাজস্থলীতে হেডম্যান-কারবারি ও জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে সেনাবাহিনীর মতবিনিময় পাহাড়ি ঢলে নিহত দুই পরিবারের পাশে উপজেলা প্রশাসন, দেওয়া হলো ৫০ হাজার টাকা সহায়তা লংগদুতে ৯ হাজার গাছের চারা বিতরণ, সেনাবাহিনীর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি রাঙ্গুনিয়ায় ৭ বছরের নাতনিকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে নানা গ্রেপ্তার ঈদগাঁওয়ে স্মার্ট কৃষি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম চলছে খাগড়াছড়ি থানার নতুন ভবন নির্মাণকাজের উদ্বোধন কাপ্তাইয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, জরিমানা ও পণ্যের নমুনা সংগ্রহ বিলাইছড়ির ফারুয়ায় বন্যাদুর্গত ২০০ পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ ঈদগাঁও উপজেলায় চলছে স্মার্ট কৃষি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম

রাঙামাটিতে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট

Reporter Name

দেবদত্ত মুৎসুদ্দী, রাঙামাটি।।
পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে রাঙামাটি শহরের পৌর ট্রাক টার্মিনালে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট। জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে বিপুল সংখ্যক গরু ও ছাগল নিয়ে হাটে আসছেন খামারি ও ব্যবসায়ীরা। ক্রেতা-বিক্রেতার উপস্থিতিতে প্রতিদিনই সরগরম হয়ে উঠছে হাট এলাকা।

হাট সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, এবার রাঙামাটির বিভিন্ন পশুর হাটে প্রায় অর্ধলক্ষাধিক গরু উঠেছে। এসব পশুর আনুমানিক বাজারমূল্য ৪০০ থেকে ৫০০ কোটি টাকার বেশি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। গত বছরের তুলনায় পশুর সরবরাহ বেড়েছে। তবে সেই অনুপাতে এখনো ক্রেতার উপস্থিতি তেমন বাড়েনি। বিক্রেতাদের আশা, ঈদের এক-দুই দিন আগে ক্রেতা বাড়বে এবং বেচাকেনাও জমে উঠবে।

পশু কিনতে আসা সাহাব উদ্দিন বলেন, বাজারে গরুর সরবরাহ বেশি থাকলেও বিক্রেতারা তুলনামূলক বেশি দাম দাবি করছেন। মাঝারি আকারের গরুর দামও সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে। অনেকেই দরদাম করেও শেষ পর্যন্ত পশু না কিনে ফিরে যাচ্ছেন।

অন্যদিকে বিক্রেতাদের দাবি, গরু লালন-পালন, খাদ্য, চিকিৎসা ও পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় কম দামে পশু বিক্রি করা সম্ভব হচ্ছে না। ব্যবসায়ীরা জানান, মাইনীমুখ থেকে রাঙামাটি শহরের হাটে একটি গরু আনতে ৪ থেকে ৭ হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ হয়। এর বাইরে পথে বিভিন্ন ধরনের চাঁদাও দিতে হয়। ফলে লাভ করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

পশু কিনতে আসা মো. মহিদুল ইসলাম বলেন, বেশি লাভের আশায় অনেক ব্যবসায়ী এখনো দাম কমাচ্ছেন না। পরিস্থিতি বুঝে হয়তো শেষ সময়ে তারা দাম কিছুটা কমাতে পারেন।

লংগদু থেকে আসা এক খামারি জানান, অনেক কষ্ট করে গরু লালন-পালন করে বাজারে এনেও প্রত্যাশিত দাম পাওয়া যাচ্ছে না। তিনি বলেন, “একটি গরুর পেছনে প্রায় ৭৫ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। কিন্তু ক্রেতারা দাম বলছেন ৭২ হাজার টাকা। এভাবে বিক্রি করলে লোকসান গুনতে হবে।”

হাটের ইজারাদাররা জানান, বুধবার পর্যন্ত প্রায় লক্ষাধিক কোরবানির পশু হাটে আসতে পারে। এবার সরবরাহ বেশি হলেও ক্রেতা তুলনামূলক কম। এখন পর্যন্ত হাটে সর্বোচ্চ একটি গরু বিক্রি হয়েছে ২ লাখ ৭০ হাজার টাকায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *