রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ০৬:০০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সেনাবাহিনীর উদ্যোগে দুর্গম এলাকায় বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা এবং ঔষধ বিতরণ বান্দরবান এলজিইডির বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন বাঘাইছড়িতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন লামায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন “সবুজে গড়বো আগামীর বাংলাদেশ” খাগড়াছড়িতে শুরু হলো বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি থানচিতে উদ্যোক্তা মেলা ও পিঠা উৎসব প্রধানমন্ত্রীর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি; পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন খাগড়াছড়ি সদর এলজিইডি’র আয়োজনে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি পালন সীমান্তে অপরাধ ও সন্ত্রাস দমনে পানছড়ি কেষ্টমনি পাড়ায় বিজিবি’র নতুন ক্যাম্প স্থাপন প্রধানমন্ত্রীকে দেখার জন্য ঈদগাঁওবাসী ছিলেন অধির অপেক্ষায় বান্দরবানের ক্রীড়াঙ্গনে নারী ক্রীড়াবিদদের মর্যাদা, নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিতকরণে এক কর্মশালা রাজস্থলীতে ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন নওমুসলিমদের নির্যাতনের অভিযোগে রাজস্থলীতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ পানছড়িতে ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির’ উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে বাঘাইছড়িতে ২৫ হাজার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন এডুকেশনাল এক্সিলেন্স সাপোর্ট স্কীম (EESS) এর আওতায় , সৌকেসিং প্রোগ্রাম

কর্ণফুলীতে নৌকাডুবি: ৫ জনকে জীবিত উদ্ধার করা ৪ কিশোরকে পুলিশের সাহসিকতা সম্মাননা

Reporter Name

মো. ইউসুফ, রাঙ্গুনিয়া প্রতিনিধি।।
কর্ণফুলী নদীতে যাত্রীবাহী নৌকাডুবির ঘটনায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পাঁচজনকে উদ্ধার করা চার কিশোরকে সাহসিকতা সম্মাননা দিয়েছে পুলিশ। শনিবার দুপুরে রাঙ্গুনিয়া মডেল থানায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তাদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট ও পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার (রাঙ্গুনিয়া সার্কেল) মুহাম্মদ বেলায়েত হোসেন। রাঙ্গুনিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ জহির উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সাহসিকতার স্বীকৃতি পান মুহাম্মদ রবিউল্লাহ, মুহাম্মদ সাইমন, মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ ও মুহাম্মদ অলিউল্লাহ।

গত ২৮ মে সকাল সাড়ে ১১টার দিকে চন্দ্রঘোনা-কদমতলি ইউনিয়নের দেওয়ানজি ঘাট ও কোদালা ঘাটের মাঝামাঝি এলাকায় কর্ণফুলী নদীতে একটি যাত্রীবাহী নৌকা ডুবে যায়। নৌকাটিতে একই পরিবারের কয়েকজন সদস্য ছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, নৌকাটি ডুবে যেতে দেখে নদীর পাড়ে থাকা ১৫ বছর বয়সী রবিউল্লাহ তাৎক্ষণিক নদীতে ঝাঁপ দেন। পরে পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে সাইমন তার বাবার ইঞ্জিনচালিত নৌকা নিয়ে এগিয়ে আসেন। এরপর আব্দুল্লাহ ও অলিউল্লাহ উদ্ধারকাজে যোগ দেন। প্রবল স্রোত ও প্রতিকূল আবহাওয়া উপেক্ষা করে প্রায় ১০ মিনিটের চেষ্টায় তারা দুই শিশুসহ পাঁচজনকে জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হন।

সম্মাননা পাওয়া চার কিশোর বলেন, “মানুষকে বাঁচাতে পেরে আমরা সবচেয়ে বেশি আনন্দিত। আমাদের এই কাজের মূল্যায়ন করায় পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞ।”

সহকারী পুলিশ সুপার মুহাম্মদ বেলায়েত হোসেন বলেন, “এই তরুণদের সাহসিকতা ও মানবিকতা সমাজের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। নিজেদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তারা যেভাবে মানুষের প্রাণ রক্ষা করেছে, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়।”

এদিকে, উদ্ধার হওয়া যাত্রীদের কাছ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে পূর্ণাঙ্গ তথ্য না পাওয়ায় পানির স্রোতে ভেসে যাওয়া নববধূ কনিকা দাশের বিষয়টি প্রথমে জানা যায়নি। পরে জানা গেলে তাকে উদ্ধারে তৎপরতা চালানো হয়। তবে প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

ফায়ার সার্ভিসের ধারণা, দুর্ঘটনার সময় নদীতে জোয়ারের শেষ পর্যায় চলছিল। পরবর্তীতে ভাটার স্রোতে নিখোঁজ ব্যক্তি অনেক দূরে ভেসে যেতে পারেন।

নিখোঁজ কনিকা দাশের সন্ধান পেলে দ্রুত রাঙ্গুনিয়া ফায়ার সার্ভিসের অফিসিয়াল নম্বর ০১৯০১০২১৫৮১-এ যোগাযোগ করার অনুরোধ জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *