শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০২:৫৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মহালছড়িতে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে সেনাবাহিনী, নগদ অর্থ, ত্রাণ ও তাৎক্ষণিক চিকিৎসা সহায়তা প্রদান বান্দরবানে বন্যার্ত ২৫০ পরিবারের মাঝে রেড ক্রিসেন্টের ত্রাণ, মেডিকেল ক্যাম্প চালু বিলাইছড়িতে ডাউনপাড়া সার্বিক গ্রাম উন্নয়ন সমবায় সমিতির প্রাক-নিবন্ধন সভা অনুষ্ঠিত বান্দরবানে বন্যার্তদের পাশে সরকার, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর ঋণ স্থগিতের উদ্যোগ জুরাছড়িতে বন্যাকবলিত এলাকা ও আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শনে এমপি দীপেন দেওয়ান মাটিরাঙ্গায় দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত ২৫ পরিবার পেল প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের সহায়তা রাজস্থলীতে ৩০ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার পেল প্রশাসনের জরুরি ত্রাণ সহায়তা জুলাই বিপ্লবের শহীদদের আত্মত্যাগেই রচিত হয়েছে দেশের রাজনীতির নতুন ধারা’: পার্বত্য ও ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল মেয়াদোত্তীর্ণ ও সাংগঠনিক নিষ্ক্রিয়তায় রাউজান-রাঙ্গুনিয়া প্রজন্ম দলের কমিটি বিলুপ্ত মাটিরাঙ্গার টানা বর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত ২০০ পরিবারের পাশে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ দীঘিনালায় বন্যা-পরবর্তী ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, ১,২০০ পরিবারে ত্রাণ বিতরণ রাবিপ্রবি’তে ‘জুলাই শহীদ দিবস-২০২৬’ পালন হুম্মাম কাদের চৌধুরীর নির্দেশনায় রাঙ্গুনিয়ায় বন্যাদুর্গতদের পাশে বিএনপি ও ছাত্রদল নেতা সাবের; দুই দিনব্যাপী ত্রাণ বিতরণ ঈদগাঁওতে বিনম্র শ্রদ্ধায় জুলাই শহীদদের স্মরণ রাঙামাটিতে ৪৫ বিজিবির উদ্যোগে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ বরকলে বন্যার্তদের বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ওষুধ দিল ১২ বিজিবি

বান্দরবানে শিশুদের হাতে পুলিশের লুট হওয়া দুই গ্যাস গ্রেনেড উদ্ধার

মো. ইসমাইলুল করিম, লামা প্রতিনিধি

পার্বত্য জেলা বান্দরবানের শহর এলাকায় শিশুদের খেলার সময় পুলিশের লুট হওয়া দুইটি গ্যাস গ্রেনেড উদ্ধার হয়েছে। পরে গ্রেনেড দুটি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সকালে বান্দরবান শহরের বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন কাশেমপাড়া এলাকার একটি ঝিরির পাশ থেকে গ্রেনেড দুটি উদ্ধার করা হয়।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কাশেমপাড়া এলাকায় কয়েকজন শিশু ঝিরির পাশে খেলছিল। এ সময় তারা পলিথিনে মোড়ানো পরিত্যক্ত অবস্থায় কিছু বস্তু দেখতে পায়। কৌতূহলবশত পলিথিন খুলে তারা গোলাকার দুইটি বস্তু পায় এবং খেলনার ভেবে সেগুলো সঙ্গে নিয়ে আসে।

পরবর্তীতে স্থানীয়রা বিষয়টি সন্দেহজনক মনে করে পুলিশের কাছে খবর দেন। বাসস্ট্যান্ড এলাকায় টহলরত পুলিশ সদস্যদের কাছে গ্রেনেড দুটি হস্তান্তর করা হয়। পরে নিরাপত্তার স্বার্থে গ্রেনেড দুটি বালতির পানিতে ডুবিয়ে রাখা হয় এবং নিষ্ক্রিয় করার প্রস্তুতি নেওয়া হয়।

ঘটনার বিষয়ে শিশু তনিম ও তানভি জানায়, খেলার সময় ড্রেনের ওপর পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় বস্তু দুটি পেয়ে তারা সঙ্গে নিয়ে আসে। পরে সেগুলো বোমা হতে পারে জানতে পেরে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বান্দরবান জেলা পুলিশ সুপার মো. আবদুর রহমান বলেন, উদ্ধার হওয়া গ্যাস গ্রেনেড দুটি পুলিশের ব্যবহৃত। সাধারণত এগুলো জনতা বা মব ছত্রভঙ্গ করতে ব্যবহার করা হয়। তিনি জানান, যেহেতু গত ৫ আগস্ট বান্দরবান থানা আক্রান্ত হয়নি, তাই গ্রেনেডগুলো বান্দরবান পুলিশের নয়। ধারণা করা হচ্ছে, এগুলো অন্য কোনো জেলা থেকে পুলিশের লুট হওয়া গ্রেনেড।

পুলিশ সুপার আরও বলেন, উদ্ধার হওয়া গ্রেনেডের ঘটনায় আসন্ন নির্বাচনে কোনো ধরনের প্রভাব পড়বে না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *