শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০৬:৩৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
খাগড়াছড়িতে বন্যাদুর্গতদের মাঝে ইউসিবি ব্যাংকের ত্রাণ বিতরণ পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদের নতুন কমিটি ঘোষণা: রানা চেয়ারম্যান, সোলায়মান মহাসচিব রাণীরহাট-কাউখালী সড়কে বেইলি সেতু ভেঙে যোগাযোগ বন্ধ লংগদুতে সেগুন বাগান কাটার অভিযোগ নিয়ে বিতর্ক, বিএনপি নেতাকে শোকজ পাহাড়ধসে ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে উদ্যোগের দাবি লামায় পাহাড়ি ঢল ও ধসে ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক-সেতু, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ কাপ্তাই লেকের পানি বাড়ায় স্পিলওয়ের ১৬ জলকপাট খুলে ৯ হাজার কিউসেক পানি ছাড় বিচ্ছিন্নভাবে নয়, সমন্বিত উদ্যোগে বন্যাদুর্গতদের সেবা পৌঁছাতে হবে: প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বিলাইছড়িতে বাড়ি বাড়ি গিয়ে কৃষক কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু দুই বছরেও সংস্কার হয়নি সংযোগ সেতুর, দুর্ভোগে বাঘাইছড়ির হাজারো মানুষ রোয়াংছড়িতে বন্যাদুর্গতদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করলেন পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী খাগড়াছড়িতে অবৈধ টিলা কাটার দায়ে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা চকরিয়ায় ১,৫০০ বন্যাদুর্গত পরিবারকে বিজিবির ত্রাণ, ৭০০ জনের চিকিৎসাসেবা আলীকদমে বন্যাদুর্গতদের ত্রাণ সহায়তা দিল খুইল্লা মিয়া চেয়ারম্যান ফাউন্ডেশন মহালছড়িতে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে সেনাবাহিনী, নগদ অর্থ, ত্রাণ ও তাৎক্ষণিক চিকিৎসা সহায়তা প্রদান বান্দরবানে বন্যার্ত ২৫০ পরিবারের মাঝে রেড ক্রিসেন্টের ত্রাণ, মেডিকেল ক্যাম্প চালু

বান্দরবানে বন্যা দুর্গতদের পাশে জেলা প্রশাসন, আশ্রয়কেন্দ্রে ত্রাণ ও নগদ সহায়তা

Reporter Name

বশির আহমেদ, বান্দরবান প্রতিনিধি।।
টানা চার দিনের ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে বান্দরবান জেলার বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে কয়েক হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন এবং অনেকে আশ্রয় নিয়েছেন বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে।

গত দুই দিনের টানা বৃষ্টিতে বান্দরবান শহরের আর্মিপাড়া, হাফেজঘোনা, শেরেবাংলা নগর, কাশেমপাড়া, সাংগু নদীতীরবর্তী উজানীপাড়া ও মধ্যমপাড়া, এবং বালাঘাটা আম্রকানন এলাকার বিস্তীর্ণ অংশ ৫ থেকে ১০ ফুট পানির নিচে তলিয়ে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য শহরের বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছেন।

মঙ্গলবার গভীর রাতে জেলা প্রশাসক মো. সানিউল ফেরদৌসের নেতৃত্বে জেলা প্রশাসনের একটি ত্রাণদল বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন করে। এ সময় বন্যাদুর্গত মানুষের মধ্যে শুকনো খাবার, রান্না করা খাবার, সুপেয় পানি এবং নগদ অর্থ সহায়তা বিতরণ করা হয়।

ত্রাণ কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এস এম হাসান, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মারুফা সুলতানা খান হীরামনি এবং জেলা প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তারা।

জেলা প্রশাসক মো. সানিউল ফেরদৌস বলেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য জেলা প্রশাসনের মানবিক সহায়তা কার্যক্রম চলমান থাকবে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *