মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৭:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মহালছড়ি জোনের উদ্যোগে তৃতীয় ধাপে ২০ রোগীর সফল ছানি অপারেশন, নিরাপদে বাড়ি ফিরলেন সবাই বিলাইছড়িতে বন্যাদুর্গত ১০৪ পরিবারকে বৌদ্ধ ভিক্ষু সংঘের নগদ সহায়তা কক্সবাজারে ‘জুলাই রেভ্যুলুশনারি এ্যালায়েন্স’-এর জেলা কমিটি ঘোষণা মাটিরাঙ্গায় ১০ লাখ টাকার ভারতীয় জুসের চালান জব্দ করল সেনাবাহিনী আলীকদম সদর ইউপির প্রশাসনিক ও আর্থিক দায়িত্ব পেলেন কৃষি কর্মকর্তা সোহেল রানা সাঙ্গু নদীতে নৌকাডুবি: নিখোঁজ পর্যটকের মরদেহ দুই দিন পর উদ্ধার গুজব-অপপ্রচার ঠেকাতে সতর্ক থাকার আহ্বান মাটিরাঙ্গা জোন অধিনায়কের রাজস্থলীতে হেডম্যান-কারবারি ও জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে সেনাবাহিনীর মতবিনিময় পাহাড়ি ঢলে নিহত দুই পরিবারের পাশে উপজেলা প্রশাসন, দেওয়া হলো ৫০ হাজার টাকা সহায়তা লংগদুতে ৯ হাজার গাছের চারা বিতরণ, সেনাবাহিনীর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি রাঙ্গুনিয়ায় ৭ বছরের নাতনিকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে নানা গ্রেপ্তার ঈদগাঁওয়ে স্মার্ট কৃষি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম চলছে খাগড়াছড়ি থানার নতুন ভবন নির্মাণকাজের উদ্বোধন কাপ্তাইয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, জরিমানা ও পণ্যের নমুনা সংগ্রহ বিলাইছড়ির ফারুয়ায় বন্যাদুর্গত ২০০ পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ ঈদগাঁও উপজেলায় চলছে স্মার্ট কৃষি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম

তীব্র শীতে থমকে যাচ্ছে জনজীবন- শীতার্ত মানুষের পাশে থাকার আশ্বাস উপজেলা প্রশাসনের

মো. গোলামুর রহমান, লংগদু প্রতিনিধি।।

রাঙামাটির দুর্গম পাহাড়ঘেরা লংগদু উপজেলায় জেঁকে বসেছে হাড়কাঁপানো শীত। গত কয়েকদিন ধরে এ অঞ্চলে সূর্যের দেখা কিছুটা দেখা গেলেও সোমবার সারাদিন রোদের দেখা মিলেনি। দিনভর ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা থাকছে চারপাশ, আর হিমেল বাতাসে জনজীবন কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে। তীব্র এই শৈত্যপ্রবাহে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন উপজেলার দিনমজুর, কৃষক ও জেলেরা।
সোমবার (২৯ ডিসেম্বর)  লংগদু উপজেলায় তাপমাত্রা ছিলো, ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।  যা এখানকার খেটে খাওয়া মানুষের জন্য চরম দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাড়িয়েছে। সূর্য না ওঠায় এবং কনকনে ঠান্ডার কারণে সকালে কাজে বের হতে পারছেন না নিম্ন আয়ের মানুষ। বিশেষ করে কাপ্তাই লেকের ওপর নির্ভরশীল জেলেরা পড়েছেন চরম বিপাকে। ঘন কুয়াশায় নৌযান চালানো যেমন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে, তেমনি প্রচণ্ড ঠান্ডায় লেকের পানিতে জাল ফেলা অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেক জেলেই গত কয়েকদিন ধরে মাছ ধরতে নামতে পারেননি।
একই চিত্র কৃষি খাতেও। আমন পরবর্তী কাজ এবং শীতকালীন শাকসবজি পরিচর্যায় ব্যস্ত থাকার কথা থাকলেও হাড়কাঁপানো শীতে মাঠে নামতে পারছেন না কৃষকরা। প্রচণ্ড ঠান্ডায় বোরো ধানের চারা ও মৌসুমি ফসলের ক্ষতির আশঙ্কা করছেন তারা।
উপজেলার জনৈক এক দিনমজুর বলেন, “সকাল থেকে সূর্যের দেখা নাই, তাই আজ কাজে বের হয়নি। আমাদের জীবন হলো একদিন অন্যর কাজ করে কিছু টাকা পাই, সে টাকা দিয়ে আবার নিজের চাষাবাদের জন্য সার বীজ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ক্রয় করি। এতো ঠান্ডা থাকলে আমাদের দৈনন্দিনের আয়ের চাকা বন্ধ হয়ে যাবে। এছাড়াও এবার লেকের পানিও কমছেনা। সব দিকে যেনো বিপদ জেঁকে বসছে।
অপর দিকে স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়েছে শিশু বাচ্চারা। তীব্র শীতে শিশুদের নিউমোনিয়া ও বয়স্কদের শ্বাসকষ্টসহ শীতজনিত নানা রোগের প্রাদুর্ভাব বাড়ছে। লংগদু সদর হাসপাতালের তথ্য সুত্রে বলা যায়, গত কয়েকদিনের তুলনায় প্রতিনিয়ত ঠান্ডা জনিত রুগী বিশেষ করে শিশুদের ভর্তি করানো হচ্ছে। গত দিনের চেয়ে আজও রুগীর সংখ্যা বেড়েছে।
স্থানীয়রা জানান, প্রতি বছর শীত আসলেও এ বছরের মনে হচ্ছে টানা কুয়াশা আর শীত জেঁকে বসছে। শীতার্ত মানুষের পাশে দাড়ানোর জন্য উপজেলা প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন তারা।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাহাঙ্গীর হোসাইন জানান, আমাদের উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ হতে সকল ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে শীতবস্ত্র পৌঁছানো হয়েছে। এছাড়াও আগামী কয়েকদিনের মধ্যে আবারো শীতার্ত মানুষের শীতবস্ত্র দেওয়া হবে।এছাড়াও লংগদু জোনের পক্ষ হতেও শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের কার্যক্রম চলমান থাকবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *