সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ১২:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বিলাইছড়িতে বন্যাকবলিত ফারুয়া ইউনিয়ন পরিদর্শনে ইউএনও, ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে চাল বিতরণ পাহাড়ি ঢলে রাজস্থলীতে পাঁচ গরুর মৃত্যু, প্রান্তিক খামারির প্রায় ৪ লাখ টাকার ক্ষতি বান্দরবানে বন্যাকবলিত ১৫ হাজার পরিবার পাবে খাদ্য সহায়তা: চেয়ারম্যান অধ্যাপক থানজামা লুসাই বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পানছড়ির সড়ক পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক-পুলিশ সুপার কাপ্তাইয়ে পাহাড়ধসে ক্ষতিগ্রস্ত ১৪০ পরিবারকে বিজিবির ত্রাণ সহায়তা রামগড়ে বন্যাদুর্গত পরিবারের মাঝে বিজিবির ত্রাণ বিতরণ থানচির একাধিক স্থানে ভূমিধস, সড়ক যোগাযোগ স্বাভাবিক রাখতে কাজ করছে সেনাবাহিনী মাটিরাঙ্গায় বন্যাদুর্গত ২৫০ পরিবারের মাঝে সেনা জোনের ত্রাণ বিতরণ বিলাইছড়িতে বন্যা দুর্গত ৫০ পরিবারকে সেনা জোনের ত্রাণ সহায়তা বিলাইছড়িতে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা কাপ্তাইয়ে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ পানছড়িতে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালিত, পরিকল্পিত পরিবার গঠনের আহ্বান পানছড়ি-খাগড়াছড়ি সড়কের একাংশ ধসে, পরিদর্শনে ইউএনও ইসলামপুরে বন্যা ও পাহাড় ধসে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে মাইজভান্ডারি গাউসিয়া হক কমিটির ত্রাণ বিতরণ টেকনাফে ১০ হাজার ইয়াবাসহ সিএনজি চালক আটক বান্দরবানে বন্যাদুর্গতদের পাশে জেলা বিএনপির সদস্য সচিব জাবেদ রেজা

তীব্র শীতে থমকে যাচ্ছে জনজীবন- শীতার্ত মানুষের পাশে থাকার আশ্বাস উপজেলা প্রশাসনের

মো. গোলামুর রহমান, লংগদু প্রতিনিধি।।

রাঙামাটির দুর্গম পাহাড়ঘেরা লংগদু উপজেলায় জেঁকে বসেছে হাড়কাঁপানো শীত। গত কয়েকদিন ধরে এ অঞ্চলে সূর্যের দেখা কিছুটা দেখা গেলেও সোমবার সারাদিন রোদের দেখা মিলেনি। দিনভর ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা থাকছে চারপাশ, আর হিমেল বাতাসে জনজীবন কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে। তীব্র এই শৈত্যপ্রবাহে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন উপজেলার দিনমজুর, কৃষক ও জেলেরা।
সোমবার (২৯ ডিসেম্বর)  লংগদু উপজেলায় তাপমাত্রা ছিলো, ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।  যা এখানকার খেটে খাওয়া মানুষের জন্য চরম দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাড়িয়েছে। সূর্য না ওঠায় এবং কনকনে ঠান্ডার কারণে সকালে কাজে বের হতে পারছেন না নিম্ন আয়ের মানুষ। বিশেষ করে কাপ্তাই লেকের ওপর নির্ভরশীল জেলেরা পড়েছেন চরম বিপাকে। ঘন কুয়াশায় নৌযান চালানো যেমন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে, তেমনি প্রচণ্ড ঠান্ডায় লেকের পানিতে জাল ফেলা অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেক জেলেই গত কয়েকদিন ধরে মাছ ধরতে নামতে পারেননি।
একই চিত্র কৃষি খাতেও। আমন পরবর্তী কাজ এবং শীতকালীন শাকসবজি পরিচর্যায় ব্যস্ত থাকার কথা থাকলেও হাড়কাঁপানো শীতে মাঠে নামতে পারছেন না কৃষকরা। প্রচণ্ড ঠান্ডায় বোরো ধানের চারা ও মৌসুমি ফসলের ক্ষতির আশঙ্কা করছেন তারা।
উপজেলার জনৈক এক দিনমজুর বলেন, “সকাল থেকে সূর্যের দেখা নাই, তাই আজ কাজে বের হয়নি। আমাদের জীবন হলো একদিন অন্যর কাজ করে কিছু টাকা পাই, সে টাকা দিয়ে আবার নিজের চাষাবাদের জন্য সার বীজ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ক্রয় করি। এতো ঠান্ডা থাকলে আমাদের দৈনন্দিনের আয়ের চাকা বন্ধ হয়ে যাবে। এছাড়াও এবার লেকের পানিও কমছেনা। সব দিকে যেনো বিপদ জেঁকে বসছে।
অপর দিকে স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়েছে শিশু বাচ্চারা। তীব্র শীতে শিশুদের নিউমোনিয়া ও বয়স্কদের শ্বাসকষ্টসহ শীতজনিত নানা রোগের প্রাদুর্ভাব বাড়ছে। লংগদু সদর হাসপাতালের তথ্য সুত্রে বলা যায়, গত কয়েকদিনের তুলনায় প্রতিনিয়ত ঠান্ডা জনিত রুগী বিশেষ করে শিশুদের ভর্তি করানো হচ্ছে। গত দিনের চেয়ে আজও রুগীর সংখ্যা বেড়েছে।
স্থানীয়রা জানান, প্রতি বছর শীত আসলেও এ বছরের মনে হচ্ছে টানা কুয়াশা আর শীত জেঁকে বসছে। শীতার্ত মানুষের পাশে দাড়ানোর জন্য উপজেলা প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন তারা।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাহাঙ্গীর হোসাইন জানান, আমাদের উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ হতে সকল ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে শীতবস্ত্র পৌঁছানো হয়েছে। এছাড়াও আগামী কয়েকদিনের মধ্যে আবারো শীতার্ত মানুষের শীতবস্ত্র দেওয়া হবে।এছাড়াও লংগদু জোনের পক্ষ হতেও শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের কার্যক্রম চলমান থাকবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *