বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৪:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মহালছড়ি জোনের উদ্যোগে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা, ঔষধ ও ত্রাণ বিতরণ সেনাবাহিনী ১৬ বেঙ্গল’র উদ্যোগে দুর্গম এলাকায় শিক্ষা ও মানবিক সহায়তা প্রদান খাগড়াছড়ি পৌরসভার ১৩৯ কোটি ৩৭ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা, নতুন কর নেই খাগড়াছড়িতে ১৭৬ বন্যাকবলিত পরিবার পেল নগদ সহায়তা ও স্বাস্থ্যবিধি সামগ্রী সাজেকে নিহত শিক্ষিকার পরিবারকে পাশে থাকার আশ্বাস বিজিবির বান্দরবানে সপ্তাহব্যাপী বৃক্ষমেলা শুরু, দেশীয় প্রজাতির গাছ রোপণে গুরুত্বারোপ পানছড়িতে বন্যাদুর্গত ১৫০ পরিবার পেল ত্রাণ সহায়তা খাগড়াছড়ি ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজে চাকমা, মারমা ও ত্রিপুরা ভাষা শিক্ষা ক্লাবের উদ্বোধন রাঙ্গুনিয়ায় অসহায় ও অসুস্থ রোগীদের আর্থিক সহায়তা দিল প্রবাসী কর্ণফুলী ক্রীড়া পরিষদ আগাম প্রস্তুতিতে বন্যার ক্ষয়ক্ষতি কমেছে, তিন পার্বত্য জেলা পরিষদ পুনর্গঠনের ঘোষণা পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর ছয় মাসে বদলে গেল মহাপুরম উচ্চ বিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের চিত্র বান্দরবানে শতাধিক বন্যাদুর্গত পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ উখিয়ায় বন্যাদুর্গত পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা বিতরণ খাগড়াছড়িতে সেনাবাহিনীর স্বাস্থ্যসচেতনতা কর্মসূচি, ৪৭৭ জনের চিকিৎসাসেবা বিলাইছড়ির ফারুয়ায় বন্যাদুর্গত আরও ৬০০ পরিবারকে ত্রাণ দেবে আশিকা পানছড়ি বাজারে নিষিদ্ধ পিরানহা বিক্রি, ভ্রাম্যমাণ আদালতে দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা

রাঙামাটিতে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট

Reporter Name

দেবদত্ত মুৎসুদ্দী, রাঙামাটি।।
পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে রাঙামাটি শহরের পৌর ট্রাক টার্মিনালে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট। জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে বিপুল সংখ্যক গরু ও ছাগল নিয়ে হাটে আসছেন খামারি ও ব্যবসায়ীরা। ক্রেতা-বিক্রেতার উপস্থিতিতে প্রতিদিনই সরগরম হয়ে উঠছে হাট এলাকা।

হাট সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, এবার রাঙামাটির বিভিন্ন পশুর হাটে প্রায় অর্ধলক্ষাধিক গরু উঠেছে। এসব পশুর আনুমানিক বাজারমূল্য ৪০০ থেকে ৫০০ কোটি টাকার বেশি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। গত বছরের তুলনায় পশুর সরবরাহ বেড়েছে। তবে সেই অনুপাতে এখনো ক্রেতার উপস্থিতি তেমন বাড়েনি। বিক্রেতাদের আশা, ঈদের এক-দুই দিন আগে ক্রেতা বাড়বে এবং বেচাকেনাও জমে উঠবে।

পশু কিনতে আসা সাহাব উদ্দিন বলেন, বাজারে গরুর সরবরাহ বেশি থাকলেও বিক্রেতারা তুলনামূলক বেশি দাম দাবি করছেন। মাঝারি আকারের গরুর দামও সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে। অনেকেই দরদাম করেও শেষ পর্যন্ত পশু না কিনে ফিরে যাচ্ছেন।

অন্যদিকে বিক্রেতাদের দাবি, গরু লালন-পালন, খাদ্য, চিকিৎসা ও পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় কম দামে পশু বিক্রি করা সম্ভব হচ্ছে না। ব্যবসায়ীরা জানান, মাইনীমুখ থেকে রাঙামাটি শহরের হাটে একটি গরু আনতে ৪ থেকে ৭ হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ হয়। এর বাইরে পথে বিভিন্ন ধরনের চাঁদাও দিতে হয়। ফলে লাভ করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

পশু কিনতে আসা মো. মহিদুল ইসলাম বলেন, বেশি লাভের আশায় অনেক ব্যবসায়ী এখনো দাম কমাচ্ছেন না। পরিস্থিতি বুঝে হয়তো শেষ সময়ে তারা দাম কিছুটা কমাতে পারেন।

লংগদু থেকে আসা এক খামারি জানান, অনেক কষ্ট করে গরু লালন-পালন করে বাজারে এনেও প্রত্যাশিত দাম পাওয়া যাচ্ছে না। তিনি বলেন, “একটি গরুর পেছনে প্রায় ৭৫ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। কিন্তু ক্রেতারা দাম বলছেন ৭২ হাজার টাকা। এভাবে বিক্রি করলে লোকসান গুনতে হবে।”

হাটের ইজারাদাররা জানান, বুধবার পর্যন্ত প্রায় লক্ষাধিক কোরবানির পশু হাটে আসতে পারে। এবার সরবরাহ বেশি হলেও ক্রেতা তুলনামূলক কম। এখন পর্যন্ত হাটে সর্বোচ্চ একটি গরু বিক্রি হয়েছে ২ লাখ ৭০ হাজার টাকায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *