শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০৩:২২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মহালছড়িতে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে সেনাবাহিনী, নগদ অর্থ, ত্রাণ ও তাৎক্ষণিক চিকিৎসা সহায়তা প্রদান বান্দরবানে বন্যার্ত ২৫০ পরিবারের মাঝে রেড ক্রিসেন্টের ত্রাণ, মেডিকেল ক্যাম্প চালু বিলাইছড়িতে ডাউনপাড়া সার্বিক গ্রাম উন্নয়ন সমবায় সমিতির প্রাক-নিবন্ধন সভা অনুষ্ঠিত বান্দরবানে বন্যার্তদের পাশে সরকার, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর ঋণ স্থগিতের উদ্যোগ জুরাছড়িতে বন্যাকবলিত এলাকা ও আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শনে এমপি দীপেন দেওয়ান মাটিরাঙ্গায় দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত ২৫ পরিবার পেল প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের সহায়তা রাজস্থলীতে ৩০ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার পেল প্রশাসনের জরুরি ত্রাণ সহায়তা জুলাই বিপ্লবের শহীদদের আত্মত্যাগেই রচিত হয়েছে দেশের রাজনীতির নতুন ধারা’: পার্বত্য ও ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল মেয়াদোত্তীর্ণ ও সাংগঠনিক নিষ্ক্রিয়তায় রাউজান-রাঙ্গুনিয়া প্রজন্ম দলের কমিটি বিলুপ্ত মাটিরাঙ্গার টানা বর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত ২০০ পরিবারের পাশে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ দীঘিনালায় বন্যা-পরবর্তী ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, ১,২০০ পরিবারে ত্রাণ বিতরণ রাবিপ্রবি’তে ‘জুলাই শহীদ দিবস-২০২৬’ পালন হুম্মাম কাদের চৌধুরীর নির্দেশনায় রাঙ্গুনিয়ায় বন্যাদুর্গতদের পাশে বিএনপি ও ছাত্রদল নেতা সাবের; দুই দিনব্যাপী ত্রাণ বিতরণ ঈদগাঁওতে বিনম্র শ্রদ্ধায় জুলাই শহীদদের স্মরণ রাঙামাটিতে ৪৫ বিজিবির উদ্যোগে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ বরকলে বন্যার্তদের বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ওষুধ দিল ১২ বিজিবি

খাগড়াছড়ির পাহাড়ে মুকুলে ভরা আমবাগান, আশাবাদী কৃষকরা

মো. আবুল হাসেম, মাটিরাঙ্গা প্রতিনিধি।।

বসন্তের আগেই পাহাড়ি জনপদ রঙিন হয়ে উঠেছে। সবুজ পাহাড়ের ঢালে ঢালে আমবাগানে থোকা থোকা মুকুল ঝুলে রয়েছে। হালকা বাতাসে দুলতে থাকা সোনালি মুকুলের সুবাসে মোহিত হয়ে উঠেছে পুরো এলাকা।

মাটিরাঙ্গার তাইন্দং, তবলছড়ি, বড়নাল, গোমতী, আমতলী ও মাটিরাঙ্গা পৌর এলাকার আমবাগানগুলোতে মুকুল এসেছে কৃষকদের স্বপ্নের সঙ্গে। উপজেলা কৃষি অফিস জানিয়েছে, চলতি মৌসুমে আমের ফলন গত বছরের তুলনায় বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কৃষি কর্মকর্তারা পোকার আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে আগাম কীটনাশক ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছেন এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহযোগিতা দিতে সবসময় প্রস্তুত রয়েছে।

স্থানীয় আমচাষিরা জানিয়েছেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় গাছে গাছে মুকুল এসেছে। দিনের তাপমাত্রা ও রাতের আবহাওয়া মুকুলের জন্য উপযোগী থাকায় ঝরে পড়ার হারও কম। ফলে চলতি মৌসুমে বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে।

তাইন্দং এলাকার আমচাষি আবু বকর বলেন, “বিগত কয়েক বছরের তুলনায় এবার মুকুল অনেক বেশি এসেছে। বড় কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে ফলন ভালো হবে ইনশাআল্লাহ।”

মাটিরাঙ্গার আমবাগান মালিক মোহাম্মদ আলী বলেন, “আম চাষই পরিবারের প্রধান আয়ের উৎস। এবার মুকুলের পরিমাণ দেখে আশাবাদী। ফলন ভালো হলে সংসারের নিত্যপ্রয়োজন মেটানো, ঋণ পরিশোধ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা করা সহজ হবে।”

বেলছড়ি এলাকার আমচাষি মো. আব্দুল জলিল জানান, “আগের বছর ঝড় ও পোকার আক্রমণে ক্ষতি হয়েছিল। এবারের অনুকূল আবহাওয়া নতুন আশা জাগিয়েছে। কৃষি বিভাগের পরামর্শ পেলে রোগবালাই ও পোকার আক্রমণ থেকে বাগান রক্ষা করা সম্ভব।”

মাটিরাঙ্গা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. সেলিম রানা বলেন, “এবার পাহাড়ি এলাকায় মুকুল আসা সন্তোষজনক। নিয়মিত পরিচর্যা ও প্রয়োজন অনুযায়ী ছত্রাকনাশক ও কীটনাশক ব্যবহার করলে ফলন ও গুণমান উভয়ই ভালো হবে। উন্নত চারা, আধুনিক চাষাবাদ ও বাজারজাতকরণ নিশ্চিত করা গেলে এখানকার আম দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *