March 6, 2026, 9:37 am
শিরোনাম :
মহালছড়িতে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে উপকারভোগীদের টেকনিক্যাল প্রশিক্ষণ বান্দরবানে অসহায়দের মাঝে সেনাবাহিনীর ইফতার সামগ্রী ও আর্থিক সহায়তা খাগড়াছড়িতে নারী দিবস ও স্বাধীনতা দিবস উদযাপন উপলক্ষে সনাকের প্রস্তুতি সভা খাগড়াছড়িতে গীতিকার, সুরকার, কণ্ঠশিল্পী ও যন্ত্রশিল্পীদের অংশগ্রহণে চারদিনব্যাপী মিউজিক ক্যাম্প উদ্বোধন সাজেকে শতাধিক পরিবারের মাঝে বিজিবির ইফতার সামগ্রী বিতরণ খাগড়াছড়িতে প্রাকৃতিক সম্পদ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে সুবিমল চাকমাকে নিয়ে আলোচনা উখিয়ায় র‍্যাবের অভিযানে অস্ত্রসহ ৫ রোহিঙ্গা আটক পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়নে সাংবাদিকদের সহযোগিতা অপরিহার্য: পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান “দরিদ্র মানুষের অধিকারকে কেউ যেন সহমর্মিতা না ভাবেন” — সংসদ সদস্য সাচিংপ্রু জেরী খাগড়াছড়িতে খুচরা সার বিক্রেতাদের বহাল রাখার দাবিতে স্মারকলিপি গুইমারায় ধর্মীয় অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনীর আর্থিক সহায়তা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা পানছড়িতে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবেলায় আলোচনা সভা বরকলে ১২ বিজিবির উদ্যোগে রমজানে এতিম ও মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের সহায়তা বিলাইছড়িতে বাজারে মোবাইল কোর্ট ও জরিমানা পার্বত্য মন্ত্রীর সঙ্গে তঞ্চঙ্গ্যা কল্যাণ সংস্থার সৌজন্য সাক্ষাৎ
Notice :

খাগড়াছড়ির পাহাড়ে মুকুলে ভরা আমবাগান, আশাবাদী কৃষকরা

মো. আবুল হাসেম, মাটিরাঙ্গা প্রতিনিধি।।

বসন্তের আগেই পাহাড়ি জনপদ রঙিন হয়ে উঠেছে। সবুজ পাহাড়ের ঢালে ঢালে আমবাগানে থোকা থোকা মুকুল ঝুলে রয়েছে। হালকা বাতাসে দুলতে থাকা সোনালি মুকুলের সুবাসে মোহিত হয়ে উঠেছে পুরো এলাকা।

মাটিরাঙ্গার তাইন্দং, তবলছড়ি, বড়নাল, গোমতী, আমতলী ও মাটিরাঙ্গা পৌর এলাকার আমবাগানগুলোতে মুকুল এসেছে কৃষকদের স্বপ্নের সঙ্গে। উপজেলা কৃষি অফিস জানিয়েছে, চলতি মৌসুমে আমের ফলন গত বছরের তুলনায় বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কৃষি কর্মকর্তারা পোকার আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে আগাম কীটনাশক ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছেন এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহযোগিতা দিতে সবসময় প্রস্তুত রয়েছে।

স্থানীয় আমচাষিরা জানিয়েছেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় গাছে গাছে মুকুল এসেছে। দিনের তাপমাত্রা ও রাতের আবহাওয়া মুকুলের জন্য উপযোগী থাকায় ঝরে পড়ার হারও কম। ফলে চলতি মৌসুমে বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে।

তাইন্দং এলাকার আমচাষি আবু বকর বলেন, “বিগত কয়েক বছরের তুলনায় এবার মুকুল অনেক বেশি এসেছে। বড় কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে ফলন ভালো হবে ইনশাআল্লাহ।”

মাটিরাঙ্গার আমবাগান মালিক মোহাম্মদ আলী বলেন, “আম চাষই পরিবারের প্রধান আয়ের উৎস। এবার মুকুলের পরিমাণ দেখে আশাবাদী। ফলন ভালো হলে সংসারের নিত্যপ্রয়োজন মেটানো, ঋণ পরিশোধ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা করা সহজ হবে।”

বেলছড়ি এলাকার আমচাষি মো. আব্দুল জলিল জানান, “আগের বছর ঝড় ও পোকার আক্রমণে ক্ষতি হয়েছিল। এবারের অনুকূল আবহাওয়া নতুন আশা জাগিয়েছে। কৃষি বিভাগের পরামর্শ পেলে রোগবালাই ও পোকার আক্রমণ থেকে বাগান রক্ষা করা সম্ভব।”

মাটিরাঙ্গা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. সেলিম রানা বলেন, “এবার পাহাড়ি এলাকায় মুকুল আসা সন্তোষজনক। নিয়মিত পরিচর্যা ও প্রয়োজন অনুযায়ী ছত্রাকনাশক ও কীটনাশক ব্যবহার করলে ফলন ও গুণমান উভয়ই ভালো হবে। উন্নত চারা, আধুনিক চাষাবাদ ও বাজারজাতকরণ নিশ্চিত করা গেলে এখানকার আম দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।”